ছবি: খবরের কাগজ
-->নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় সাধারণ একটি আবাসিক গ্রাহকের ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল সংশোধন করে এক হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এ ঘটনায় গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন সহকারী মহাব্যবস্থাপকসহ (এজিএম) কর্মকর্তারা।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের বড় তফদার বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিলের কপি গ্রাহক শহীদুল ইসলাম ওরফে রনির হাতে পৌঁছে দেন এবং গ্রাহকও তাৎক্ষণিকভাবে তা পরিশোধও করেন।
বিল নিয়ে গ্রাহকের বাড়িতে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রাহাত ও মিটার রিডার জামাল উদ্দিন উপস্থিত হন। এ সময় তারা ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান।
আরও পড়ুন
কর্মকর্তারা জানান, নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় টাইপিং ভুলের কারণে এক আবাসিক গ্রাহকের নামে অস্বাভাবিক অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে। পরে বিষয়টি প্রকাশ হলে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার বিল সংশোধন করে ১ হাজার ১৮২ টাকা করা হয়।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নথি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মিটারটি প্রয়াত আবু তাহেরের নামে নিবন্ধিত। বর্তমানে মিটারটি ব্যবহার করছেন তার নাতি শহীদুল ইসলাম (রনি)।
সংশোধিত বিল পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শহীদুল ইসলাম বলেন, তাদের বিদ্যুৎ বিল তৈরির সময় ভুল হয়েছিল। রাতে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি বাড়িতে এসে সঠিক বিলের কপি দিয়ে গেছেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই বিল পরিশোধ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, যিনি বিলটি তৈরি করেছেন, তিনি ভুলবশত এমনটি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সংশোধন করায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম জুনায়েদুর রহমান বলেন, মূলত টাইপিং ভুলের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।
ঘটনাটি বিদ্যুৎ বিল তৈরির ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করার গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে বলে ভুক্তভোগীরা মনে করে।
ইকবাল হোসেন/অন্তরা/
