সার ও সেচের খরচ বেড়েছে, লোকসানের শঙ্কায় লালমনিরহাটের আলুচাষিরা
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
- আপডেট সময় : ০৯:০০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সার, কীটনাশক ও সেচের খরচ বেড়ে যাওয়ায় লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন লালমনিরহাটের আলুচাষিরা। উৎপাদন খরচ বাড়লেও আলুর ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই সার ও কীটনাশকের দাম বেশি। কোথাও কোথাও বেশি দামেও সার কিনতে হয়েছে তাঁদের। পাশাপাশি ডিজেলের দাম বাড়ায় চরাঞ্চলের জমিতে সেচ দিতে আগের তুলনায় বেশি খরচ হচ্ছে। সেচ ও সার প্রয়োগের মৌসুম সামনে রেখে বাড়তি ব্যয় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষক ও বর্গাচাষিরা।
কৃষকেরা জানান, সমতলের তুলনায় চরাঞ্চলের জমিতে সার ও সেচের প্রয়োজন বেশি। প্রতি বিঘা জমিতে আলু রোপণ থেকে তোলা পর্যন্ত এসব খাতেই বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়। বর্তমান বাজারদরে সার ও সেচের খরচ গত কয়েক বছরের তুলনায় বিঘাপ্রতি কয়েক হাজার টাকা বেড়েছে। এতে আলুর মোট উৎপাদন খরচও বাড়ছে।
হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের আলুচাষি মহুবার বলেন, “সার ও সেচের যে দাম, তাতে এবার আলু চাষ করে লাভ করা তো দূরের কথা, আসল টাকা উঠবে কি না, তা নিয়েও চিন্তায় আছি। গত বছরও ন্যায্যমূল্য পাইনি, এবার খরচ আরও বেশি।”
কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, উৎপাদন খরচ বাড়তে থাকলে কৃষকেরা আলু চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন। এ পরিস্থিতিতে সার ও সেচের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে নজরদারি, কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং আলু বিক্রির সময় ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরি।
কৃষকদের করণীয় ও পরামর্শ জানতে চাইলে হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হারুন মিয়া বলেন, “নিউজ করবেন ভালো কথা, কিন্তু সব বিষয়ে কি বক্তব্য দিতে হবে?”
কৃষি কর্মকর্তার এমন মন্তব্যে কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
