এশীয় দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়া’ (সিকা)-এর সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী সিকাকে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সংস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন জানান। এ লক্ষ্যে সংস্থাটির সুনির্দিষ্ট আইনি মর্যাদা, শক্তিশালী সচিবালয়, নির্ভরযোগ্য অর্থায়নব্যবস্থা এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণপ্রক্রিয়া গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
হুমায়ুন কবির তিনটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রথমত, সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থবহ অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে ফলাফলভিত্তিক খাতভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সেগুলোর যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করা।
দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন অংশীজনের অংশগ্রহণ বাড়াতে সরাসরি উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান আয়োজন করা এবং সদস্যরাষ্ট্রগুলোর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাত ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদার করা।
তৃতীয়ত, আইসিটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিরাপদ, উন্মুক্ত ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে ‘আস্থা সৃষ্টিমূলক পদক্ষেপ’ গ্রহণ করা।
সম্মেলন চলাকালে লাও পিপলস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক (লাও পিডিআর) এশিয়াভিত্তিক এই ফোরামের ২৯তম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়।
১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সিকা এশিয়াজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে কাজ করে আসছে। সম্মেলনে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদে আজারবাইজানের সভাপতিত্ব এবং সিকার পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে সুলতান হাজিয়েভের নিয়োগও অনুমোদিত হয়।
