সৈয়দপুরে প্রধানমন্ত্রী, হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের জানালেন শুভেচ্ছা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ এএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সৈয়দপুরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে রংপুরে যাওয়ার সময় বাস থেকে হাত নেড়ে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে বিমানযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা থেকে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে একনজর দেখতে সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বাস থেকে হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
আরও পড়ুন
সফরসূচি অনুযায়ী, রংপুর নগরীর রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে মন্দিরটি পরিদর্শন শেষে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফিরে সেখান থেকে বিমানে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার। রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণের পর দুপুর দেড়টার দিকে ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। পরে রাজশাহী থেকে বিমানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন তিনি। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাময়িক বিশ্রাম শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। সফর নির্বিঘ্ন করতে বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরহাদ হোসাইন/অন্তরা/
আরও পড়ুন
ফরিদপুরে এক আঙিনায় সারি সারি ২৭৭টি প্রতিমা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ফরিদপুর জেলায় এ বছর ৭৮১টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। আলফাডাঙ্গা উপজেলার কুসুমদি গ্রামের শ্রী শ্রী হরি মন্দির রূপ নিয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রদর্শনীতে। এক আঙিনায় সারি সারি ২৭৭টি প্রতিমা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ষষ্ঠীপূজার শুভসূচনার মধ্য দিয়ে মণ্ডপের দুয়ার উন্মুক্ত হয়েছে।
রবিবার লক্ষ্মীপূজা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকবে এই প্রাঙ্গণ।
আরও পড়ুন
২০০৫ সাল থেকে ঐতিহ্যবাহী এই দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়ে আসলেও এবার তা রূপ নিয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম উৎসবে। আয়োজকরা জানান, গত বছরের ২৫১টি প্রতিমার রেকর্ড ভেঙে এবার মণ্ডপে ঠাঁই পেয়েছে ২৭৭টি শৈল্পিক সৃষ্টি। যেখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মনসামঙ্গল কাব্যের সতীনারী বেহুলার উপাখ্যান এবং দেবীর নবদুর্গা রূপের নানা পৌরাণিক আখ্যান।
কুসুমদি গ্রামের কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আয়োজন এখন আর শুধু ধর্মীয় আচার পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিমার বৈচিত্র্য, পৌরাণিক কাহিনির শৈল্পিক উপস্থাপন ও বর্ণাঢ্য সাজসজ্জায় এটি পরিণত হয়েছে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মিলনমেলায়। পৌরাণিক কাহিনির নানা দৃশ্য আর শৈল্পিক প্রতিমায় সাজানো এক ব্যতিক্রমী আয়োজন। এই দৃশ্য দেখতে প্রতিবছর ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভিড় করেন লাখো মানুষ। শুধু ফরিদপুর বা আশপাশের জেলা নয়, প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেও আসেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা।
এন কে বি নয়ন/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ঝালকাঠিতে নিষেধাজ্ঞার পর মেলনি চাল
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা শুরুর ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও ঝালকাঠিতে সরকারি সহায়তার চাল পাননি ৩ হাজার ২৯৪ জেলে। মাছ ধরতে না পারায় আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঋণের কিস্তি ও সংসারের খরচ মেটানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। এতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে আয় বন্ধ থাকায় জেলেদের পুনর্বাসন সহায়তা বাড়ানো এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধে সাময়িক ছাড় দেওয়ার দাবি উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশের সব জেলেকে শতভাগ সহায়তা দেওয়া হয়নি। তাই ঝালকাঠিতেও সব জেলের জন্য চাল বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে টানা ২২ দিনের জন্য নদী ও সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এ সময় ইলিশ আহরণের পাশাপাশি পরিবহন, মজুত, বাজারজাত ও বিক্রিও নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদী। জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ঝালকাঠিতে ৭ হাজার ৪৯৪ জন জেলের মধ্যে ৪ হাজার ২০০ জনকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। ফলে সহায়তার বাইরে রয়েছেন ৩ হাজার ২৯৪ জন।
এ বিষয়ে জেলে হানিফ হাওলাদার বলেন, ‘এই অবরোধে সরকার ২৫ কেজি করে চাল দিয়েছে। আমার পরিবারে সাতজন সদস্য। প্রতিদিন পাঁচ কেজি চাল রান্না করতে হয়। বাকি দিনগুলো কীভাবে চলব? তা ছাড়া চালের সঙ্গে আনুষঙ্গিক আরও কিছু প্রয়োজন হয়। শুধু চাল কি চিবিয়ে খাব? ঋণের কিস্তিও রয়েছে। অবরোধের সময় সরকারের পক্ষ থেকে কিস্তি বন্ধ রাখার একটা ব্যবস্থা করা হোক।’
আরও পড়ুন
আরেক জেলে সুমন হোসেন বলেন, ‘অবরোধের আগ থেকেই নদীতে মাছ ছিল না। সেই থেকেই আমাদের রোজগার বন্ধ। এখন আবার অবরোধ, ফলে পুরো বেকার হয়ে পড়েছি। ঋণের কিস্তি নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি।’
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, ‘আমরা ৭ হাজার ৪৯৪ জন জেলের জন্য বরাদ্দের চাহিদা দিয়েছিলাম। কিন্তু বরাদ্দ পেয়েছি ৪ হাজার ২০০ জনের। সব জেলাতেই শতভাগ জেলেকে সহায়তা দেওয়া হয়নি। তাই শতভাগ জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল দিতে পারিনি। আগামীতে আবারও শতভাগ বরাদ্দ চাইব। আশা করি, শতভাগ বরাদ্দ পাব। তখন আর কেউ বাদ পড়বেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ দিন-রাত অভিযান চালাচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে মেনে চললে আগামী মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। এতে জেলেরাই লাভবান হবেন।’
আরও পড়ুন
শিবচরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছে ইলিশ বিক্রি
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ এএম
ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে জমে উঠেছে নদীপাড়ের অস্থায়ী হাট। গতকাল মাদারীপুরের বন্দরখোলা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর পাড়ের চরাঞ্চলে। ছবি: খবরের কাগজ
-->ইলিশের প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞার ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মাপাড়ে বন্ধ হয়নি ইলিশ বিক্রি। নদী থেকে ধরে আনা মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন অস্থায়ী হাটে। পদ্মার তাজা ইলিশ মাছ কিনতে আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ভিড় করছেন ক্রেতারা। এদিকে জনবলসংকটে পুরো এলাকায় শতভাগ নজরদারি নিশ্চিত করা কঠিন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজিরসূরা বাজারসংলগ্ন পদ্মার পাড়, মাদবরেরচর ইউনিয়নের পুরানকান্দি এবং চরজানাজাত ইউনিয়নের হীরাখাঁর বাজারসংলগ্ন নদীর পাড় ইলিশ বিক্রির অন্যতম স্থান। প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে এসব এলাকায় বসে অস্থায়ী হাট। এর মধ্যে বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজিরসূরা বাজারে সড়কপথে সহজেই যাতায়াত করা যায়।
বিভিন্ন যানবাহনে করে সেখানে যান ক্রেতারা। অন্যদিকে চরজানাজাত ইউনিয়নের হীরাখাঁর বাজার পদ্মার উত্তর পাড়ে হওয়ায় সেখানে যেতে হয় নদী পেরিয়ে। দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় এসব এলাকায় প্রশাসনের অভিযান তুলনামূলক কম দৃশ্যমান বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার মাদবরেরচর ইউনিয়নের পুরানকান্দিতেও সড়কপথে সরাসরি যাতায়াতের সুযোগ নেই। সেখানে যেতে হয় হেঁটে ও ছোট নৌকায় নদী পেরিয়ে। এসব এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি কম থাকায় প্রকাশ্যেই মাছ বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
গতকাল সোমবার বন্দরখোলা ইউনিয়নের কাজীরসূরা বাজারসংলগ্ন পদ্মার পাড়ের চরাঞ্চলে গিয়ে দেখা যায়, নদী থেকে ট্রলারে জেলেরা মাছ নিয়ে তীরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই মাছ কিনতে ট্রলারের দিকে ছুটছেন অপেক্ষমাণ ক্রেতারা। সেখানে হালি বা ঢালা ধরেও মাছের দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। ক্রেতারাও নিজেদের মতো দরদাম করে মাছ কিনছেন। সেখানে এক থেকে দেড় কেজি ওজনের মাছের পাশাপাশি দুই কেজি ওজনের ইলিশও পাওয়া যাচ্ছে।
স্থানীয় যুবক শিপন শিকদার বলেন, ‘পুলিশ একবার টহল দিলে সারা দিন আর তাদের দেখা যায় না। পরে আবার মাছ ধরা ও বিক্রি করে। এখানে নানা বয়সী মানুষ মাছ ধরেন। প্রশাসন নদীপথে টহল আরও জোরদার করলে হয়তো কেউ নদীতে মাছ ধরতে পারত না।’ ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে মাছ কিনতে এসেছেন আরিফ মোল্লা। তিনি বলেন, ‘লোকমুখে শুনে মাছ কিনতে এসেছি। এসে দেখি, মাছের চেয়ে ক্রেতার সংখ্যা বেশি। দামও দ্বিগুণ। দেখছি, পোষালে কিনব, না হলে চলে যাব।’
ইলিশ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু শিবচর নয়, মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুরের জেলেরাও পদ্মার বিভিন্ন স্থানে মাছ ধরেন। তাদের কেউ কেউ বলছেন, মাছ ধরা বন্ধ রাখলে জীবিকা নির্বাহ করবেন কীভাবে? এই যুক্তিতে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কেউ কেউ মাছ ধরা ও বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
কাজীরসূরা এলাকায় মাছ ধরে বিক্রি করেন মো. তালেব মোল্লা। তিনি বলেন, ‘আমরা অসহায়, তাই মাছ ধরি। জানি, এখন মাছ ধরা নিষিদ্ধ। তবু পেটের দায়ে মাছ ধরি। আমাদের সংসারে প্রতিদিন ৫-৬ কেজি চাল লাগে। সরকার এই কয়দিনের জন্য ২৫ কেজি চাল দিয়েছে। এতে আমাগো কী অয়? এ কারণেই মাছ ধরে বিক্রি করে চাল-ডাল কিনে বাড়ি যাই।’
এ বিষয়ে শিবচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার বলেন, ‘জনবলসংকটের কারণে পুরো এলাকায় শতভাগ নজরদারি নিশ্চিত করা কঠিন। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মার পাড়ের যতগুলো মাছ বিক্রির স্পট আছে, সেগুলো ভেঙে দেওয়া হবে। কাজিরসূরা বাজারের হাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে ক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া আমাদের নিয়মিত অভিযান চলবে।’
আরও পড়ুন
অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক, ছাড় নয়: আইজিপি
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->নারায়ণগঞ্জে মাদক, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, অপরাধী যতই ক্ষমতাশালী হোক না কেন, কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে নারায়ণগঞ্জের মিশন পাড়া এলাকার রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন আইজিপি।
তিনি বলেন, ‘অপরাধী যে মতের, বর্ণের, ধর্মের কিংবা যত ক্ষমতাশালীই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি চলছে, চলবে।‘
আরও পড়ুন
আইজিপি বলেন, ‘পাড়া-মহল্লায় তরুণদের মাদকাসক্তি বাড়ছে, যা বিভিন্ন অপরাধের অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে। কিশোর গ্যাং দমনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।‘
এ সময় তিনি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংকট কাটিয়ে পুলিশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সদস্যদের মনোবল, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ চলছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পাশাপাশি নাগরিকদেরও আইন মেনে চলতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করতে হবে।‘
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ সিআইডির পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী।
বিল্লাল হোসাইন/অলি/
