Published on
:
2 min read
কেউ বুনো হনুমান ধরেন। আবার কারও কাজ লোকালয়ে হাতি–লেপার্ড–গন্ডার ঢুকে পড়লে তাদের তাড়ানো। কখনও কখনও হাতি–বাইসন তাড়াতে, সাপ ধরতে ঝাপিয়ে পড়েন তাঁরা। ১৫–২০ বছর ধরে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। পুজোর সময়েও তাঁদের ছুটি নেই। পরিবার-আত্মীয়দের ছেড়ে এই বিশেষ দিনগুলিও বন্যপ্রাণীদের সঙ্গেই কাটান।আবার রক্ষাও করেন। ওঁরা রাজ্যের বন দপ্তরের অস্থায়ী দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মী বা ডিএল।
বন দপ্তরের কর্মীফেসবুক
যখন পুজোর ছুটির আনন্দে মেতে ওঠে আট থেকে আশি, তখন তাঁরা বনেই থাকেন। মাসখানেক আগে থেকেই ওই চার দিন হই-হুল্লোড়, খাওয়া-দাওয়ায় প্ল্যান শুরু হয়ে যায় সকলের। কিন্তু দিনের পর দিন নীরবেই অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন বন দপ্তরের অস্থায়ী দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মী বা ডিএলরা।
বন দপ্তরের কর্মীফেসবুক
উৎসবের দিনে তাঁদের নতুন জামা কাপড়ের বদলে হাতে থাকে লাঠি। জঙ্গলের মধ্যে শিকারির হাত থেকে পশু বাঁচাতে ঝাপিয়ে পড়েন। পুজোর সময়েও শহরে ঢাকের আওয়াজ, আলোর রোশনাই থাকলেও গভীর অরণ্যে নিস্তব্ধে পাহারার কাজ করে চলেন তাঁরা।বন দপ্তরের ৬ থেকে ১০ হাজার ডিএল কর্মচারী।বনদপ্তরের কর্তারা তাঁদের এই কাজের সাধুবাদ জানিয়েছেন।
