ডুমস্ক্রলিং তো এখন অনেকেরই রোগ। ফোনে একটার পর একটা পোস্ট আসছে, ভিডিও আসছে, স্ক্রল করেই যাচ্ছি। কখন যে আধা ঘণ্টা পেরিয়ে গেল, টেরই পেলাম না। অথচ এ সময়ে কত কিছুই না করা যেত! বই পড়া, ছবি আঁকা, নতুন কোনো রান্না শেখা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে খেলা যেত।
লেখক অ্যানমেরি কন্তে পরিবারের সঙ্গে এক মাসের বেশি সময় ধরে ফোনের ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল আসক্তি কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, কখন ও কীভাবে ফোন ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া। এ অভিজ্ঞতায় তিনি বুঝতে পারেন, ফোন নামিয়ে রাখলে দিনের মধ্যে ছোট ছোট অনেক অবসর পাওয়া যায়। কিন্তু সময়টা কীভাবে কাটানো যায়, তা নতুন করে শিখতে হয়।
তাই একঘেয়েমি কাটাতে ফোনের দিকে হাত বাড়ানোর বদলে কী কী করা যায়, তার একটি তালিকা তৈরি করেছেন অ্যানমেরি কন্তে ও তাঁর সহকর্মীরা। এটি প্রকাশিত হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমসে। তালিকায় আছে মজার, সৃজনশীল, বুদ্ধি খাটানোর মতো কাজ। এমনকি একটু অদ্ভুত কিছু কাজও আছে এ তালিকায়। তালিকায় ১১৮টি কাজ আছে। সামান্য পরিমার্জন করা তালিকাটি থাকল কিশোর আলোর পাঠকের জন্য। চলো, দেখে নেওয়া যাক।

পড়াশোনা ও সৃজনশীল কাজ
১. একটি বই পড়ো।
২. নিজেই একটি বই লিখে ফেলো।
৩. কোনো শিল্পকর্মের দিকে তাকিয়ে সময় কাটাও।
৪. নিজের হাতে ছবি আঁকো। জলরং, রঙিন পেনসিল কিংবা কাগজের টুকরা দিয়ে কোলাজ বানাতে পারো। চাইলে প্রকৃতির উপকরণ দিয়েও শিল্পকর্ম তৈরি করতে পারো।
৫. নিজের পছন্দের কিছু রান্না করো বা কেক বানাও। টমেটোর সস তৈরি করতে পারো কিংবা তৈরি করতে পারো চকলেট ব্রাউনি।
৬. ঘরে নিজেই পাস্তা বানিয়ে দেখো।
৭. আইসক্রিম বানাও। এরপর নিজের উদ্ভাবিত নতুন কোনো স্বাদের আইসক্রিম তৈরি করো।
৮. আগে কখনো চেষ্টা করোনি, এমন কোনো রান্নার রেসিপি খুঁজে বের করো।
৯. নতুন কোনো রেস্তোরাঁ সম্পর্কে খোঁজ নাও। এরপর পরিকল্পনা করো, কয়েকটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে প্রতিটিতে একটি খাবার খাবে।
১০. মুদিদোকানে গিয়ে এমন একটি খাবার খুঁজে বের করো, যা আগে কখনো খাওনি।

খেলাধুলা ও ধাঁধা
১১. একা খেলা যায়, এমন কোনো বোর্ড গেম খেলো।
১২. উঠানে বা খোলা জায়গায় খেলার মতো কোনো খেলা খেলো।
১৩. আরাম করে বসে কোনো ভিডিও গেম খেলো।
১৪. বন্ধুদের নিয়ে বোর্ড গেম বা তাস খেলো।
১৫. রহস্য সমাধান করতে হয়, এমন কোনো বাক্সভিত্তিক খেলার আয়োজন করো। এরপর অন্য কাউকে এমন খেলায় সঙ্গে নাও।
১৬. বন্ধুদের নিয়ে গেম নাইটের পরিকল্পনা করো। নিজেকে গেমপ্রেমী মনে না হলেও একবার চেষ্টা করে দেখতে পারো।
১৭. একটি জিগস পাজল মেলাও।
১৮. পাজল মেলানো হয়ে গেলে সেটি সাজিয়ে রাখো।
১৯. বন্ধুদের নিয়ে পাজল মেলানোর আসর বসাও।
পোষা প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটাও
২০. কুকুর বা বিড়াল নিয়ে হাঁটতে বের হও।
২১. পোষা প্রাণীর শরীর পরিষ্কার করো ও যত্ন নাও।
২২. কুকুরকে নতুন কোনো কৌশল শেখাও। যেমন ‘বসো’ বলে বসতে শেখানো। বাসায় কুকুর না থাকলেও আশপাশেই কুকুরের দেখা পাবে।
২৩. কুকুরকে ঘুমাতে দেখো।
২৪. এমন কোনো কুকুর খুঁজে বের করো, যে সব সময় মানুষের আদর ও মনোযোগ চায়।
২৫. হাঁটতে বের হও। উদ্দেশ্য, কোথায় কোথায় বিড়াল আছে, খুঁজে দেখা।
২৬. বিড়ালকে অদ্ভুত কোনো জায়গায় ঘুমাতে দেখো। যেমন নরম বিছানা ছেড়ে শক্ত বা অস্বস্তিকর জায়গায়।
২৭. বিড়ালকে কোনো কৌশল শেখানোর চেষ্টা করো। তবে এতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যেতে পারে!
শরীরচর্চা ও বাইরে ঘোরাঘুরি
২৮. একটু হাঁটতে বের হও।
২৯. দৌড়াতে বের হও।
৩০. কিছুক্ষণ হাঁটো, কিছুক্ষণ দৌড়াও।
৩১. সাইকেল চালাও। প্রয়োজন হলে আগে সাইকেলের যত্ন নাও। চেইনে তেল দাও, টায়ারে বাতাস ভরো।
৩২. যোগব্যায়াম করো।
৩৩. টেনিস, লাটিম, মার্বেলের মতো কোনো খেলা খেলো।
৩৪. শরীর ও মনের ভারসাম্য বাড়ানোর অনুশীলন করো।
৩৫. পায়ের আঙুলগুলো আরও সহজে নাড়াচাড়া করার ব্যায়াম করো।
৩৬. যতক্ষণ পারো প্ল্যাঙ্ক করে থাকো। প্ল্যাঙ্ক হলো শরীরের কেন্দ্রীয় অংশ, মানে পেট, কোমর ও পিঠের পেশি শক্ত ও মজবুত রাখার একটি জনপ্রিয় ব্যায়াম। না চিনলে খুঁজে দেখো। প্রথম দিন মাত্র এক সেকেন্ড পারলেও সমস্যা নেই। অনুশীলন করলে সময় বাড়বে।
৩৭. অন্যের সঙ্গে প্ল্যাঙ্ক করার প্রতিযোগিতা করো।
ঘর গোছানো ও প্রয়োজনীয় কাজ
৩৮. ঘরদোর ভালোভাবে পরিষ্কার করো।
৩৯. ওষুধ রাখার বাক্স বা আলমারি গুছিয়ে ফেলো।
৪০. ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস রাখার ড্রয়ার খালি করো। এরপর সেখানে সত্যিই কাজে লাগে, এমন জিনিস রাখো।
৪১. ঘরের ভেতরের গাছের পাতা থেকে ধুলা পরিষ্কার করো।
৪২. অপ্রয়োজনীয় চিঠিপত্র ও কাগজপত্র কুচি কুচি করে কেটে ফেলো।
৪৩. ধীরে ধীরে অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ঘর হালকা করে ফেলো। পুরোনো খাতাপত্র একদিন কাগজওয়ালাকে ডেকে বিক্রি করে দিতে পারো।
৪৪. অনেক দিন ধরে ফেলে রেখেছ, এমন কোনো সারাইয়ের কাজ নিজেই করে ফেলো। যেমন পুরোনো বেসিন পাইপ বদলানো বা নষ্ট হয়ে যাওয়া কমোডের সিট পাল্টানো।
৪৫. ব্যাটারিচালিত সব যন্ত্রে চার্জ আছে কি না, দেখো। না থাকলে চার্জ দাও। ঘড়ির ব্যাটারিতে চার্জ না থাকলে ব্যাটারি বদলে ফেলো।
৪৬. রান্নাঘরের ছুরিগুলো ধার দেওয়ার দোকান বা হকারের কাছে নিয়ে গিয়ে ধার দাও। সাবধানে।
৪৭. ছোট ছুরি ধার দেওয়ার কাজটি শিখেও নিতে পারো। মনোযোগ দিয়ে করলে কাজটি বেশ শান্তিদায়ক হতে পারে। তবে ধারালো ছুরি ব্যবহারে খুব সাবধান।
৪৮. জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়ার ব্যাগ গুছিয়ে রাখো। না থাকলে তৈরি করো। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে একটি জরুরি কিট তৈরি করো এবং বিপদের সময় কী করবে, তার পরিকল্পনা করো।
৪৯. নিজের বা পরিবারের কারও ভবিষ্যৎ ও জীবনের শেষ সময়ের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আগেভাগে পরিকল্পনা করো। যেমন তুমি কর্মজীবন শেষ করে অবসরকালে কী করবে।
৫০. অনেক দিন ধরে যে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা ভাবছ, এবার তাঁর অ্যাপয়েন্টমেন্টটা নিয়েই ফেলো। যেমন দাঁতের চিকিৎসক দেখানো।
৫১. কোনো চোট বা আঘাত পাওয়া জায়গার ঠিকঠাক যত্ন না হলে চিকিৎসক দেখাও। ফিজিওথেরাপি শুরু করার কথা ভাবো।

নতুন শখ গড়ে তোলো
৫২. দাদি-নানিদের আমলের কোনো শখ বেছে নাও।
৫৩. উল বোনা, ক্রুশের মতো ফোঁড় দিয়ে নকশা তোলা, সুচিশিল্প বা কাপড়ে নকশা সেলাই করার মতো কোনো কাজ শিখে নাও।
৫৪. ঠিকমতো মাপ হয় না বা পুরোনো হয়ে গেছে, এমন পোশাক ঠিক করো কিংবা অন্য কাজে ব্যবহার করার উপায় বের করো।
৫৫. কোনো কাপড়ে টাই-ডাই পদ্ধতিতে রং করো।
৫৬. অরিগ্যামি শেখো। কাগজ ভাঁজ করে নানা রকম আকৃতি তৈরি করাই অরিগ্যামি।
৫৭. রঙিন সুতা ও পুঁতি দিয়ে ব্রেসলেট বানাও।
৫৮. উনো খেলে দেখতে পারো।
৫৯. সুন্দর বাঁকানো হাতের লেখার ধরন, মানে কারসিভ লেখা শেখো। এরপর নিজের জন্য ভালো একটি কলম কিনে ফেলো।
৬০. সুন্দর কাগজে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি লেখো।
৬১. নতুন কোনো বন্ধু খুঁজে বের করো, যাকে চিঠি লেখা যায়।
৬২. প্রিয় কাউকে ডাকযোগে পোস্টকার্ড পাঠাও। এমন কারও কাছেও পাঠাতে পারো, যার সঙ্গে তোমার মনোমালিন্য হয়েছে, কিন্তু এখন সম্পর্কটা ভালো করতে চাও।
৬৩. ডায়েরি লেখো, পছন্দের উদ্ধৃতি ও ভাবনা জমিয়ে রাখার খাতা তৈরি করো কিংবা টুকরা কাগজ ও নানা স্মারক দিয়ে একটি স্মৃতির খাতা বানাও।
৬৪. ফুল শুকিয়ে বইয়ের ভাঁজে রেখে সংরক্ষণ করো।
৬৫. রূপকথার পরিদের জন্য ছোট্ট একটি ঘর বানাও।
৬৬. উঁচু বেড বা টবে বাগান তৈরি করো।
৬৭. ঘরের গাছের ডাল বা পাতা থেকে নতুন গাছ তৈরি করো।
হাতেকলমে নতুন কিছু তৈরি করো
৬৮. ঘরে লেবু বা ফল দিয়ে নতুন ধরনের কোনো ড্রিংক বানাতে পারো।
৬৯. লেবুর খোসা দিয়ে লেবুর স্বাদযুক্ত পানীয় তৈরির পদ্ধতি জানতে পারো।
৭০. সোডা পানীয়ের সঙ্গে নিজের পছন্দের উপকরণ মিশিয়ে নতুন স্বাদের পানীয় বানাও।
৭১. কফির ওপর দুধের ফেনা দিয়ে নকশা আঁকা শেখো।
৭২. নখে রং করো কিংবা ত্বকের যত্ন নেওয়ার নতুন কোনো পদ্ধতি চেষ্টা করো।
৭৩. পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সঙ্গে লেগো সেট জোড়া লাগাও।
৭৪. প্রিয় কোনো মানুষের মতো দেখতে কোনো একটি লেগো চরিত্র তৈরি করো।
৭৫. ইলেকট্রনিকসের কোনো শিক্ষামূলক কিট নিয়ে কাজ করো।
৭৬. খুব ছোট আকারের ঘর, আসবাব বা অন্য কিছু বানানোর কিট দিয়ে ক্ষুদ্র মডেল তৈরি করো।
৭৭. ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারে তৈরি করা যায়, এমন কোনো জিনিসের নকশা বানাও। এরপর কোথায় মেকারল্যাব আছে, সেটা খুঁজে দেখো। সেখানে গিয়ে সেটি তৈরি করার চেষ্টা করো।
৭৮. মেটাল ডিটেক্টর নিয়ে বাইরে বের হও। মাটির নিচে চাপা পড়া কোনো ধাতব বস্তু বা গুপ্তধনের সন্ধান পেতেও পারো।
৭৯. জীবাশ্ম খোঁজার চেষ্টা করো। চাইলে জীবাশ্মের আদলের নকল বস্তু কিনে মাটিতে পুঁতে রেখে পরে খুঁজে বের করার খেলাও খেলতে পারো।
৮০. দুরবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে রাতের আকাশ দেখো।
প্রকৃতি ও চারপাশের জগৎ ঘুরে দেখো
৮১. গুপ্তধন খোঁজার মতো একটি অনুসন্ধানী খেলার আয়োজন করো। এ জন্য ডিআইওয়াই শোরুমের মতো বড় দোকানও বেছে নিতে পারো।
৮২. উন্নত মানের ডিজিটাল ক্যামেরা বা ফিল্ম ক্যামেরা ব্যবহার করা শেখো।
৮৩. ছবি তুলতে তুলতে হাঁটতে বের হও। একটি বিষয় ঠিক করে নিতে পারো, যেমন শুধু পাখি, গাছ বা পুরোনো বাড়ির ছবি তুলবে।
৮৪. আশপাশে ঘুরে দেখার মতো চমৎকার কোনো জায়গা খুঁজে বের করো।
৮৫. প্রকৃতির মধ্যে হাঁটতে বা পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করতে যাও।
৮৬. বাইরে কোথাও পিকনিক করো।
৮৭. প্রকৃতি থেকে খাওয়ার উপযোগী বুনো ফল, গাছ বা উদ্ভিদ খুঁজে দেখো। তবে কোনো উদ্ভিদ খাওয়ার আগে সেটি নিরাপদ কি না, নিশ্চিত হয়ে নেবে।
৮৮. পাখি দেখতে বের হও। বিভিন্ন পাখির চেহারা, ডাক ও আচরণ চিনতে শেখো।
৮৯. এলাকার কোনো অভিজ্ঞ উদ্যানপ্রেমীর সঙ্গে কথা বলো। তাঁর গাছপালা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থেকে শেখার চেষ্টা করো।
৯০. কোনো কৃষকের কাছে জানতে চাও, তাঁর সবচেয়ে পছন্দের ফসল বা সবজি কোনটি। সেটি কীভাবে চাষ করা হয়।
৯১. ট্রেন ভালোবাসেন, এমন কারও কাছে তাঁর প্রিয় ট্রেনের ইঞ্জিন সম্পর্কে জানতে চাও।
৯২. গাড়িপ্রেমী কারও সঙ্গে কথা বলে জেনে নাও, তাঁর সবচেয়ে পছন্দের গাড়ি কোনটি এবং কেন।
৯৩. ক্রিকেট বা ফুটবল ম্যাচ দেখতে যাও স্টেডিয়ামে। এরপর গ্যালারির বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখো।
৯৪. স্থানীয় কোনো জাদুঘর বা ইতিহাসকেন্দ্রে যাও। নতুন কিছু জানার সুযোগ পাবে।
৯৫. খুঁজে বের করো, তোমার আশপাশে কোথায় খোলা আকাশের নিচে সিনেমা দেখা যাবে।
বন্ধু, পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সময় কাটাও
৯৬. প্রতিবেশীর সঙ্গে পরিচিত হও।
৯৭. প্রতিবেশীদের নিয়ে পাড়ায় ছোটখাটো অনুষ্ঠানের আয়োজন করো।
৯৮. ফোনবিহীন একটি সন্ধ্যার আয়োজন করো। পরিবার ও বন্ধুদের বই, পত্রিকা নিয়ে আসতে বলো। পুরোনো রেকর্ডে গান শোনো কিংবা ডিভিডিতে সিনেমা দেখো। কারও না কারও কাছে ডিভিডি পাবে।
৯৯. রহস্যভেদ করতে হয় এমন খেলার আয়োজন করো। যেমন নিখোঁজ রহস্য সমাধানের পার্টি।
১০০. যেকোনো উপলক্ষে পার্টি দাও। কোনো উপলক্ষ না থাকলেও সমস্যা নেই!
১০১. পার্টিতে দেখানোর জন্য কিছু জাদুর কৌশল শিখে রাখো কিংবা কয়েকটি মজার কৌতুক মুখস্থ করো।
১০২. কোনো ভ্রমণের পরিকল্পনা করো। কোথায় যাবে, কী দেখবে, কীভাবে যাবে, সব ঠিক করে ফেলো।
মস্তিষ্কের খোরাক জোগাও
১০৩. নির্বাক চলচ্চিত্র দেখো। যে সিনেমায় কোনো সংলাপ থাকে না।
১০৪. নিজেই একটি নির্বাক চলচ্চিত্র তৈরি করো।
১০৫. নিজের হাতে ছোট একটি ম্যাগাজিন তৈরি করো। নিজের লেখা, ছবি, আঁকাআঁকি বা পছন্দের বিষয় নিয়ে সাজাতে পারো। কিশোর আলো থেকে আইডিয়া নিতে পারো।
১০৬. বিভিন্ন জিনিসের গায়ে খেলনা চোখ লাগিয়ে দাও। তবে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য বস্তুতে এ কাজ করতে যেয়ো না!
১০৭. বজ্রপাত সম্পর্কে জানো। আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় কেন, কীভাবে বজ্রপাত হয়, এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজো।
১০৮. পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্ক মরুভূমি কোনটি, খুঁজে বের করো। এর জন্য বাসা থেকে বের হতে হবে না।
১০৯. পৃথিবীর সবচেয়ে সুস্বাদু মিষ্টান্ন কোনটি হতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা করো।
১১০. তর্কে নিজের যুক্তি সুন্দরভাবে তুলে ধরার কৌশল শেখো।
১১১. একেবারে অবিশ্বাস্য কোনো মিথ্যা গল্প বানিয়ে ফেলো। দেখো, কতটা বিশ্বাসযোগ্য করে বলতে পারো!
১১২. গাড়ি চালানো শেখো। বিশেষ করে পার্কিং কীভাবে করতে হয়।
১১৩. আগে কখনো শোনোনি, এমন কোনো গান শোনো।
১১৪. কোনো বই, নাটক, সিনেমা বা টিভি অনুষ্ঠানের শেষটা ভালো লাগেনি? নিজের মতো করে নতুন করে শেষটা লিখে ফেলো।
১১৫. আগে দেখোনি এমন একটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা নাটক দেখো। পঞ্চাশবার দেখলেও ক্ষতি নেই। আবার দেখো!
১১৬. ভালো লেগেছে এমন কোনো সিরিজের নির্দিষ্ট পর্ব বারবার দেখো।
১১৭. দিনের কোন কাজে তোমার মনোযোগ কতটা ব্যয় হচ্ছে, তার হিসাব রাখো। কখন অকারণ ফোন দেখছ, কতক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারছ, এসব খেয়াল করো।
১১৮. কোনো কিছুই কোরো না। চুপচাপ বসে থাকো, নিজের ভাবনার সঙ্গে সময় কাটাও।
