বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
মিরপুর এলাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলায় এশিয়ান টেলিভিশনের পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সাংবাদিক আসাদ। এই আসাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। ফ্ল্যাট, জায়গা-জমি, বিচার-সালিশসহ বিভিন্ন তদবিরে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন আসাদুজ্জামান আসাদ।
তথ্য অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মুকসুদপুর এলাকার গোপালপুর গ্রামের সাহিদ নামের সিটি করপোরেশনের এক ব্যক্তির কাছে টাকা দাবি করেন আসাদ। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় ফোন করে এশিয়ান টেলিভিশনে নিউজ করার হুমকিও দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, কোনো পত্রিকা বা টেলিভিশনের লোগো ছাড়াই একটি কাগজে মেকআপ করে সাহিদকে পাঠানো হয়। যাতে পত্রিকার কোনো লোগো বা প্রিন্টিংয়ের কোনো নম্বর নেই।
এই ফিটিংবাজ ও ধান্দাবাজ আসাদের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন মাস্টার রোলে কর্মরত সাহিদ ফকির।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কিছুদিন আগেও ধান্দাবাজি করতে গিয়ে শাহ আলী থানা এলাকায় গণধোলাইয়ের শিকার হন আসাদ।
সর্বশেষে আসাদুজ্জামান আসাদের বিষয়ে তথ্য জানতে এশিয়ান টেলিভিশনে যোগাযোগ করা হলে, টেলিভিশনটির ক্রাইম রিপোর্টার ও সিইওর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আসাদুজ্জামান আসাদকে এশিয়ান টেলিভিশন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
তবে ভুক্তভোগী ও সাধারণ জনগণের দাবি, আসাদুজ্জামান আসাদ এখনো এশিয়ান টেলিভিশনের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ফিটিংবাজি ও ধান্দাবাজিসহ মোটরবাইকে এশিয়ান টেলিভিশনের স্টিকার লাগিয়ে ক্যামেরা ও বুম হাতে নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
বিষয়টি এশিয়ান টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের নজরে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
