শিশুদের শিক্ষাদানের জন্য অভিনব উপায় খুঁজে বের করলেন বৃদ্ধা শিক্ষিকা। ব্ল্যাকবোর্ডের বদলে বালি, আর চকের বদলে কাঠি ব্যবহার করলেন তিনি! কেরলমের এই ঘটনাটির একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
‘মম অফ সাফাচি’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল ব্যবহারকারী এক তরুণী ওই বৃদ্ধা শিক্ষিকার ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ‘আশাত্তি আম্মুম্মা’ নামে পরিচিত ওই বৃদ্ধা কয়েক জন শিশুকে খোলা আকাশের নীচে পড়াচ্ছেন। বৃদ্ধা বালিতে ভরা একটি বালতি নিয়ে বসে আছেন। তাঁর সামনে সারিবদ্ধ ভাবে বসে শিশুরা। প্রথমে তিনি মাটিতে বালি ছড়িয়ে দেন, যা শিশুরা কৌতূহল নিয়ে দেখছিল। এর পর একটি কাঠি দিয়ে তিনি বালিটিকে সমান ভাবে ছড়িয়ে একটি টুলের উপর গিয়ে বসেন। বালির পৃষ্ঠতল প্রস্তুত হয়ে গেলে, তিনি কাঠি দিয়েই বালিতে বর্ণমালার অক্ষরগুলি লিখতে শুরু করেন। পাশাপাশি, ওই একই অক্ষরগুলি টানা হাতে কী ভাবে লিখতে হয়, তা-ও দেখিয়ে দেন শিশুদের। শিশুরাও তাঁর শেখানো অক্ষরগুলি অনুকরণ করে নিজেদের আঙুল দিয়ে বালির উপর সেই অক্ষরগুলি লিখতে শুরু করে। এমন করেই খাতা-পেন বা ব্ল্যাকবোর্ড-চকের বদলে কেবল বালি আর কাঠি দিয়ে বাচ্চাদের শিখিয়ে চলেন ওই বৃদ্ধা। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
পোস্টের ক্যাপশনে ওই বৃদ্ধার প্রশংসা করা হয়েছে। ভিডিয়োটি প্রমাণ করেছে যে সামান্য বুদ্ধি খাটালে দৈনন্দিন ব্যবহারের সাধারণ জিনিসগুলিকেও শিক্ষার কার্যকর উপকরণে রূপান্তরিত করা সম্ভব। দর্শকদের কাছ থেকে অসংখ্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে ভিডিয়োটি। এক জন ব্যবহারকারী বৃদ্ধার চেহারার প্রশংসা করে মন্তব্য করেছেন, এই বয়সেও তাঁকে দারুণ দেখাচ্ছে। অন্য এক জন মন্তব্য করেছেন, শিক্ষার জন্য সব সময় অর্থের প্রয়োজন হয় না। এ ভাবে কাগজের ব্যবহারও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
