Published on
:
1 min read
এই সময়, ঢাকা: দুর্গাপূজোর শুরুতেই ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে গোহত্যা ও গণভোজ করে কর্তৃপক্ষকে জবাব দিল জামায়াতে ইসলামির শাখা ইসলামি ছাত্র শিবির। বিশ্ববিদ্যালয়টির মন্দিরের কাছে গত ১২ অক্টোবর গোমাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্নার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক হয়েছিল, তারই জেরে শুক্রবার ক্যাম্পাসের ভিতরে উপাচার্যের দপ্তর ও গণিত বিভাগের মধ্যবর্তী সড়কে পূর্বঘোষিত ‘গরুভোজ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পশু হত্যা করা হয়।
আয়োজকদের ঘোষণা অনুযায়ী, ১২০০-র বেশি পড়ুয়ার মধ্যে খিচুড়ি ও মাংস বিতরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সম্প্রীতি রক্ষায় বুধবার ক্যাম্পাসে পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশ জারি করলেও পরে তারা পিছিয়ে যায়। তবে জামায়াত-শিবিরের এই প্রকাশ্য সাম্প্রদায়িক উস্কানি সত্ত্বেও বিএনপি সরকার ছিল ঠুঁটো।
সিটি কর্পোরেশনের ‘পশু জবাই আইন’ বলছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে যে ভাবে গোহত্যা করা হয়েছে, সেটি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন লঙ্ঘনের দায়ে অনূর্ধ্ব এক বছরের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রোক্টর দাবি করেছেন, উপাচার্য এই বেআইনি কাজে ‘মৌখিক অনুমতি দিয়েছেন’।
পুজোর ষষ্ঠীর দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ ভাবে ঘোষণা করে এই কর্মসূচি করা হলেও রাজনৈতিক স্তরের কাউকেই প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ মানুষ উদ্বেগ জানিয়ে নিন্দায় সরব হয়েছেন। বাংলাদেশের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই ঘটনা একান্তই অনভিপ্রেত।’
