বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ও ভৌগোলিক বাস্তবতায় দীর্ঘকাল ধরেই জলপথকেন্দ্রিক নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। শত শত নদ-নদী, খাল ও জলাভূমিতে সমৃদ্ধ পলিমাটির এই দেশে পানি কেবল প্রকৃতির উপহার নয়; এটি জীবন, অর্থনীতি ও জাতীয় অস্তিত্বের অন্যতম চালিকাশক্তি। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত দখল, বর্জ্য দূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে গত কয়েক দশকে দেশের অসংখ্য খাল ও জলাধার স্বাভাবিক নাব্য হারিয়ে মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে। এর ফলে শুধু পানি নিষ্কাশনব্যবস্থাই ব্যাহত হয়নি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতিও।
এমন বাস্তবতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের আটটি বিভাগে ২০টি সরকারি খালকে ‘মডেল খাল’ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এটি শুধু জলাশয় পুনরুদ্ধারের কর্মসূচি নয়; বরং জল, জীবিকা ও সবুজের সমন্বয়ে একটি পরিবেশবান্ধব, উৎপাদনমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সম্ভাবনাময় পদক্ষেপ।
জলপথ পুনরুদ্ধার ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির এই উদ্যোগের জাতীয় গুরুত্ব সুদূরপ্রসারী। আগামী ১৯ নভেম্বর লালমনিরহাটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আনুষ্ঠানিকভাবে মডেল খাল কর্মসূচির উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। এই উদ্যোগ কেবল খালের পলি অপসারণ বা পাড় সংরক্ষণের প্রচলিত কোনো প্রকল্পে সীমাবদ্ধ নয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ চারটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদ-নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের যে বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে, তারই একটি পরীক্ষামূলক ও আধুনিক রূপ এই মডেল খাল কর্মসূচি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এর আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় একাই ৭ হাজার কিলোমিটার জলপথ খননের দায়িত্ব পালন করবে। গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খননকাজ সম্পন্ন করার বিষয়টিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে মডেল খাল কর্মসূচির মূল দর্শন আরও ব্যাপক। এখানে উদ্দেশ্য শুধু পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করা নয়; বরং জলজ সম্পদকে কেন্দ্র করে মানুষের জীবিকা, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও পরিবেশগত সুরক্ষার সমন্বয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
প্রকল্পটির ভৌগোলিক বণ্টনও গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে তিনটি করে এবং রংপুর, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে দুটি করে খাল নির্বাচন করা হবে। প্রতিটি খালের গড় দৈর্ঘ্য তিন কিলোমিটার হিসাবে মোট প্রায় ৬০ কিলোমিটার খাল এই পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় আসবে।
খাল নির্বাচনের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও প্রযুক্তিনির্ভর যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জিপিএস স্থানাঙ্ক, জমির খতিয়ান, দখল পরিস্থিতি, পানিপ্রবাহ এবং কৃষি উৎপাদনে খালের উপযোগিতা যাচাই করে নির্বাচনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। অতীতে একই খালের পুনঃখনন দেখিয়ে অর্থ অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে আগে পুনঃখনন করা হয়েছে, এমন খাল যেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচিত না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে নতুন এলাকা ও প্রকৃতপক্ষে সমস্যাগ্রস্ত জলপথকে অগ্রাধিকার দেওয়া সম্ভব হবে। যথাযথ যাচাই, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে এ উদ্যোগ সরকারি অর্থের কার্যকর ব্যবহারেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
যেকোনো উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সাফল্য নির্ভর করে এর সুফল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানোর ওপর। ২০টি মডেল খাল কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রায় ২ হাজার ৪০০ অতিদরিদ্র পরিবারকে যুক্ত করার প্রাথমিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু সাময়িক কর্মসংস্থান বা মজুরিভিত্তিক কাজের সুযোগ সৃষ্টি নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদে পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করে তোলার একটি পরিকল্পিত উদ্যোগ।
অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতাভুক্ত পরিবার, নদীভাঙনে বসতভিটা হারানো মানুষ এবং প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছেন— এমন পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপকারভোগী নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচন করা গেলে মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ, অনিয়ম ও স্থানীয় পর্যায়ে স্বজনপ্রীতির ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
একই সঙ্গে প্রকল্প এলাকায় সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে অন্তত ৫০ শতাংশ নারী সদস্যের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। গ্রামীণ নারীদের উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত করার এই উদ্যোগ তাঁদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং পরিবারভিত্তিক দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পাশাপাশি খাসজমি ও সরকারি সম্পত্তির বেআইনি দখল রোধেও সতর্কতা জরুরি। এ ক্ষেত্রে কোনো উপকারভোগী বা সমবায়কে খাল, খালপাড়ের জমি কিংবা সরকারি অবকাঠামোর ওপর স্থায়ী মালিকানা না দিয়ে শর্তসাপেক্ষ ও হস্তান্তর-অযোগ্য ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে জনসম্পদ রক্ষা এবং প্রকল্পের সুফল সুষ্ঠুভাবে বণ্টনের সুযোগ তৈরি হবে।
মডেল খাল কর্মসূচির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর বহুমুখী ব্যবহার। একটি খালকে শুধু পানি নিষ্কাশনের পথ হিসেবে বিবেচনা না করে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, খাদ্য উৎপাদন ও গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ও স্থানীয় নিষ্কাশনব্যবস্থা অক্ষুণ্ন রেখে এলাকাভিত্তিক ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন অংশ নির্ধারণ করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, খালের একটি অংশ সাধারণ মানুষ ও গবাদিপশুর গোসল এবং গৃহস্থালির কাজে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি না করে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে মাছ ও হাঁস চাষ, নৌচলাচল, খালপাড়ের মাটির ক্ষয় রোধে উপযোগী জলসহিষ্ণু ও ফলজ গাছ লাগানো এবং খালের ঢালু অংশে মাচা পদ্ধতিতে মৌসুমি সবজি চাষের সুযোগ রাখা হবে।
এ ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে একই জলাশয়কে ঘিরে খাদ্য উৎপাদন, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, ফল ও কাঠের জোগান এবং আয়ের বহুমুখী সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তবে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে পানির গুণগত মান, জনস্বাস্থ্য, প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, খালের অর্থনৈতিক ব্যবহার তখনই দীর্ঘস্থায়ী হবে, যখন এর পরিবেশগত কার্যকারিতা অক্ষুণ্ন থাকবে।
এই কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় টেকসই পদ্ধতি অনুসরণের পরিকল্পনা। আলাদা কোনো বৃহৎ প্রকল্প কাঠামো তৈরি না করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসনের বিদ্যমান ব্যবস্থার সমন্বয়ে কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো তৈরির ব্যয় কমানো এবং বিদ্যমান জনবল ও সম্পদকে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।
প্রাথমিক বিনিয়োগের জন্য সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা ব্যয়ের যে প্রাক্কলন করা হয়েছে, তা স্থায়ী অনুদানের পরিবর্তে ঘূর্ণায়মান তহবিল হিসেবে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দুই বছর সরকার প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, বীজ, পোনা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোকে সংগঠিত করবে। পরবর্তী সময়ে সমবায়গুলো উৎপাদিত পণ্য বিক্রি থেকে অর্জিত আয় দিয়ে নিজেদের পরিচালন ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা অর্জন করবে—এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এই পদ্ধতি কার্যকর হলে সরকারি সহায়তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা কমবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বাবলম্বী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সমবায়গুলোর আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বাজারসংযোগ, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য এবং নিয়মিত হিসাব নিরীক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। শুধু প্রাথমিক সহায়তা দিলেই হবে না; উৎপাদিত পণ্য বিক্রির স্থায়ী বাজার তৈরি এবং উপকারভোগীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থাও থাকতে হবে।
উন্নয়ন পরিকল্পনা যতই সম্ভাবনাময় হোক না কেন, যথাযথ তদারকি ও মূল্যায়ন ছাড়া তার সাফল্য নিশ্চিত করা যায় না। এ ঝুঁকি এড়াতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তমন্ত্রণালয় স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। কমিটিটি কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি তদারক করবে।
আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো, পরীক্ষামূলকভাবে ১২ মাস কর্মসূচি বাস্তবায়নের পর স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ মূল্যায়নের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা। মূল্যায়নে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উপকারভোগীদের আয় বৃদ্ধি, পানিপ্রবাহের উন্নতি, জলাবদ্ধতা নিরসন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং খাল রক্ষণাবেক্ষণের কার্যকারিতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়া উচিত। এসব সূচকের ভিত্তিতে কর্মসূচির সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করা গেলে পরবর্তী সময়ে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত আরও বাস্তবসম্মত হবে।
এ ধরনের উদ্যোগের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণও অপরিহার্য। মানুষ যখন খাল থেকে জীবিকা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং এর সুফল সরাসরি ভোগ করবে, তখন খালকে অবৈধ দখল, আবর্জনা নিক্ষেপ ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের হাত থেকে রক্ষায় তাদের আগ্রহ বাড়বে। তবে এ জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, দখল প্রতিরোধ এবং স্থানীয় প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে।
প্রকৃতি ও মানবজীবন যখন পরস্পরের পরিপূরক হয়ে ওঠে, তখনই টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ২০টি মডেল খাল গড়ে তোলার উদ্যোগ সেই সম্ভাবনারই প্রতিফলন। পরিবেশ সংরক্ষণ ও দারিদ্র্য বিমোচন যে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত, এ কর্মসূচি তা বাস্তবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে।
খাল পুনঃখননের মাধ্যমে একদিকে গ্রামীণ জলাশয়গুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হতে পারে; অন্যদিকে একই খালকে কেন্দ্র করে অতিদরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পথ তৈরি হতে পারে। তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং উপকারভোগীদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
জল, জীবিকা ও সবুজের এই সমন্বিত উদ্যোগ সফল হলে তা কেবল খাল পুনরুদ্ধারের একটি কর্মসূচি হয়ে থাকবে না; বরং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের একটি কার্যকর মডেল হয়ে উঠতে পারে। লালমনিরহাট থেকে শুরু হতে যাওয়া এই উদ্যোগ যথাযথ পরিকল্পনা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ুক— এটাই প্রত্যাশা। মহান আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদের সহায় হোন।
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক, আমার দিন।
ই-মেইল: ahabibhme@gmail.com
