এমনই চিত্রকলায় সাজানো হচ্ছে রাধাগোবিন্দ মন্দির দুর্গাপুজো কমিটির মণ্ডপEi Saamay
Published on
:
1 min read
সব্যসাচী ঘোষ, মালবাজার
জমিদারি প্রথা ক্ষয়িষ্ণু হতে বসেছে। তবু যে কোনও মূল্যে বনেদি ঠাটবাট বজায় রাখা চাই! সত্যজিৎ রায়ের 'জলসাঘর' কিংবা হালের 'বল্লভপুরের রূপকথা'- এই বিষয়ে সিনেমাও হয়েছে অনেক। বনেদি বাড়ির জৌলুস দেখাবার সবচেয়ে বড় আয়োজন দুর্গাপুজো। খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার, সেজে উঠত জমিদার বাড়ি।
লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন- গানের জলসায় সেরা গায়িকার আসা চাই-ই চাই। হারিয়ে যাওয়া সেই বনেদিয়ানাই এ বার ফিরিয়ে আনতে চলেছে মালবাজারের রাধাগোবিন্দ মন্দির দুর্গাপুজো কমিটি। ২২তম বর্ষে তাদের পুজোর থিম 'বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজো'।
এই পুজোর থিমের ছত্রে ছত্রে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সে কালের বনেদি বাড়ির পুজোর যাবতীয় আবহ। মণ্ডপ নির্মাণে খেয়াল রাখা হয়েছে সেই সময়কার খুটিনাটি বিষয়গুলি। পুজো আয়োজন এবং থিম রুপায়ণে বাইরের কাউকে বরাত দেওয়া হয়নি। 'জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ'- সবটা সামলাচ্ছেন কমিটির সদস্যরা। বিপাশা মিত্র থিম রূপায়ণের কাজ করছেন। বিভিন্ন বনেদি বাড়ির চিত্রকলায় সাজানো হচ্ছে মণ্ডপ। প্রতিমা গড়ছেন মেটেলির শালবাড়ির মৃৎশিল্পী লক্ষ্মণ পাল।
কমিটির তরফে কাতান বেনারসি কিনে মৃৎশিল্পীর হাতে আগেই তুলে দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্য অদিতি পাল, সঙ্ঘমিত্রা দেব, মেনকা রায় জানান, দেবীর সন্তানদের জামাকাপড়েও থাকছে বনেদিয়ানার ছাপ। চতুর্থীতে পুষ্পবৃষ্টি এবং শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে মণ্ডপে আনা হবে প্রতিমা।
পুজো কমিটির সম্পাদক দীপঙ্কর সরকার জানান, মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত ১৬টি স্টল থাকবে। নাম- 'আনন্দমেলা'। মালা দে, চয়ণিকা ঘোষরা সেই আয়োজন নিয়ে বললেন, 'চসির পায়েস, রাবড়ি, দই কচুরি-সহ নানা ধরনের খাবার বিক্রি করব আমরা।'