শেষ উইকেট জুটিতে শাদাবের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরি, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান
চ্যানেল আই অনলাইনপ্রকাশ: আপডেট:
১৫৪ রানে ৯ উইকেট, আর সেখান থেকেই ইংল্যান্ডের ২৪১ রান তাড়া করে ম্যাচ বের করে নেয়া। শেষ উইকেটে হারিস রউফকে নিয়ে অবিশ্বাস্য কাজটিই করলেন শাদাব খান। ৮৯ রানের জুটি গড়ার পাশাপাশি করেছেন ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। সেই সঙ্গে ইংলিশদের ১ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ইংল্যান্ড। ৪৬.৪ ওভারে ২৪১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। জবাবে নেমে ১৭ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান। টানা তিন জয়ে সিরিজের ফাইনালে স্বাগতিকরা। অন্যদিকে টানা তিন ম্যাচেই হেরেছে ইংলিশরা। লিগপর্বের শেষ ম্যাচে দুদলই মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কার।
ইংল্যান্ডের দেয়া লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই ছন্দপতন দেখা যায় পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে। নিয়মিত বিরতিতেই আসা-যাওয়ার মিছিলে মাতে ব্যাটাররা। ১৫৪ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকছিল পাকিস্তান। আর সেখান থেকেই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখেন শাদাব।
ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন দশম উইকেট জুটিতে। তিন ফরম্যাটেই শাদাবের প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি এটি। ১৩ চার ও ৫ ছক্কায় ৯৬ বলে ১১৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি।
অবশ্য এই যাত্রায় নাটকীয়তাও ছিল। জয় থেকে ২১ রান দূরে থাকতে গাস অ্যাটকিনসনের বলে পরাস্ত হয়েছিলেন। এলবিডব্লিউর আবেদনে আম্পায়ার সাড়াও দেন। শাদাব ফিরেই যাচ্ছিলেন, তবে হারিস রউফ তাকে ডেকে রিভিউ নিতে বলেন। শেষ অবধি রিভিউতে দেখা যায় অ্যাটকিনসনের ইয়র্কার ডেলিভারিটি প্যাডে লাগার আগে শাদাবের ব্যাটে লাগে। বেঁচে যান, এরপরই ইতিহাস তৈরি করেন।
শাদাব ও রউফ জুটি রেকর্ডও গড়েছেন। ৮৯ রান করেন দুজনে, যা রানতাড়ায় দশম উইকেটে সর্বোচ্চ। আগের রেকর্ডটি ছিল ১৯৭৫ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ড্রিক মুরি ও অ্যান্ডি রবার্টসের, ৬৪ রানে অপরাজিত জুটিতে পাকিস্তানের ২৬৬ রান তাড়া করেন।
অবিশ্বাস্য ম্যাচটিতে পাকিস্তানের বাকি ব্যাটারদের মধ্যে ৩২ রান করেন সাদ বেগ, ২৬ রান করেন সালমান আঘা। হারিস রউফ ১৯ বলে ৭ রান করেন।
ইংলিশ বোলারদের মধ্যে জেমি ওভারটন ৩ উইকেট নেন। লিয়াম ডাউসন ও গাস অ্যাটকিনসন নেন দুটি করে উইকেট।
এর আগে ব্যাটে নেমে সেঞ্চুরি করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন ডাকেট। ১১১ বলে ১০৫ রান করেন, ছিল ১০ চার ও ২ ছক্কার মার। ৪২ রান করেন স্যাম কারেন। ৩৬ রান করেন গাস অ্যাটকিনসন।
পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি ৪ উইকেট নেন। রাজাউল্লাহ ও আরাফাত মিনহাস নেন ২টি করে উইকেট।
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
