মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: এখন আর আন্দোলনের সময় নয়, এখন দেশ ও এলাকা গড়ার সময় বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি।
২৪ অক্টোবর শনিবার সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বরপাড়া ইউনিয়নে গিলন্ড কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে গিলন্ড ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচনের সময় জনগণের অন্যতম দাবি ছিল রাস্তাঘাটের উন্নয়ন উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা হবে। সব সড়কে একসঙ্গে কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে অনুন্নত সড়কগুলোর উন্নয়ন করা হবে। একটু ধৈর্য ধরতে হবে।’
মানিকগঞ্জবাসীকে হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যত দিন বেঁচে আছি, আপনাদের পাশে আছি। রাস্তাঘাটের উন্নয়নে যা করা দরকার, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সেই কাজগুলো নিয়ে আসার চেষ্টা করব।’
সড়ক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন আফরোজা খানম। এ সময় তিনি মানিকগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।
উন্নয়নকাজের মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি কোনো ধরনের দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে উন্নয়নকাজে সহযোগিতা করতে এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় তিনটি সড়কের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণকাজের চুক্তিমূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা।
সড়কগুলোর মধ্যে রয়েছে গিলন্ড কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে মুন্নু ফেব্রিকস হয়ে গিলন্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়ক পুনর্বাসন, গড়পাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে শাহ সুফি বন্দে আলী মাজার হয়ে চান্দইর বাজার পর্যন্ত সড়কে ইউনিব্লকের মাধ্যমে সময়ান্তর রক্ষণাবেক্ষণ এবং তরা সেতু থেকে গিলন্ড বাজার পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন।
এর মধ্যে গিলন্ড কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে গিলন্ড ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত এক হাজার মিটার সড়কের কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স একরাম কনস্ট্রাকশন। এ কাজের চুক্তিমূল্য ৮৬ লাখ ১৪ হাজার ৪০১ টাকা ৮৫ পয়সা।
সড়কগুলোর উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণকাজ শেষ হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এটিভি/এসআইআর
