বোলিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল দারুণ। ২৪ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছিল তাওহীদ হৃদয়রা। কিন্তু ব্রেন্ডন টেলর-ক্রেইগ আরভিন জুটিতে দারুণভাবেই ঘুরে দাঁড়ায় আফ্রিকানরা। ম্যাচটা তারা জিতেছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে।
শুরুর বিপর্যয় সামলে চতুর্থ উইকেটে ১৫০ রান এনে দেন টেলর ও আরভিন। তাঁদের এই জুটিতে দাঁড়িয়ে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় জিম্বাবুয়ে। টেলর ৮১ ও আরভিন করেন ৯৩ রান। তাসকিন আহমেদের মতে, এই জুটিতেই ম্যাচ বের করে নিয়েছে জিম্বাবুয়ে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন বলেন, ‘ম্যাচ হারলে একজন খেলোয়াড় দলের জন্য সেটাই সবচেয়ে বড় হতাশার। আসলে যতই ৩ উইকেট বা ৫ উইকেট পাই, ম্যাচ না জিতলে কখনোই সেটা লাভ হয় না। শুরুটা খুব দারুণ হয়েছিল। এটাও ঠিক যে উইকেটটা বেশ ভালো ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য। কিন্তু ওদের মাঝখানে যে বড় একটা জুটি হলো। তো আসলে ওই শুরুর সাফল্যের পরে মাঝখানে আসলে একটু লম্বা জুটি হয়ে যাওয়ায় ওরা অনেকটা এগিয়ে যায়। সেই জুটি ভাঙার পরও আমার মনে হয় একটা মোটামুটি রানে আটকানো সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পরে আর জেতা হলো না।’
রান তাড়া করতে নেমে ভালো শুরুর পরও ব্যাটিং ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। এক তামিম ছাড়া আর কেউ বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। নিউম্যান নিয়াম্বুরির বলে রায়ান বার্লের হাতে ধরা পড়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ওপেনার। সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান।
জিম্বাবুয়ের দেওয়া এই লক্ষ্য তাড়া করে জিততে না পারায় হতাশ তাসকিন। তিনি বলেন, ‘মিরাজের জ্বর ছিল। ও খেলেনি। ও আমাদের ওয়ানডে দলের অন্যতম প্রধান একজন খেলোয়াড়। কিন্তু বাকিরাও যারা খেলেছেন, তারাও কিন্তু যথেষ্ট সক্ষম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আসলে আজকে হয়নি। এই উইকেটটা কিন্তু আপনারা কয়দিন আগে দেখেছিলেন। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের সঙ্গে টেস্ট ড্র হয়েছে, পঞ্চম দিন পর্যন্ত অনেক লম্বা সময় খেলা হয়েছিল। কিন্তু এই উইকেটটা আসলেই রান হওয়ার মতোই, জুটি চাইলেই করা যেতে পারত এবং ওরা সেটা করেও দেখিয়েছে কিন্তু।’
