পত্রিকা: 'অস্ত্র হাতে মাদকসেবীদের ধাওয়া প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের'
কম ডেটা ব্যবহার করতে শুধু টেক্সট পড়ুন

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
পুরোনো ঢাকায় শনিবার মাদকবিরোধী অভিযানে পিস্তল হাতে কয়েকজনকে ধাওয়া করতে দেখা গেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ছয়জনকে আটক করার পর তাদের বিষয়টি জানানো হয়।
বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে ইশরাকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গেন্ডারিয়ায় রেললাইনের কাছে একটি গাড়ি থেকে নেমে এক হাতে মাইক ও অন্য হাতে পিস্তল নিয়ে কয়েকজনকে ধাওয়া করছেন তিনি।
একপর্যায়ে পিস্তলের স্লাইড টেনে গুলি ছোড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার মতো ভঙ্গি করেন তিনি। এরপর দলটির দিকে পিস্তল তাক করে চিৎকার করে বলেন, 'এই, দাঁড়াও, দাঁড়াও।' এ সময় সাধারণ পোশাকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে আরেক ব্যক্তিকেও লোকজনকে ধাওয়া করতে দেখা যায়।
'অ্যাকশনে ইশরাক: মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে, কারবারিদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া' শিরোনামে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভিডিওটি ফেসবুক পেজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।


মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কয়েকজনকে ধরতে নির্দেশ দেন। গতকাল শনিবার বিকেলে গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে তাঁকে গাড়ি থেকে নেমে পিস্তল উঁচিয়ে 'ধর ধর ধর' বলে চিৎকার করতে দেখা যায়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা একজনকে গুলি করার হুমকি দিতে শোনা যায়। দেহরক্ষীদের কয়েকজনকে কয়েকজন ব্যক্তিকে ধরতে দৌড়াতে দেখা যায়। তাঁদের একজনকে লাথি মারতেও দেখা যায় এক দেহরক্ষীকে।
ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওর কিছু অংশে প্রতিমন্ত্রীর হাতে থাকা পিস্তল ঝাপসা করা হলেও অন্য অংশে অস্ত্রটি স্পষ্ট দেখা যায়। এ ছাড়া তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুজনের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে। আরেকটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা যায়।

২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৈকতে ডুবে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে ৫০টি পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন ১০৪ জন। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে গত বছর ১৩৪ জন এবং চলতি বছর (সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) আরো ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে
দেশের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতকে ঘিরে সারা বছরই পর্যটকের সমাগম থাকে। প্রধান ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি দীর্ঘ ছুটিতে লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজারে আসেন। কয়েক বছর ধরে রেলসংযোগ চালু হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকের আগমন আরো বেড়েছে। কিন্তু পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা সে অনুপাতে জোরদার হয়নি। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, সৈকতে ডুবে মৃত্যু, এমনকি রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে পর্যটকের প্রাণহানির মতো ঘটনা যেন নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত দশ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছয় জন আহত হয়েছেন। হোটেলে মোট ১৮ জন পর্যটক ছিলেন। এখনো উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে।
আগুনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে এক নারীকে কান্নারত অবস্থায় বলতে শোনা যায় 'আমার সাইফকে আইন্না দাও।'
ওই নারী পর্যটক পূজার বন্ধে তার পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ঘুরতে এসেছেন বলে জানান। তিনি এক সাংবাদিকের বোন বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি সাইফকে বারবার ডাকছেন এবং বলছেন, 'আমার সাইফকে আইন্না দাও।' তবে সাইফ সম্পর্কে তার কে, বেঁচে আছেন কিনা তা জানা যায়নি।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র কর্মকর্তা দোলন আচার্য ঘটনাস্থল থেকে সাতটি লাশ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, ওই রিসোর্টে মোট ১৭ পর্যটক ছিলেন। নিহত ব্যক্তিরা পর্যটক বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে ইনানীর পাটুয়ারটেক। এখানে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য গড়ে উঠেছে টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টসহ অর্ধশতাধিক রিসোর্ট ও কটেজ। কাঠ, বাঁশ দিয়ে তৈরি এসব রিসোর্ট পরিবেশবান্ধব হলেও এগুলোর নেই কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। নেই ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। এমনকি রিসোর্ট নির্মাণে নেওয়া হয়নি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের অনুমতি। শুধু পাটুয়ারটেকের রিসোর্ট ও কটেজ নয়, প্রশাসনিক তদারকির অভাবে এভাবে অনুমোদনহীনভাবেই চলছে জেলার প্রায় ৫ শতাধিক হোটেল, মোটেল, কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ।
জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তর ও হোটেল মোটেল মালিক সমিতির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, ছোট বড় মিলিয়ে কক্সবাজার জেলা শহর, রামুর পেচারদ্বীপ ও ইনানীসহ এর আশপাশে প্রায় ৬ শতাধিক হোটেল মোটেল, রিসোর্ট, কটেজ রয়েছে। এর অধিকাংশ সংশ্লিষ্ট পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুধু ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করেই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার উত্তরাঞ্চলে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপে পদদলিত হয়ে ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জন নারী, তিনজন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে।
এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে মণ্ডপে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে ভিড়ের চাপ থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এনডিটিভি জানিয়েছে, আহত অন্তত ৩৫ জনকে কলকাতার এমসিএইচ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরে আহতদের কয়েকজনকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্র জানিয়েছে, আহতদের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণ ওয়ার্ডে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ১১ জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কলকাতা পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে গিরিশ পার্ক থানার অধীন চোরবাগান সর্বজনীন পূজামণ্ডপের বের হওয়ার গেটে পদদলনের ঘটনা ঘটে।

নতুন শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর দরপত্র সিন্ডিকেটের কবজায়। দরপত্রে বড় ধরনের কারসাজি করে চক্রটি পছন্দের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অধিকাংশ কাজ বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রভাব খাটিয়ে এভাবেই দরপত্রের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করে ফেলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) একশ্রেণির কর্মকর্তা ও প্রেস মালিকদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত যোগসাজশে কৌশলে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে। আর এ কাজে সরকারের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে বলে অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এনসিটিবিতে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু নথিপত্র উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

হুতিদের হামলার পর নিরাপত্তা শঙ্কা কাটছে না সৌদি আরবের রিয়াদে। রিয়াদগামী ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স।
এসব ফ্লাইট বাতিলে আটকা পড়েছেন প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার যাত্রী। শেষতক রিয়াদগামী সকল ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা যত বাড়ছে ততই ভুক্তভোগী যাত্রীদের সারিও দীর্ঘ হচ্ছে। অনিশ্চয়তার দিন পার করছেন রেমিট্যান্স যোদ্ধারা।
কারণ মধ্যপ্রাচ্যর এই দেশটি বাংলাদেশের বড় শ্রমবাজার। বিমানবন্দর দিয়ে সৌদিগামী যাত্রীদের অধিকাংশই শ্রমিক। এর বাইরে ওমরাহ যাত্রীরা রয়েছেন। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ থাকায় সাধারণ শ্রমিক ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিকল্প পদ্ধতিতে আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও খরচ বেশি হওয়াতে অনেকের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনেকের চোখে জল ও হতাশা।

সৌদি আরবে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ঢাকা থেকে দাম্মামগামী ফ্লাইট ২০ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ২১ অক্টোবর থেকে এই রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইট চালু আছে।
১০ অক্টোবর রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর শনিবার বিকেল পর্যন্ত আট দিনে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে মোট ১১৪টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ১৭ হাজার ৭০১ জন যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যাঁদের অধিকাংশই প্রবাসী কর্মী। এদিকে ৮ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে চার হাজারের বেশি নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বা চলাচল করেনি। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বিশেষ জরিপ অনুযায়ী, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও আয় স্থবির থাকায় দেশের ৪৭.৪২ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়েছে। শহরের তুলনায় গ্রামীণ পরিবারগুলো ঋণের চাপে বেশি রয়েছে।
জরিপে দেখা গেছে, গত এক বছরে গ্রামাঞ্চলের ৫১.৯১ শতাংশ, শহরাঞ্চলের ৪০.১৯ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশন এলাকার ৩২.১১ শতাংশ পরিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে ঋণ নিয়েছে।
দেশে একটি পরিবারের গড় মাসিক আয় ৩৩ হাজার ৫১৩ টাকা, আর গড় ব্যয় ৩৫ হাজার ৩১১ টাকা। সিটি করপোরেশন এলাকায় মাসিক গড় ব্যয় সবচেয়ে বেশি, ৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা। শহরাঞ্চলে এ ব্যয় ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা এবং গ্রামাঞ্চলে ৩২ হাজার ৫৩২ টাকা।

ঋণ পরিশোধের বাড়তি চাপ এবং ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থায় ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি- দুই দিক থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। এক দিকে মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ সুদের কারণে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর রাজস্বের বড় অংশ ঋণ পরিশোধে ব্যয় হচ্ছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ সঙ্কুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। অন্য দিকে ডিজিটাল লেনদেনের বিস্তার, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক নির্ভরশীলতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) সাইবার হামলার ঝুঁকি আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
বাংলাদেশের সীমিত রাজস্ব আহরণ, বিপুল উন্নয়ন চাহিদা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আর্থিক ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে এ দুই চ্যালেঞ্জ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক আলোচনা ও মূল্যায়নে ঋণ ব্যবস্থাপনা, সহজ শর্তে অর্থায়ন, আর্থিক খাতের কার্যকর তদারকি এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এসব আলোচনার মূল তাৎপর্য হলো, শুধু নতুন ঋণ সংগ্রহ কিংবা ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তার নয়; বরং অর্থের কার্যকর ব্যবহার, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলার প্রস্তুতিও নিশ্চিত করতে হবে।
