গেল বছরই মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য সরকারি ডিভাইসে ডিপসিকের এআই চ্যাটবট ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য বিল উত্থাপন করেছিলেন।
Published : 20 Oct 2026, 08:17 PM
Updated : 20 Oct 2026, 08:17 PM
তথ্য পাচারের আশঙ্কায় মার্কিন সরকারের সব সংস্থা ও আইটি সিস্টেমে চীনভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ডিপসিক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি’ বা ডিএইচএস দেশটির সব কেন্দ্রীয় সংস্থায় ডিপসিক ব্যবহারের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।
ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ পাওয়া বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি বলেছে, ডিপসিক ব্যবহারের মাধ্যমে মার্কিন সরকারের কর্মকর্তা-কর্মী ও সরবরাহকারীদের সংবেদনশীল তথ্য চীন সরকারের কাছে পাচার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নতুন এ নির্দেশের ফলে ‘এনভারনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি’ (ইপিএ) বা ‘ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন’ (এফসিসি)’র মতো সংস্থাগুলোকে তাদের ব্যবহৃত ব্যবস্থা থেকে ডিপসিকের যে কোনো পণ্য সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে।
পাশাপাশি এরইমধ্যে সংগৃহীত বা ব্যবহৃত যে কোনো সংশ্লিষ্ট পণ্য বা সেবা সিস্টেম থেকে পুরোপুরি সরিয়ে ফেলতে হবে।
ডিএইচএস বলেছে, “ডিপসিকের উদ্ভাবিত এআই মডেলগুলোতে ক্ষতিকর মালওয়্যার বা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকতে পারে।”
একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের যে কোনো ধরনের চুক্তি বা টেন্ডারে অংশগ্রহণ থেকেও ডিপসিককে চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।
ডিপসিক তাদের আধুনিক এআই মডেল ‘ভি৪.১-ফ্ল্যাশ-১০১৭’ বাজারে আনার পরই ডিএইচএসের এই কঠোর নির্দেশ এল। নতুন মডেলটিকে সংস্থাটি আগের চেয়ে ‘আরও বুদ্ধিমান, দ্রুতগতির ও সুসংহত’ হিসেবে দাবি করেছিল ডিপসিক।
চীনভিত্তিক এআই কোম্পানির সঙ্গে মার্কিন সরকারের বিরোধের ঘটনা এবারই প্রথম নয়।
এর আগে, যখন তাদের কম খরচের এআই মডেলগুলো ‘চ্যাটজিপিটি’ বা ‘জেমিনাই’-এর মতো সেবাগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে শুরু করেছে তখন থেকেই এই উত্তাপ বেড়েছে।
গেল বছরই মার্কিন কংগ্রেসের দুই সদস্য সরকারি ডিভাইসে ডিপসিকের এআই চ্যাটবট ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য বিল উত্থাপন করেছিলেন।
