আশুতোষ রাঙ্কা (বাঁ দিকে) এবং সৌরভ দাস (ডান দিকে)ছবি:X
Published on
:
2 min read
ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার বিপদ আরও বাড়ল। সোমবার তাঁদের জামিন খারিজ করে জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির মন্দির মার্গের স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। তার পরেই দুই নেতার বিরুদ্ধে ওঠা বেআইনি ভাবে যন্তর মন্তরে ঢোকার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হলো দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে।
গত মঙ্গলবার পুলিশি নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। সেখানে তেরঙ্গা ওড়ান তাঁরা। এর পরেই বেআইনি অনুপ্রবেশের অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। দুই নেতাকে আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। তার পর থেকে তিহাড় জেলেই ছিলেন সৌরভ এবং আশুতোষ।
এ দিন দু’জনকে ফের আদালতে হাজির করানো হয়। শুনানিতে ককরোচদের দুই শীর্ষ নেতাকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারক। যন্তর মন্তর ও কনট প্লেসের মতো যে সব জায়গায় বিক্ষোভের অনুমতি নেই, কেন সেখানেই বার বার তাঁরা আন্দোলনের ডাক দিচ্ছেন, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁদের ‘আইনের প্রতি আস্থা নেই’ বলেও মন্তব্য করে আদালত। ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ করবেন না বলে দুই নেতা আশ্বাস দিলেও তা মানতে চাননি বিচারক। অতীতের আচরণের কথা উল্লেখ করে আদালত জানায়, তাঁদের আশ্বাসে পুরোপুরি ভরসা করা যাচ্ছে না।
এর পরেই দুই নেতার জামিনের আবেদন খারিজ করে জেল হেফাজতের মেয়াদ দু’দিন বাড়ানোর নির্দেশ দেন বিচারক। একই সঙ্গে আগামী দু’দিনের মধ্যে তাঁদেরকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২১ অক্টোবর।
আদালতে জামিন খারিজ হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই দিল্লি পুলিশের তরফে মামলাটির তদন্তভার ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অন্য দিকে, সৌরভ ও আশুতোষের জামিন খারিজ হতেই তীব্র কটাক্ষ করেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করে X পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইচ্ছা করেই জামিনের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে। তাঁদের জেলে রাখার কোনও আইনি ভিত্তি নেই।’
