নিহতের মা মাহমুদা আক্তার বিউটি জানান, জান্নাতুল ফেরদৌস তাঁর প্রথম স্বামীর মেয়ে। প্রথম সংসার ভেঙে যাওয়ার পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করে গত সাড়ে চার বছর ধরে লোহাগাড়ায় বসবাস করছেন। মেয়েও তাঁর সঙ্গে থাকত। বর্তমানে তার পড়াশোনা বন্ধ ছিল। মায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে আসক্তির সূত্র ধরে ঢাকার ওয়ারী এলাকার সাইমন নামের এক প্রবাসী যুবকের সঙ্গে জান্নাতুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁরা প্রায়ই রাত জেগে কথা বলতেন। তবে কিছুদিন ধরে তাঁদের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি করেন তিনি।
মাহমুদা আক্তারের দাবি, মেয়ের মৃত্যুর পর তার ব্যবহৃত মুঠোফোনের কলতালিকায় সর্বশেষ সাইমনের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য দেখতে পান। এ কারণে ওই যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি তাঁর মেয়ের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়ের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান নিহতের মা।
এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বন্ধ দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।
The post লোহাগাড়ায় ভাড়া বাসা থেকে কিশোরীর ঝু’ল’ন্ত ম’র’দে’হ উদ্ধার appeared first on ভোরের চেতনা.
