সিপিএমের স্টলে ভাঙচুরছবি: eisamay.com
Published on
:
2 min read
ফের সিপিএমের বুক স্টলে হামলার অভিযোগ। এ বার হামলা চালানো হয়েছে ধূপগুড়ির ঐতিহ্যবাহী ভান্ডানি মেলায়। সিপিএমের বুক স্টলে হামলার অভিযোগ উঠল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি ব্লকের গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভান্ডানি এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্টল ভাঙচুর ও বইপত্র ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে মেলায় উপস্থিত মানুষের একাংশের সঙ্গে সিপিএম কর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। প্রতিবাদ জানানো হলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যায় বলে জানা গিয়েছে।
দুর্গাপুজোর সময়ে রাজ্যজুড়ে হামলা এবং ভাঙচুর চালানো হয়েছে বামপন্থীদের বুক স্টলে। তবে এর পরেও বই বিক্রি কমেনি বলে দাবি সিপিএমের।
এ দিকে, প্রতি বছরের মতো এ বারও মেলা কমিটির নিয়ম মেনে অনুমতি নিয়ে বইয়ের স্টল তৈরি করেছিলেন সিপিএম কর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরেই এই মেলায় বইয়ের প্রদর্শনী ও বিক্রি হয়ে আসছে।
অভিযোগ, গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান কৃষ্ণা রায়ের নেতৃত্বে বিজেপি আশ্রিত একদল লোক ওই স্টলে চড়াও হয়। স্টল ভেঙে দেওয়া এবং বইপত্র ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। স্টলে থাকা মহিলা কর্মীদের উপরেও হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ।
ঘটনার নিন্দা করেছেন মেলা কমিটির উদ্যোক্তারা। তাঁদের বক্তব্য, মেলা কমিটির অনুমতি নিয়ে তৈরি একটি বইয়ের স্টলকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা মেলার স্বাভাবিক পরিবেশ ও পারস্পরিক সম্প্রীতির আবহকে বিঘ্নিত করে।
সিপিএমের ধূপগুড়ি পশ্চিম এরিয়া কমিটির সদস্য নিরঞ্জন রায়ের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মেলা কমিটির নিয়ম মেনেই তাঁরা বইয়ের স্টল করে আসছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়ানো এবং বই পড়ার আগ্রহ তৈরির উদ্যোগকে বাধা দিতেই এই হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে তাঁর দাবি।কৃষ্ণা রায়ের নেতৃত্বে স্টল ভাঙার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে ঘটনার সময় উপস্থিত মানুষের প্রতিবাদের মুখে হামলাকারীরা সেখান থেকে চলে যায় বলে দাবি নিরঞ্জন রায়ের।
ঘটনার পরেও বুক স্টলে বই বিক্রি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।
