দুর্গাপুজোর সময় সুরুচি সঙ্ঘের মণ্ডপের বাইরেই শ্লীলতাহানির শিকার এক মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ার। তবে এখানে অভিযুক্ত আর কেউ নয় বরং এক পুলিশকর্মী। সম্প্রতি শ্লীলতাহানির ঘটনার একটি ভিডিও (যার সত্যতা যাচাই করেনি প্রতিদিন ডিজিটাল) সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক তৈরি হয়। তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করে প্রশাসন। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ধৃতের নাম কবিরুল হাসান মোল্লা (৫০)। তিনি তিন নম্বর সশস্ত্র ব্যাটেলিয়নের এএসআই পদে কর্মরত রয়েছেন। ঘটনার পর ২১ বছর বয়সি ওই মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ার নিউ আলিপুর পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কবিরুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, গত শনিবার রাত ১১টা সাড়ে ১১টা নাগাদ সুরুচি সংঘ পুজো মণ্ডপের বাইরে ঘটনাটি ঘটে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কমলা রঙের টিশার্ট পরে ২ সিভিক ভলান্টিয়ার চেয়ারে বসে আছেন। পিছনে দাঁড়িয়ে এএসআই কবিরুল হাসান মোল্লা এক মহিলা সিভিকের সঙ্গে কুরুচিকর আচরণ করছেন। তাঁকে অশালীনভাবে স্পর্শ করছেন। সেই সময় দর্শনার্থীরা সুরুচি সংঘের ঠাকুর দেখে বেরোচ্ছেন। এই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। একজন উর্দিধারী কীভাবে নিজের অধঃস্তন মহিলা কর্মীর সঙ্গে এই আচরণ করতে পারেন তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম থেকেই নারী নিরাপত্তার উপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নতুন সরকার। নির্যাতন রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত যেই হোন, শাস্তি নিশ্চিত করতেই হবে। নির্দেশ মতোই হচ্ছে কাজ। অভিযোগ জমা পড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয় এএসআইকে।
