অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন বলেন, “আমি আবেদন করেছি। তবে আমার কাছে শুধু রেজুলেশনের কপি রয়েছে।”
বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আবেদন করেছিল মনে হয়।” এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাংবাদিকরা তথ্য অধিকার ফরমের মাধ্যমে ১০ম গ্রেডের বেতন-সংক্রান্ত আবেদনের কপি চাইলে ওই শিক্ষিকা শুধু রেজুলেশনের কপি দিতে পেরেছেন। আবেদনের কপি দিতে পারেননি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ্ জহুরুল হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, উচ্চতর গ্রেডে বেতন উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত আবেদন ও প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। এখন তদন্তের ফলাফলের দিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।
The post দেওয়ানগঞ্জে আবেদনের কপি ছাড়াই ১০ বছর ধরে ১০ম গ্রেডের বেতন উত্তোলনের অভিযোগ appeared first on ভোরের চেতনা.
