ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।
গতকাল শনিবার আবুধাবিতে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭২ রানেই অলআউট হয়ে যায় টাইগাররা। বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই হারে।
রান তাড়ায় শুরুটা অবশ্য মন্দ ছিল না বাংলাদেশের। প্রথম ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৪২ রান তুলে আশার সঞ্চার করেছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু সৌম্য সরকার আউট হওয়ার পরই শুরু হয় ধস। একের পর এক উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।
জিম্বাবুয়ের বোলাররা খুব ভালো বোলিং করেছেন, এমনটা বলার সুযোগও কম। বরং বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের উইকেট বিলিয়ে আসার প্রবণতাই বেশি চোখে পড়েছে।
মাঝের ওভারগুলোতে ইনিংসের হাল ধরার দায়িত্ব ছিল তাওহিদ হৃদয়, নাজমুল হোসেন ও মোসাদ্দেক হোসেনের ওপর। কিন্তু তিনজনই বলের লাইন মিস করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন। তানজিদ আগের বলে জীবন পেয়েও পরের বলেই ক্যাচ দিয়েছেন। সৌম্যর বিদায়ও এসেছে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে।
এই হারে ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে গেল বাংলাদেশের জন্য।
আগামী ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরের ম্যাচে জিততেই হবে তাদের।
তবে শুধু জয়ই যথেষ্ট নাও হতে পারে, হিসাব মেলাতে হবে অন্য ম্যাচের ফলের সঙ্গেও।
তার আগে জিম্বাবুয়ে–আফগানিস্তান ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। ওই ম্যাচে জিম্বাবুয়ে জিতলে বাংলাদেশের সামনে শেষ ম্যাচে ফাইনালে ওঠার সুযোগের সমীকরণ কিছুটা পরিষ্কার হতে পারে। তখন আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি হয়ে উঠতে পারে অলিখিত সেমিফাইনাল।
