বাংলাদেশি পেশাদার হিসাববিদদের প্রবাসে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব। একজন পেশাদার হিসাববিদ (CA, CMA (Including full/part qualified) সাধারণ শ্রমিকের চেয়ে বহুগুণ বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে সক্ষম, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ব্র্যান্ড ইমেজ বৃদ্ধি করে।
নিচে বিষয়টির বিস্তারিত বিশ্লেষণ, রেমিট্যান্সের প্রভাব, বিশ্ববাজারে তাদের ভবিষ্যৎ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপায়সমূহ মানসম্মত ২০টি পয়েন্টে উপস্থাপন করা হলো:
১. রেমিট্যান্স ও অর্থনৈতিক প্রভাব (পয়েন্ট ১ – ৫)
1. উচ্চ বেতন কাঠামো ও বিপুল রেমিট্যান্স প্রবাহ:
প্রবাসে সাধারণ শ্রমিকের গড় মাসিক আয় $৩০০ – $৫০০ হলেও একজন পেশাদার হিসাববিদ শুরুর দিকেই $৪,০০০ – $৮,০০০ এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে $১০,০০০ – $১৫,০০০+ আয় করেন।
যুক্তরাজ্য বা দুবাইয়ে ১ জন সিনিয়র অডিটর/ফাইন্যান্স ম্যানেজার বছরে $৫০,০০০ – $৭০,০০০ (প্রায় ৬০ – ৮৫ লাখ টাকা) রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন, যা ১৫-২০ জন সাধারণ শ্রমিকের মোট রেমিট্যান্সের সমান।
2. ১০০% বৈধ ও ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ আগমন:
পেশাদার হিসাববিদরা প্রবাসে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বেতন পান। ফলে তারা কোনো হুন্ডি বা অবৈধ মাধ্যম ছাড়া শতভাগ বৈধ উপায়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠান।
3.উচ্চ সঞ্চয় হার (High Saving Capacity):
পেশাদারদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর পরও আয়ের একটি বড় অংশ (৬০% - ৭০%) সঞ্চয় হিসেবে থাকে, যা সরাসরি দেশে বিনিয়োগ বা রেমিট্যান্স হিসেবে পাঠানো যায়।
4.জাতীয় বন্ড ও বৈদেশিক মুদ্রা অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগ:
পেশাদার প্রবাসীরা বাংলাদেশে 'NFCD Account' বা 'Wage Earners' Bond'-এ বড় অঙ্কের অর্থ জমা রাখেন, যা ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট দূর করতে সাহায্য করে।
5.স্টার্টআপ ও পুঁজিবাজারে ইনভেস্টমেন্ট:
বিদেশে অর্জিত মূলধন দিয়ে প্রবাসীরা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় টেক-স্টার্টআপ, রিয়েল এস্টেট এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বা 'Angel Investor' হিসেবে ভূমিকা রাখেন।
২. বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সুনাম ও নতুনদের কর্মসংস্থান (পয়েন্ট ৬ – ১০)
6.'ব্র্যান্ড বাংলাদেশ' এবং কর্পোরেট আস্থার বিকাশ:
Big 4 Firm (PwC, EY, Deloitte, KPMG) বা গ্লোবাল বহুজাতিক কোম্পানিতে বাংলাদেশী হিসাববিদদের দক্ষতা দেখে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশী মেধাবীদের বিশ্বস্ততা বৃদ্ধি পায়।
7.ডমিনো ইফেক্ট (Domino Effect): একের পর এক চাকরি সৃষ্টি:
একজন বাংলাদেশী হিসাববিদ বিদেশে CFO বা Finance Director হলে, তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানে অন্যান্য পদে (যেমন: Junior Accountant, IT Support, Data Analyst) বাংলাদেশীদের অগ্রাধিকার দেন।
8.হোয়াইট-কলার (White-Collar) কর্মসংস্থানের দুয়ার উন্মোচন:
এতদিন বাংলাদেশ থেকে শুধু ব্লু-কলার (শ্রমজীবী) কর্মী বেশি গেলেও, হিসাববিদদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী গ্র্যাজুয়েটদের উচ্চমানের প্রফেশনাল চাকরির পথ সুগম হয়।
9.আন্তর্জাতিক মিউচুয়াল রিকগনিশন (MRA) জোরদার:
ICAB ও ICMAB-এর সাথে ICAEW (UK), CA ANZ (Australia) বা CPA Australia-র চুক্তির সুবাদে বাংলাদেশী সিএ ডিগ্রিধারীরা সরাসরি বিশ্বজুড়ে প্র্যাকটিস করার আইনি স্বীকৃতি পাচ্ছেন।
10.কূটনৈতিক ও নীতিগত প্রভাব বৃদ্ধি:
আন্তর্জাতিক ফাইন্যান্সিয়াল বডি ও পলিসি মেকিং কমিটিতে বাংলাদেশীদের উপস্থিতি বিশ্বমঞ্চে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করে।
৩. বিশ্ববাজারে পেশাদারদের ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা (পয়েন্ট ১১ – ১৫)
11.গ্লোবাল ট্যালেন্ট শর্টেজ (Talent Shortage):
ইউকে, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং জিসিসি (GCC) ভুক্ত দেশগুলোতে অভিজ্ঞ অডিটর ও ট্যাক্স স্পেশালিস্টের তীব্র সংকট রয়েছে, যা বাংলাদেশী হিসাববিদদের জন্য বড় সুযোগ।
12.বিগ ডেটা ও ফিনটেক (FinTech) স্পেশালাইজেশন:
oPower BI, Python, SQL ও ERP (SAP/Oracle) জানা আধুনিক বাংলাদেশী হিসাববিদরা গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল অ্যানালিটিক্স মার্কেটে দ্রুত নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
13.ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্স ও ট্রান্সফার প্রাইসিং:
গ্লোবাল ট্যাক্স আইন কঠোর হওয়ায় বিশ্বজুড়ে কাস্টমস ও ট্যাক্সেশন কনসালট্যান্টদের চাহিদা এবং সম্মান বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
14.সহজ স্থায়ী বাসস্থান (PR) ও নাগরিকত্ব:
কানাডা (Express Entry - NOC 11100) ও অস্ট্রেলিয়ায় (Skilled Independent Visa 189) একাউন্টিং 'Shortage Occupation List'-এ থাকায় প্রফেশনালরা দ্রুত স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পান।
15.স্থায়িত্ব ও সংকট নিরসন ক্ষমতা (Crisis Resilience):
oবৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা বা কস্ট-কাটিংয়ের সময়ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হিসাববিদদের ছাঁটাই করা হয় না; বরং তাদের চাহিদা বাড়ে।
৪. আধুনিক বৈশ্বিক রূপান্তর ও সুদূরপ্রসারী সুফল (পয়েন্ট ১৬ – ২০)
16.ইএসজি ও গ্রিন একাউন্টিং (ESG & Sustainability):
কার্বন ট্যাক্স ও পরিবেশগত অডিটের জন্য বিশ্বজুড়ে 'Sustainability Auditor' হিসেবে নতুন ধরনের হাই-পেইং ক্যারিয়ারের সৃষ্টি হয়েছে।
17.ফরেনসিক একাউন্টিং ও ফ্রড প্রিভেনশন:
সাইবার ক্রাইম ও মানি লন্ডারিং রোধে আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোতে ফরেনসিক একাউন্ট্যান্টদের চাহিদা ও বেতন সবচেয়ে বেশি।
18.অফশোরিং ও বিপিও (BPO) খাতের প্রসার:
oবিদেশে না গিয়েও বাংলাদেশে বসে UK/USA-র কোম্পানির হিসাব পরিচালনা করে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বা সার্ভিস এক্সপোর্ট করা সম্ভব হচ্ছে।
19.নলেজ ট্রান্সফার (Knowledge Transfer):
প্রবাস ফেরত প্রফেশনালরা বিদেশের আধুনিক করপোরেট কালচার ও ফাইনান্সিয়াল প্র্যাকটিস দেশীয় প্রতিষ্ঠানে প্রয়োগ করে অর্থনীতিকে আধুনিকায়ন করেন।
20.নারী হিসাববিদদের বৈশ্বিক ক্ষমতায়ন:
আন্তর্জাতিক কর্পোরেট বৈচিত্র্য নীতি (Diversity & Inclusion)-র কারণে প্রবাসে বাংলাদেশী নারী হিসাববিদদের জন্য নিরাপদ ও আকর্ষণীয় ক্যারিয়ারের দুয়ার উন্মুক্ত হচ্ছে।
বাংলাদেশী পেশাদার হিসাববিদদের (CA, CMA (including full/part qualified ইত্যাদি) প্রবাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি, সুদূরপ্রসারী এবং বহুমুখী লাভ রয়েছে।
সরকারের প্রধান লাভসমূহ নিচে বিস্তৃতভাবে উপস্থাপন করা হলো:
১. বাংলাদেশ সরকারের মূল লাভসমূহ (Key Benefits for Bangladesh Government)
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ (Gross Reserves Growth):
oপেশাদার হিসাববিদদের উচ্চ বেতনের দরুন বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সরাসরি সরকারের রিজার্ভে জমা হয়।
oতাঁরা শতভাগ বৈধ ও ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠান, যা হুন্ডি বা অবৈধ পথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেশের রিজার্ভকে সংকটমুক্ত রাখে।
সামগ্রিক রেমিট্যান্সের গুণগত ও অর্থনৈতিক রূপান্তর (Quality Remittance):
oএকজন সাধারণ কর্মীর প্রেরিত অর্থ মূলত জীবনধারণে ব্যয় হয়। কিন্তু পেশাদারদের রেমিট্যান্সের বড় অংশ ব্যাংক আমানত, বন্ড ও প্রজেক্টে জমা হয়, যা সরকারকে সরকারি ঋণ ও বাজেট বাস্তবায়নে তারল্য যোগায়।
ট্যাক্স ও রাজস্ব বৃদ্ধি (Tax & Treasury Revenue):
প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সে ব্যাংকগুলোর ফি বা আয় বাড়ে, ব্যাংক খাতের সার্বিক মুনাফা বাড়ে এবং সরকার কর হিসেবে রাজস্ব পায়।
প্রবাসীরা দেশে জমি/অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বা সঞ্চয়পত্র/বন্ড কিনলে রেজিস্ট্রেশন ফি, ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স ও ট্যাক্স ডিডাকশন অ্যাট সোর্স (TDS) থেকে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব আসে।
'ব্র্যান্ড বাংলাদেশ' এবং ডিপ্লোম্যাটিক ইমেজ বৃদ্ধি (Diplomatic Leverage & Branding):
oবিশ্বমঞ্চে ও আন্তর্জাতিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে (যেমন: Big 4, IMF, World Bank, Multinational Corporations) বাংলাদেশী পেশাদারদের উপস্থিতি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তৈরি করে।
সরকার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO), IMF বা অডিট বডিগুলোর সাথে দরকষাকষি বা দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে সুবিধাজনক স্থানে থাকে।
বেকারত্ব হ্রাস ও আন্তর্জাতিক হোয়াইট-কলার কর্মসংস্থান (White-Collar Employment):
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত উচ্চ মেধার সঠিক ব্যবহার হয় এবং দেশে উচ্চশিক্ষিতদের বেকারত্বের চাপ কমে।
বিদেশে শীর্ষ পদে অবস্থানরত বাংলাদেশী হিসাববিদরা তাদের প্রতিষ্ঠানে আরও হাজার হাজার বাংলাদেশী দক্ষ কর্মীদের কর্মসংস্থান তৈরি করে দেন, যা সরকারের ওপর কর্মসংস্থান তৈরির চাপ কমায়।
বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নলেজ ট্রান্সফার (Knowledge & FDI Attraction):
প্রবাসে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশী কর্পোরেট লিডাররা বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে কারখানা বা ব্যাক-অফিস সার্ভিস সেন্টার (BPO Center) স্থাপন করতে উৎসাহিত করেন, যা সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) বৃদ্ধি করে।
বাংলাদেশী পেশাদার হিসাববিদদের (CA, CMA (including full/part qualified ইত্যাদি) প্রবাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং এর মাধ্যমে বিপুল রেমিট্যান্স অর্জন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের জন্য করণীয় পদক্ষেপগুলো নিচে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হলো:
১. বাংলাদেশ সরকারের মূল করণীয়সমূহ (Key Policy Actions for the Government)
ক) প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সহযোগিতা (Policy & Institutional Support)
1.আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পারস্পরিক স্বীকৃতি (MRA) জোরদারকরণ:
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউএই (UAE) ও জিসিসি (GCC) ভুক্ত দেশগুলোর সাথে কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করা, যাতে বাংলাদেশের CA ও CMA ডিগ্রি সরাসরি স্বীকৃতি পায়।
2.বিশেষ প্রফেশনাল ইমিগ্রেশন সেল গঠন:
বিএমইটি (BMET) ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সাধারণ শ্রমিকের পাশাপাশি "প্রফেশনাল স্কিলড মাইগ্রেশন" নামে পৃথক ডেস্ক গঠন করা, যা পেশাদার হিসাববিদদের বিদেশে নিয়োগে সরাসরি সহায়তা করবে।
3.দূতাবাসগুলোতে প্রফেশনাল উইং চালু:
বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক হাবগুলোতে (লন্ডন, দুবাই, টরন্টো, সিডনি, রিয়াদ) বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার উইং-কে আধুনিকায়ন করে উচ্চপদস্থ কর্পোরেট চাকরির তথ্য ও লিংকেজ তৈরির জন্য বিশেষ উইং চালু করা।
খ) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি (Skill Development & Automation)
4.বিগ ডেটা ও অটোমেশন ট্রেনিংয়ে সরকারি অনুদান:
প্রফেশনাল অ্যাকাউন্ট্যান্টরা যাতে বিশ্বমানের এআই (AI), স্যাপ (SAP), ওরাকল (Oracle), পাওয়ার বিআই (Power BI) ও ফিনটেক (FinTech) প্রযুক্তিতে পারদর্শী হতে পারেন, সে জন্য আইসিটি বিভাগ থেকে বিশেষ স্কলারশিপ ও অনুদান দেওয়া।
5.ইংরেজি ভাষা ও কর্পোরেট কমিউনিকেশন স্কিল:
আন্তর্জাতিক করপোরেট সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নিতে পেশাদার হিসাববিদদের জন্য উচ্চমানের ব্যবসায়িক ভাষা ও যোগাযোগের বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা।
গ) প্রণোদনা ও ব্যাংকিং সুবিধা (Incentives & Financial Policy)
6.বিশেষ রেমিট্যান্স প্রণোদনা ও মর্যাদা প্রদান:
বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে উচ্চ রেমিট্যান্স পাঠানো পেশাদার হিসাববিদদের CIP (Commercially Important Person) মর্যাদা, বিশেষ ট্যাক্স সুবিধা এবং বিমানবন্দরে বিশেষ প্রোটোকল সার্ভিস প্রদান করা।
7.সহজ প্রফেশনাল মাইগ্রেশন ঋণ:
বিদেশে উচ্চপদে যোগদানের সময় প্রাথমিক সেটেলমেন্ট এবং প্রসেসিং ফি মেটানোর জন্য রাষ্ট্রীয় ব্যাংক বা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে "প্রফেশনাল মাইগ্রেশন লোন" দেওয়া।
ঘ) গ্লোবাল বিপিও ও অফশোরিং খাতের প্রসার (Local Remote Working)
8.অফশোর একাউন্টিং বিপিও (BPO) পার্ক তৈরি:
যারা দেশে বসেই বিদেশি কোম্পানির অডিট ও হিসাবের কাজ করছেন (Remote Accounting Jobs), তাদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সহজে দেশে আনার পথ সুগম করা এবং বিপিও প্রতিষ্ঠানে ট্যাক্স ফ্রি সুবিধা বহাল রাখা।
