শেরপুর জেলার জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীদের ফোন না ধরা এবং বক্তব্য দিতে অনীহার অভিযোগ উঠেছে। জনস্বাস্থ্য বিভাগের সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য নিতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি বেশিরভাগ সময় ফোন রিসিভ করে বলেন, ‘রাতে ফোন দিয়েন, তথ্য দেব’।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি মো. নাঈম ইসলাম জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বক্তব্য নিতে ফোন দেন। এসময় তিনি বরাবরের মতো ‘রাতে ফোন দিয়েন, তথ্য দেব’ বলে সংযোগ কেটে দেন।
একইদিন ঢাকা পোস্টের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি নাঈমুর রহমান তালুকদারকেও একই কথা বলেন এই কর্মকর্তা।
একইভাবে তথ্য না পেয়ে অসহযোগিতার কথা জানিয়েছেন কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি শামীম আহমেদ। তিনি বলেন, আমাদের তিনি তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন না।
দৈনিক দিনকালের প্রতিনিধি আবু হানিফ বলেন, জেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা বলেন, ‘কোনো দপ্তর প্রধান যদি গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা না করেন, তাহলে গণমানুষের কাছে ভুল বা অপতথ্য চলে যাওয়ার একটা প্রবণতা থেকে যায়। এজন্য সরকার তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী আবেদনের প্রক্রিয়া চালু রেখেছে।’
এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী জামানুর রহমান বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য দেওয়া আমাদের একটা দায়িত্বও। সাংবাদিকদের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক। তারা আমাদের সমস্যা, সম্ভাবনা তুলে ধরবেন। তথ্য চাইলে রাতে নিতে হবে বা রাতে ফোন দিতে হবে, দাপ্তরিক এমন কোনো নির্দেশনা নেই। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব।’
মো. নাঈম ইসলাম/এসআর
