ফাইল চিত্রছবি: সোশ্যাল মিডিয়া
Published on
:
1 min read
ক্রমশ বেড়ে চলা মূল্যবৃদ্ধি, তেলের দাম বেড়ে চলা, নাগরিক পরিষেবার মুখ থুবড়ে পড়া, স্কুলের বেহাল দশা- এমন একাধিক কারণে গোটা ফ্রান্সের নানা জায়গায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। অনেক শহরেই সেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নিয়েছে। একাধিক শহরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক দোকানপাটে লুঠ চলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় স্তরে কার্ফু জারির নির্দেশ দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু। প্রয়োজন হলে জরুরি অবস্থা জারির ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। রবিবারের হিংসার ঘটনায় দেশজুড়ে ২,৪০০-র বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর। এই আবহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজের ইস্তফা পাঠিয়েছিলেন। যদিও তা গ্রহণ করেননি ইম্যানুয়েল মাক্রঁ। নিরাপত্তার ঘাটতি খতিয়ে দেখে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় স্তরে কার্ফু জারি:
একাধিক শহরে বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নেওয়ায় কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু নির্দিষ্ট এলাকায় আংশিক কার্ফু জারি করতে বলেছেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট এলাকায় বিধিনিষেধ আরোপ করার পথে হাঁটছে ফ্রান্সের সরকার। হিংসা ঠেকাতে আগাম পরিকল্পনা ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে কোথায় ঘাটতি ছিল, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মাক্রঁ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দক্ষিণ ফ্রান্সের মার্সেই শহরে সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিক্ষোভ বা জমায়েত করা যাবে না। প্যারিসে হিংসার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে বিশেষ দল গঠন করেছে পুলিশ। লুঠপাট এবং সরকারি ভবনে হামলার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। ফ্রান্সের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় ইউরোপের কয়েকটি দেশ নাগরিকদের জন্য ট্র্যাভেল অ্যাডভাইজ়ারি দিয়েছে বলে একটি সর্বভারতীয় সংস্থার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।