আফগানিস্তানের বিপক্ষেই নাকাল অবস্থা টাইগারদের। এশিয়ার এই উঠতি দলটির বিপক্ষে হালে পানি পাচ্ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
ত্রিদেশীয় সিরিজের কঠিন সমীকরণের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে যান- তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়রা।
সিরিজের ফাইনালে খেলতে হলে জিততে হবে ৪১ রানের ব্যবধানে। ব্যাটিংয়ে নামার আগেই যখন এমন সমীকরণ, তখন দায়িত্বশীল ব্যাটিং করার পরিবর্তে আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেন প্রথম সারির ৪ ব্যাটসম্যান।
৭ ওভারে ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যাওয়া দলকে খেলায় ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন ওপেনার সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। পঞ্চম উইকেটে তারা ১৪৭ বল মোকাবেলা করে মাত্র ৯৩ রান করেন।
দলকে খেলায় ফেরাতে গিয়ে টেস্টের আদলে ব্যাট করেন সাইফ-ইমন। তাদের রান তোলর স্লোথ গতির কারণে স্কোর কাঙ্খিত ভাবে মোটাতাজা হয়নি।
৩১ ওভার তথা ১৮৬ বল খেলা শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে মাত্র ১২০ রান। ওয়ানডে ক্রিকেটে যেখানে বলে বলে রান তোলার কথা সেখানে ৬৬ রানে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
৪৯ ও ৪১ রানে ব্যাটিংয়ে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসানের কাছে প্রত্যাশা ছিল তারা দলকে এগিয়ে নিতে হাত খুলে ব্যাট চালাবেন। কিন্তু ৩২তম ওভারের তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সাইফ। তিনি ৮২ বলে টেস্টের আদলে ব্যাট চালিয়ে মাত্র ৪১ রান করেন। তার মানে তিনি ১ রান করতে খেলেন ২ বল।
সাইফ আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ বলে মিরাজের সংগ্রহ ছিল মাত্র ২ রান। হাত খুলে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তিনি।
মিরাজ আউট হওয়ার পর ‘‘ওয়ানম্যান শো’’ হয়ে পড়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন। পুরো ৫০ ওভার পর্যন্ত দলকে টেনে নিতে হলে তাকে খেলতে হয়ে রয়ে সয়ে। বড় শর্টস খেলার সামর্থ থাকলেও উইকেটে টিকে থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়াই তার মূল লক্ষ্য।
দলীয় ১৪৭ রানে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন পেস বোলার শরীফুল ইসলাম। ইমনকে সঙ্গে দিতে নেমেছেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম।