অভিযোগ ‘ভোটচুরি’ এবং ‘অসাংবিধানিক কার্যকলাপে’র। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে সোমবার দিল্লিতে ‘সুপ্রিম কোর্ট চলো’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিরোধী দলগুলির মঞ্চ ‘ইন্ডিয়া’। কর্মসূচি শুরুর ঠিক আগে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী। তিনি বলেন, ‘‘জ্ঞানেশ কুমার এই সাংবাদিক বৈঠক দেখছেন। আন্দোলনের চাপে তাঁর ঘুম কমে গিয়েছে। তিনি ভয়ে আছেন।’’ রাহুলের দাবি, নির্বাচন কমিশনের কাজে পুলিশকর্মীরাও সন্তুষ্ট নন। তাঁরা আন্দোলনকারীদের বলেছেন, এই আন্দোলন পুরোপুরি ঠিক।
সোমবার বিকেলে এসআইআরে অনিয়মের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বাসযাত্রা ও মিছিল করে গিয়ে (যদিও মাঝপথে তা আটকে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ ও আধাসেনা বাহিনী) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন রাহুল-সহ ১১ জন বিরোধী নেতা। রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, উদ্ধব ঠাকরেপন্থী শিবসেনা (ইউবিটি)-র নেতা সঞ্জয় রাউত, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি, সিপিআই সাধারণ সম্পাদক ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেত্রী মহুয়া মাজি, শরদ পওয়ারপন্থী এনসিপি (এসপি) নেত্রী সুপ্রিয়া সুলে এবং আইইউএমএল নেতা ইটি মহম্মদ বশির। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে সেই জনস্বার্থ আবেদনের শুনানি হতে পারে।
অন্য দিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সেই মন্ত্রকেরই নিয়ন্ত্রিত দিল্লি পুলিশ নির্দেশিকা দিয়েছে, যন্তর মন্তরে জ্ঞানেশ বিরোধী অবস্থান-বিক্ষোভ করতে দেওয়া হবে না ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-কে। যন্তর মন্তরের বদলে রাজধানীর তিনটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে— রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ, পূর্ব দিল্লির সিবিডি। এ বার থেকে ওই তিন জায়গায় কর্মসূচি পালন করা যাবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির জন্য আবার অনুমতি চেয়ে সোমবার থানায় গিয়েছিলেন ককরোচ প্রতিনিধিরা। তা নিয়ে টানাপড়েনের মাঝেই ওই নির্দেশিকা প্রকাশ্যে এসেছে সোমবার। তার পরেই ককরোচ প্রধান অভিজীত দিপকের দাবি, এ বার পুরো দেশই যন্তর মন্তর হবে। প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের জারি করা নির্দেশে যন্তর মন্তরকে ‘বিক্ষোভের স্থান’ হিসেবে বাতিল করা হয়েছে। নির্দেশিকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের জন্য নতুন যে তিনটি জায়গার কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে রামলীলা ময়দান পুরনো দিল্লিতে। সিবিডি মাঠ পূর্ব দিল্লিতে। বুরারি ময়দান উত্তর দিল্লিতে। মধ্য দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে এই তিন মাঠ যথাক্রমে ৩ কিলোমিটার, ১৩.৫ কিলোমিটার এবং ৪৪ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। চলতি বছর, ২৮ এপ্রিল দিল্লি পুলিশের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে প্রতিবাদস্থল হিসাবে যন্তর মন্তরকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। এ বার সেই নির্দেশিকায় বদল আনা হল।
রাহুল বচনে ‘চোর জ্ঞানেশ’ ও দিল্লি পুলিশ
‘সুপ্রিম কোর্ট চলো’ কর্মসূচির আগে সোমবার দুপুরে কংগ্রেস সদর দফতরে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল। সেখানেই তিনি দাবি করেন, ভয়ে রাতে ঘুমোতে পারছেন না দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ। তিনি সাংবাদিক বৈঠকটিও দেখছেন বলে দাবি করেন রাহুল।
রাহুল বলেন, “জ্ঞানেশ কুমার ভয়ে আছেন। রাতে ঘুমোতে পারছেন না।” একই সঙ্গে রাহুলের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, “বার্তা আসছে। উনি (জ্ঞানেশ) নিজেও এই সাংবাদিক বৈঠক দেখছেন।” জ্ঞানেশকে কী বার্তা দিতে চান, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে রাহুল বলেন, “রাজসাক্ষী হয়ে যান। পদত্যাগ করুন। সেটাই হবে আপনার দেশসেবা। আপনি (জ্ঞানেশ) অপরাধ করেছেন। কিন্তু সত্যি বলতে কী, আপনি মূল অপরাধী নন। আপনি ভুল করেছেন। কিন্তু এই ভুলের নেপথ্যে আপনার মস্তিষ্ক নেই। আমরা জানি, আপনি কী পরিমাণ চাপের মধ্যে রয়েছেন।”
রাহুলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, শিল্পপতি গৌতম আদানি জ্ঞানেশের উপর চাপ সৃষ্টি করছেন। জ্ঞানেশ পদত্যাগ না-করলে এবং দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার না-হলে আন্দোলন থেকে না-সরার বার্তা দিয়েছেন রায়বরেলীর কংগ্রেস সাংসদ। রাহুলের কথায়, “সংবিধান আক্রান্ত হচ্ছে। এই প্রতিরোধ একদিনের নয়। আমরা থামব না। এটা চলবে। জনআন্দোলন হবে এটা।” রাহুলের দাবি মোদী সরকারের অন্তত ২০০ জন আধিকারিক বিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তথ্য সরবরাহ করছেন।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বলতে চাই, আপনার সরকারের ২০০ জন আধিকারিক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁরা আমাদের হাতে তথ্য তুলে দিচ্ছেন।’’ রাহুলের এ-ও দাবি যে, ৫০ শতাংশ পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন যে, বিরোধীরা ঠিক কাজ করছেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়া উচিত। সেই সঙ্গে তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য— ‘‘আপনারা হয়তো ভাবছেন আমাদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। কারণ, পুলিশ আমাদের মারধর করছে। আপনারা যেমন ক্লান্ত, তাঁরাও (পুলিশ) তেমনই ক্লান্ত। পুলিশকর্মীরাও প্রশ্ন তুলছেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারের মতো এক জন চোরকে আমরা কেন রক্ষা করছি’? ফলে আমাদের নিজেদের অবস্থানে দৃঢ় থাকতে হবে। আমরা থামব না। এতে কত সময় লাগবে, দিন, সপ্তাহ, মাস নাকি এক বছর, তা নিয়ে ভাবছি না।’’
‘ইন্ডিয়া’র কর্মসূচিতে ব্যাটম্যান রাহুল
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সোমবার ‘সুপ্রিম কোর্ট চলো’ কর্মসূচি করল বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। আর সেখানে নজর কাড়লেন ব্যাটম্যানের মুখোশ পরা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল। সোমবার ‘ইন্ডিয়া’র ডাকে ‘সুপ্রিম কোর্ট চলো’ কর্মসূচি চলাকালীন কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই কর্মীরা ওই মুখোশ বিলি করেছিলেন। প্রসঙ্গত, ১৯৩৯ সালে সৃষ্ট আমেরিকার ‘ডিসি কমিকস’-এর জন্য তাঁরা এই কাল্পনিক সুপারহিরোর ব্যবহার কংগ্রেসের সমাজমাধ্যম প্রচারের অন্যতম অনুষঙ্গ, যার মাধ্যমে রাহুলকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে যোদ্ধা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বৈঠকে বসেন বিরোধী নেতারা। সেই বৈঠকে ছিলেন রাহুল, প্রিয়ঙ্কা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদবেরা। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে জ্ঞানেশ কুমারকে কটাক্ষ করেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল। তার পরেই একটি বাসে চেপে যাত্রা শুরু করেন বিরোধী নেতারা। সেই বাসে ছিলেন বাম ছাত্র সংগঠন ‘আইসা’র নেত্রী নেহা বোরাও। সেই বাসের পিছনে মিছিল করে হাঁটতে থাকেন হাজার হাজার কর্মী। কিছু ক্ষণ পরে বারাখম্বার কাছে বাস থেকে নেমে কর্মীদের সঙ্গে রাহুল, প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বাড্রা, নেহারাও হাঁটতে শুরু করেন। ভগবান দাস মার্গে আটকে দেওয়া হয় বিরোধী জোটের মিছিল। সেখানে মানবশৃঙ্খল গড়ে দাঁড়িয়ে পড়েন আধাসেনা জওয়ানেরা। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে যান রাহুলেরা। তার পরে সেখান থেকে বেরিয়ে রওনা দেন খড়্গের বাড়ির উদ্দেশে। সেখানে বৈঠক করেন বিরোধী জোটের নেতারা।
ভগবান দাস মার্গে দিল্লি পুলিশ মিছিল আটকানোর পরে রাহুল, অখিলেশ, তেজস্বীকে একটি ট্রাকের মাথায় চাপতে দেখা যায়। দিল্লি পুলিশ মিছিলকারীদের আটকানোয় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বড় কোনও অশান্তি হয়নি। শনিবার সিজেপির কর্মসূচির আগে থেকেই দিল্লিতে মোতায়েন রয়েছে কড়া নিরাপত্তা। ২০ হাজার আধাসেনা রয়েছে রাজধানীতে। আগামী এক মাস তা থাকবে। শনিবারের পরে সোমবারও বন্ধ রাখা হয় দিল্লির ছ’টি মেট্রো স্টেশন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত তা বন্ধ রাখা হয়। তার পরে খুলে দেওয়া হয় সব স্টেশন।
সুপ্রিম কোর্টে ‘ইন্ডিয়া’র ১১
এসআইআরে অনিয়মের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন রাহুল-সহ বিরোধী জোটের ১১ নেতা-নেত্রী। এসআইআরের মাধ্যমে ভোটারদের নাম বাদ যাওয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার মামলা করেছেন তাঁরা। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু মামলার শুনানি রয়েছে। রাহুলের দায়ের করা মামলাটিও সেগুলির সঙ্গেই শুনানি হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। বিরোধীদের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাহুল। জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে কেন্দ্রের উপর চাপ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। সোমবার রাহুলদের পরিকল্পনা ছিল, প্রধান বিচারপতি কান্তের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে। কিন্তু প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকার করেন এবং সাধারণ মামলাকারীর মতো আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হতে বলেন। এর পরই রাহুলেরা একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন দাখিল করার সিদ্ধান্ত নেন। নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে রাহুল সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছতে না পারায় তাঁর হয়ে আইনজীবী প্রসন্ন পিটিশনটি দাখিল করেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রিতে সোমবারই এই পিটিশনটি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কোনও ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে মঙ্গলবার শুনানির জন্য বিষয়টি তালিকাভুক্ত করা যায়। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চেই পিটিশনটির শুনানি হতে পারে।
তবে সূত্রের খবর, এসআইআর-এ অনিয়মের অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করে ‘ইন্ডিয়া’র পিটিশনটির রেজিস্ট্রি ফাইলিংয়ে ১৪টি ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে। সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের অধীনে দায়ের করা একটি রিট পিটিশনে পৃথক নির্বাচন কমিশনারদের কেন বিবাদী হিসাবে নাম দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে রেজিস্ট্রি ব্যাখ্যা চেয়েছে। এটি অনুপস্থিত অনুমোদন, অপর্যাপ্ত ডকুমেন্টেশন এবং আদালতের ফি-র ঘাটতিকেও চিহ্নিত করেছে।
চিহ্নিত ত্রুটিগুলির মধ্যে, রেজিস্ট্রি আবেদনকারীদের কংগ্রেস সভাপতি খড়্গের পরিচয়পত্রের একটি স্পষ্ট, পাঠযোগ্য অনুলিপি জমা দিতে বলেছে। আদালতের ফি কম দেওয়া হয়েছে বলেও চিহ্নিত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যেখানে ৩ থেকে ১১ নম্বর আবেদনকারীদের জন্য ওকালতনামা (মামলাকারীর প্রতিনিধিত্ব করার জন্য এক জন অনুমোদিত আইনজীবী) অনুপস্থিত। কারণ ওকালতনামায় স্বাক্ষর করেননি ১১ জনের মধ্যে ন’জন— সৌগত রায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, সঞ্জয় রাউত, এমএ বেবি, ডি রাজা, মহুয়া মাজি, সুপ্রিয়া সুলে এবং ইটি মহম্মদ বশির।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকেই জ্ঞানেশের অপসারণের দাবিতে সর্বাত্মক আন্দোলনের ঘোষণা করা হয়েছিল। মঙ্গলবার বিরোধী জোটের সাংসদেরা নির্বাচন সদন অভিযান করছেন। বুধবারের বিক্ষোভের অভিমুখ ছিল যন্তর মন্তর। আগামী শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে মেগা সমাবেশ রয়েছে ‘ইন্ডিয়া’র। পাশাপাশি, রাষ্ট্রপতির কা গিয়েও ছেও জ্ঞানেশের ‘বেআইনি কার্যকলাপ’-এর খতিয়ান পেশ করেছেন বিরোধী নেতা-নেত্রীরা। তবে সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিল শুরু করেছেন রাহুলরা, ঠিক সেই সময়ে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ‘ইন্ডিয়া’র অন্যতম প্রধান শরিক কংগ্রেসকে তুলোধনা করল বিজেপি। নেতৃত্বের ‘দুর্বলতা’ নিয়ে বিঁধল কংগ্রেস শিবিরকে। বিজেপির দাবি, “নির্বাচন কমিশন নয়, দিশাহীন নেতৃত্বের জন্যই ভোটে হারছে কংগ্রেস।”
