সদ্যভূমিষ্ঠ শিশু থেকে শুরু করে শয্যাশায়ী প্রবীণ নাগরিক—সবার সুরক্ষা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। দেশের এ বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে প্রাণবন্ত, কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমন্ডির অবসর ভবনে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬-এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে এবং কেউ উন্নয়নের মূলধারা থেকে পিছিয়ে পড়বে না। সমাজে কোনো মানুষ অবহেলিত থাকুক, সরকার তা চায় না।
তিনি বলেন, শারীরিক বা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু কিংবা প্রবীণ নাগরিক—প্রত্যেকেই সমাজের সমান অংশীদার ও সম্মানিত সদস্য। একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অংশগ্রহণমূলক কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে প্রবীণদের দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা, সুচিন্তিত পরামর্শ ও সহযোগিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বর্তমান সরকার বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।
বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির প্রশাসক মো. ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
অনুষ্ঠানে সমিতির সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
