কালবেলা · সাধারণ
সড়ক নয় যেন মরণ ফাঁদ!
২৪/১০/২০২৬

নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার বগাদিয়া-কালিকাপুর পালপাড়া ১০ কিলোমিটারের সড়ক এখন জনসাধারণের জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় প্রতিদিন দুর্ঘটনায় পড়ছে পথচারীরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে হাজারও মানুষ ও যানবাহন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোনাইমুড়ী উপজেলার বগাদিয়া-কালিকাপুর বাজার-পশ্চিম দৌলতপুর বারুল, পালপাড়া ও আমিশাপাড়া ৪ ইউনিয়ন থেকে উপজেলা যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। সড়কটি দীর্ঘ কয়েক বছর সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। আসা-যাওয়া পরিবহনসহ যাত্রী সাধারণের ভাড়া গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ, বর্তমানে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পাঁচ ইউনিয়নের জনসাধারণ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
দীর্ঘদিন থেকে এলাকাবাসীর দাবীর মুখে জনপ্রতিনিধিদের বারবার প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরও দীর্ঘদিন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সড়কটিতে। বর্ষার পানিতে ডুবে থাকায় রাস্তায় বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অসংখ্য জায়গা ভেঙে পড়াসহ সড়কের পাশের মাটি সরে গেছে, তাই যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির কাজ না হওয়ায় বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে ভেঙে এত বেশি পরিমাণ গর্ত সৃষ্টি হয়েছে যে, গাড়ি চলাচল করতে নানাধরণের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষকে উপজেলা ও জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করা লাগছে। এ রাস্তা দিয়ে বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, অসুস্থ ও বয়স্ক লোকজনের যাতায়াত অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রবাসী আশিকুর রহমান নামে একজন জানান, দেশ ডিজিটাল হয়েছে কিন্তু আমাদের এই রাস্তা এখনো ডিজিটাল হয় নাই। আমি দীর্ঘ ১০ বছর প্রবাসে জীবন যাপন করছি, ১০ বছর আগে যা দেখেছি রাস্তার অবস্থা এখনো দেশে আসার পর তাই দেখছি। আমি সরকারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অনুরোধ করব এ সড়কটি যত দ্রুত সম্ভব সংস্কার করে ৪-৫টি ইউনিয়নের জনসাধারণকে ভোগান্তি ও বিপথগামী রাস্তা থেকে উদ্ধার করার জন্য।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী উপজেলা এলজিআরডি প্রকৌশলী সাজ্জাদুল ইসলাম জানান, সড়কটি সম্পর্কে আমরা অবগত। যত দ্রুত সম্ভব আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা করব।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗