ত্রিদেশীয় সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪২৯ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করানো ইংল্যান্ড ২৪১ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তানের বিপক্ষে। ত্রিদেশীয় সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ভুগিয়েছে ইংল্যান্ডকে। বেন ডাকেট একাই লড়ে সেঞ্চুরি করলেও দলের রান শক্ত অবস্থানে পৌঁছায়নি।
আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপর প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই স্বাগতিকরা তুলে নেয় ইংল্যান্ডের ৪ উইকেট। ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ উইকেটও তিনিই নিয়ে বল হাতে নেতৃত্ব দেন দলকে।
সেই ৪ উইকেটের দুটিই তুলে নেন আফ্রিদি। টম ব্যান্টন ও জো রুট ৪ ও ৫ রান করে তার শিকার হন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি করা হ্যারি ব্রুক ৭ বলে ১ রান করে রানআউট হন। হারিস রউফের বলে আউট হওয়ার আগে ৬ রান করেন জর্ডান কক্স। ৯.১ ওভারেই ৫২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ইংলিশরা।
একা লড়ে যাওয়া বেন ডাকেটকে সঙ্গ দিয়ে ৯৩ রানের জুটি গড়েন স্যাম কারান। তবে আবারও আঘাত হানেন শাহিদ আফ্রিদি। ৪২ রান করা কারানকে ফিরিয়ে ভাঙেন জুটি ১৫২ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় সফরকারীরা। এই জুটিতে অর্ধশতকের দেখা পাওয়া ডাকেট আবারও একা হয়ে যান কারানের বিদায়ে। অপেক্ষায় ছিলেন নিজের শতক আদায়ের। পরিকল্পনা করেছিলেন শতকের পর পাকিস্তানের বোলারদের ওপর চড়াও হবেন। কিন্তু শতকের পর নিজেই টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ১১১ বলে ১০৫ রান করে তিনি আউট হন। ১০ চার ও দুই ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। তার আগে উইল জ্যাকস ফেরেন ১৩ রান করে।
৫ রান করে আউট হন লিয়াম ডসন। ৮ উইকেট হারানো ইংল্যান্ড নবম উইকেট হারায় ১০ রান করা জেমি ওভারটনের বিদায়ে ২০১ রানে। শেষ উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ ২৪১ রানে নেন গাস অ্যাটকিনসন ও হেনরি ক্রোকম্ব। শেষ উইকেট হিসেবে ৮ রান করে আউট হন ক্রোকম্ব শাহিনের চতুর্থ শিকার হয়ে। ৩৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন অ্যাটকিনসন।পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন অধিনায়ক শাহি শাহ আফ্রিদি। দুটি করে নেন রাজাউল্লাহ ও আরাফাত মিনহাস। এবং এক উইকেট পেয়েছেন হারিস রউফ।
