Published on
:
1 min read
এই সময়: কোনও মহিলার উপরে শুয়ে পড়া, তাঁর মুখ হাত দিয়ে চেপে ধরা মানেই ধর্ষণ অথবা ধর্ষণের চেষ্টা নয়। শরীরে প্রবেশের প্রমাণ না থাকলে সেটিকে এই অভিযোগের সপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ বলে ধরা যায় না বলে পাটনা হাইকোর্টের বিচারপতি সন্দীপ কুমারের এক সদস্যের বেঞ্চ মন্তব্য করেছে। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ ঘিরে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ প্রমাণের আইনি মানদণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মূল ঘটনা ২০১০ সালের। অভিযোগকারিণী এক বিধবা, বাড়িতে তিনি তাঁর সন্তানদের সঙ্গে শুয়েছিলেন। অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ে আলো নিভিয়ে দিয়ে মহিলার উপর শুয়ে পড়েন ও তাঁর মুখ চেপে ধরেন। মহিলার চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা এসে অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন। ২০১৩ সালে নিম্ন আদালত ধর্ষণের চেষ্টা এবং বেআইনিভাবে বাড়িতে প্রবেশের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে অভিযুক্তকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। ভারতীয় দণ্ডবিধির দুই ধারায় অভিযুক্তের চার বছর ও ছয় মাস কারাদণ্ড হয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধে পাটনা হাই কোর্টে আবেদন করেন অভিযুক্ত।
এখন পাটনা হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, অভিযুক্তের কাজকে ধর্ষণের চেষ্টা বলার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে মহিলার শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগ এবং বেআইনিভাবে বাড়িতে প্রবেশের অপরাধ বহাল থাকে। ঘটনার পর অনেকগুলি বছর পেরিয়ে যাওয়া, অভিযুক্তের আগের অপরাধের রেকর্ড না থাকা এবং জামিনে থাকার সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না ওঠার বিষয়গুলিও আদালত বিবেচনা করে।
