Published on
:
2 min read
যন্তর মন্তরে আর কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি করা হবে না বলে বুধবার দিল্লিতে Special Executive Magistrate (SEM) কোর্টে মুচলেকা দিলেন CJP নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার এই মুচলেকা দেওয়ার পরেই SEM কোর্ট ওই দুই নেতাকে তিহাড় জেল থেকে মুক্তির নির্দেশ দেয়। প্রসঙ্গত, দিন সাতেক আগে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগে সৌরভ ও আশুতোষকে গ্রেপ্তার করেছিল দিল্লি পুলিশ।
SIR-এ ব্যাপক দুর্নীতি এবং নানা বেনিয়মের অভিযোগে দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকা ছিল তাঁদের আন্দোলনের প্রধান জায়গা। এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে রাজধানীর পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কেন্দ্রীয় সরকার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ-কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও গত ১৩ অক্টোবর CJP-র দুই নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা যন্তর মন্তরের গেট টপকে ভেতরে ঢুকে জাতীয় পতাকা হাতে বিক্ষোভ দেখান। সেই ঘটনায় দু’জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ১৪ অক্টোবর থেকে পরের সাত দিন জেল হেফাজতেই ছিলেন তাঁরা। পুলিশের অভিযোগ ছিল, এর আগে শান্তি রক্ষার জন্য যে বন্ডে তাঁরা সই করেছিলেন, যন্তর মন্তরে ঢুকে নতুন করে বিক্ষোভ দেখিয়ে সেই বন্ডের শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে।
বুধবার আশুতোষ এবং সৌরভকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে হাজির করিয়ে পুলিশ আরও তিন দিনের হেফাজতের আবেদন করে। তবে, স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ACP ঋতু রাজ সেই আবেদন খারিজ করে দেন। তবে, জেলমুক্তির বদলে যন্তর মন্তরে তাঁরা আর কোনও বিক্ষোভ-কর্মসূচি করবেন না, এই মর্মে মুচলেকা দিতে হয় দুই নেতাকে।
এ দিনের মুচলেকাতে দুই নেতা জানান, দেশের শান্তিভঙ্গ হয়, এমন কোনও কাজ তাঁরা করবেন না। এর পাশাপাশি, সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে যন্তর মন্তরে কোনও বিক্ষোভ কর্মসূচিও করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাঁরা।
ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছেন, দুই নেতাকে মুক্তি দেওয়া হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত জারি থাকবে। আগামী শুক্রবার বিকেল তিনটেয় এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। ওই দিন পুলিশকেও আশুতোষ ও সৌরভের ৫০ হাজার টাকার সিওরিটি বন্ডের ভেরিফিকেশন রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট।
