খাবার শুধু ক্ষুধা মেটানোর উপায় নয়, সুস্থ জীবন ও সুন্দর ভবিষ্যতেরও অন্যতম ভিত্তি। স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর ও পরিবেশবান্ধব খাবারের গুরুত্ব তুলে ধরতে ২৪ অক্টোবর পালিত হচ্ছে জাতীয় খাদ্য দিবস।
দিবসটির মূল বার্তা হলো, প্রকৃত ও পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, তাজা ফল, শস্য এবং প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জাতীয় খাদ্য দিবস মানুষকে খাবারের পুষ্টিগুণ, উৎপাদনপদ্ধতি এবং পরিবেশের ওপর খাদ্যব্যবস্থার প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হতে উৎসাহিত করে। একই সঙ্গে সবার জন্য স্বাস্থ্যকর, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব খাবার নিশ্চিত করার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে নতুন খাবারের স্বাদ নেওয়া, স্থানীয় বাজার থেকে মৌসুমি ফল ও সবজি কেনা, খাবারের মোড়কে পুষ্টি উপাদানের তথ্য পড়া এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাবার রান্নার মতো উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। বাড়িতে টবে পুদিনা বা অন্যান্য ভেষজ গাছ লাগিয়েও খাবারের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক আরও নিবিড় করা সম্ভব।
২০১১ সালে জনস্বার্থে বিজ্ঞানবিষয়ক কেন্দ্র (সিএসপিআই) যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় খাদ্য দিবসের সূচনা করে। স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী খাবারের প্রসার এবং পরিবেশবান্ধব খাদ্য উৎপাদনকে উৎসাহিত করাই ছিল এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
জাতীয় খাদ্য দিবসের বার্তা একটাই, খাবার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাদ ও পুষ্টির পাশাপাশি পরিবেশ এবং খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত মানুষের প্রতিও যত্নশীল হতে হবে।
