জামায়াতের এমপিদের অধিকাংশই কখনো রাজপথে ছিলো না। তারা মূলত এমপি হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আর্শীবাদে এবং ওয়েলফেয়ার মেকানিজমের থিওরি অনুসরণ করে। যেকারণে রাজপথের বক্তব্যে তারা একদমই অভ্যস্ত না। আর রাজপথের বক্তব্যের অনভ্যস্ততা কারণে সংসদে কিংবা রাজপথে বিরোধীদলের নেতা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তারা প্রায়ই খেই হারিয়ে ফেলছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান।
বিশেষ করে সরকার সম্বন্ধে জামায়াতের আমিরের আউল ফাউল বক্তব্যে মানুষ হাসিতামাশা করছে। গণঅভ্যুত্থানের পরে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারি দল ও বিরোধীদলের মধ্যে যে সমন্বয় থাকা দরকার ছিলো, জামায়াত সেটি মোটেও ধারণ করতে পারছে না। ফ্যাসিবাদের আমলে আমরা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছি, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতও প্রায় একই ভাষায় কথা বলছে।
আমার ধারণা, বিরোধীদল হিসেবে আওয়ামী জামানার বিরোধীদলীয় নেতাদের বক্তব্য অনুসরণ করতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছে জামায়াত নেতারা! শক্তিশালী বিরোধীদল সাজতে গিয়ে ' পালিয়ে যাবে, লুঙ্গি থাকবে না, হেলিকপ্টার রেডি করে রাখুন, আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে ইত্যাদি কথাবার্তা বলে নিজেদের হাসির পাত্র না বানানোর অনুরোধ রইলো। বরং বিএনপি সরকার ক্ষমতায় না থাকলে আপনাদেরকে শকুনের মত ঠুকরে ঠুকরে ছিঁড়ে খাবে আওয়ামীলীগ।
