রাত পোহালেই কোজাগরী পূর্ণিমা। সেই মতো প্রস্তুতির তালিকাও দীর্ঘ। পুজোর সকাল থেকে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় হিমশিম না খেতে চাইলে এক দিন আগেই সেরে রাখুন জরুরি কিছু কাজ।
ঘরদোর পরিষ্কার, ফুল, প্রদীপ, আলপনার জোগাড় এবং ভোগের প্রস্তুতিই জানান দিচ্ছে, লক্ষ্মীঠাকুর একেবারে দোরগোড়ায়। রাত পোহালেই কোজাগরী পূর্ণিমা। সেই মতো প্রস্তুতির তালিকাও দীর্ঘ। পুজোর সকাল থেকে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততায় হিমশিম না খেতে চাইলে এক দিন আগেই সেরে রাখুন জরুরি কিছু কাজ।
০২ / ১০
পুজোর দিন সকালে সব কাজ ফেলে বাজারে ছুটতে হলেই মুশকিল! তাই আগের রাতেই ফর্দ মিলিয়ে গুছিয়ে রাখুন পুজোর সামগ্রী। ঠাকুরের আসন থেকে শুরু করে প্রদীপ, তুলো, ঘি, তেল, ফুল-ফল, পুজোর দিনে সবই যেন থাকে হাতের নাগালে।
০৩ / ১০
দুর্গাপুজোর উদ্যাপনে ঘরদোর খানিক অগোছালো হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই এক দিন আগেই হাতে সময় নিয়ে গুছিয়ে ফেলুন অন্দরমহল। বিশেষ নজর দিন প্রবেশদ্বার, পুজোর ঘর এবং রান্নাঘরের দিকে।
০৪ / ১০
আলপনা ছাড়া লক্ষ্মীপুজো অসম্পূর্ণ। পুজোর দিন তাড়াহুড়োয় নকশা বাছার পরিবর্তে আগেভাগেই ভেবে রাখুন সবটা। কী ভাবে আঁকবেন, ঘরের কোন কোন স্থানে আলপনা দেবেন, সবটাই যেন থাকে পরিকল্পনামাফিক।
০৫ / ১০
চালের গুঁড়ি-সহ আলপনা আঁকারর প্রয়োজনীয় উপকরণও গুছিয়ে রাখুন। এতে সময় অনেকটাই বাঁচবে।
০৬ / ১০
ভোগের প্রস্তুতিও কিছুটা এগিয়ে রাখতে পারেন। ভোগের মেনু ঠিক করে রাখা থেকে শুকনো কিছু মিষ্টান্ন বানিয়ে রাখা, সবটাই সেরে ফেলুন একদিন আগেই।
০৭ / ১০
পরের দিন লাবড়া, ভাজাভুজি বা অন্যান্য কিছু পদ রান্নার পরিকল্পনা থাকলে সব্জি ধুয়ে এবং কেটে রেখে দিতে পারেন ফ্রিজ়ে।
০৮ / ১০
পুজোর বাসনপত্র ও পোশাক গুছিয়ে রাখুন। ভোগের থালা, বাটি, ঘট এবং অন্যান্য বাসনপত্র পরিষ্কার করে এক জায়গায় গুছিয়ে রাখতে পারেন এক দিন আগে।
০৯ / ১০
লক্ষ্মীপুজোয় প্রবেশদ্বার সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে? ফুল, পাতা এবং অন্যান্য সাজ-সরঞ্জামের ব্যবস্থা করুন আগেভাগেই। আলপনা বা মাটির প্রদীপ দিয়ে আগেই সাজিয়ে রাখতে পারেন ঠাকুরের স্থান।
১০ / ১০
সব প্রস্তুতি সেরে ফেললেও পরের দিনের জন্য কী কী কাজ বাকি থেকে গেল, তা ভুলে না যেতে চাইলে খাতায়-কলমে লিখে রাখতে পারেন। বাড়িতে অতিথি আসার ব্যবস্থা থাকলে আগেই ভেবে রাখুন তাঁদের আপ্যায়নের উপায়। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারেরে একটি অংশ।)
