ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নে বিএনপি নেতা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশের অভিযোগে প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় সুশীল সমাজ। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
কালামৃধা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, স্থানীয় কথিত মানবাধিকারকর্মী মায়া বেগমের সঙ্গে অপর এক নারীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে বিরোধের জেরে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে কালামৃধা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লিন্টু আকনসহ উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে অশালীন ও মানহানিকর মন্তব্য করা হয় বলে তাঁদের দাবি।
বক্তারা আরও বলেন, মায়া বেগমের ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাঁদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যের কারণে স্থানীয় ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সংশ্লিষ্ট দুই নারীর বিরুদ্ধে তিনটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখানো এবং ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।
তাঁরা বলেন, ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন কালামৃধা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লিন্টু আকন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর, সাবেক চেয়ারম্যান কমরেড আতাউর রহমান কালু এবং ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোশারফ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এই বাংলা/এমএস
