আমার খানিকটা প্রজ্ঞা
তোমার সাথে ভাগাভাগি
করতে দাও
এখানে এসো, তোমার সঙ্গে আমার প্রজ্ঞার
খানিকটা ভাগাভাগি করে নিতে দাও।
আমাদের মরণশীল অস্তিত্ব নিয়ে
তুমি কি যথেষ্ট ভেবেছো?
সম্ভবত না। কেনই বা ভাববে। তবে শোনো।
মরণশীল মানুষমাত্রই মরণের কাছে ঋণী।
জীবিতদের মাঝে এমন কেউ নেই
যে বলতে পারে আগামীদিনও আছি।
আমাদের অদৃষ্ট এগোয় অদৃশ্য ইঙ্গিতে ।
এ এক রহস্য।
কেউ তা শেখাতে পারে না।
বুঝে উঠতেও পারে না।
গ্রহণ করো! আনন্দিত হও! পান করো!
তবে আফ্রোদিতিকে ভুলে যেও না।
সে যে বড়ো মধুর এক দেবী।
অবশিষ্টদের যেতে দিতো পারো।
ঠিক বলছি তো!
বুঝিয়ে বলতে পেরেছি কি?
আমার মনে হয় পেরেছি।
কী বলো, আরেক পেয়ালা হলে কেমন হয়!
একটা মালা পরো। আমি নিশ্চিত
আনন্দে ছলকে ওঠা মদের ধারা
তোমার মন সারিয়ে দেবে।
তুমি জানো আমরা সকলেই মর।
মর মানুষের মতো ভাবো।
আমার তত্ত্ব বলে,
জীবন বলে আদতে কিছু নেই,
এ কেবলই এক বিপর্যয়।
আমি
স্বপ্নের ভেতর আমি মৃদু টিক টিক শুনছি।
রাতের রুপোলি কল থেকে ফোঁটা ফোঁটা
জল ঝরছে পিঠ বেয়ে।
ভোর চারটায় আমি জেগে উঠি।
সেপ্টেম্বরে যে মানুষ চলে গেছে
তার কথা ভাবি।
তার নাম ছিল আইন।
স্নানাগারের আয়নায় আমার মুখে
সাদা সাদা রেখা নিম্নগামী।
আলতোভাবে মুখ ধুয়ে বিছানায় ফিরে যাই।
কাল আমি আমার মাকে দেখতে যাচ্ছি।
The post অ্যান কারসনের দুটি কবিতা appeared first on সুপ্রভাত বাংলাদেশ.
