মুর্শিদাবাদের কান্দি থেকে পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডাল। মা লক্ষ্মীর স্বপ্নাদেশে নতুন জায়গায় মায়ের প্রাণ প্রতিষ্ঠা। শুধু তাই নয়, সেখানেই বসবাস শুরু করে সিংহ পরিবার। পুজোর প্রচলন করেন সুধাকৃষ্ণ সিংহ। শুরুটা আজ থেকে প্রায় ১৭৮ বছর আগে। সেই থেকে এই গ্রামে হয় একটাই লক্ষ্মীপুজো। আর সেই পুজোকে ঘিরেই প্রতিবছর উৎসবের চেহারা নেয় খান্দরা গ্রাম।
সিংহ পরিবারের প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, প্রায় ১৭৮ বছর আগে পরিবারের সদস্য সুধাকৃষ্ণ সিংহ, মা লক্ষ্মীর স্বপ্নাদেশ পান। তাঁর নির্দেশ মেনে মুর্শিদাবাদের কান্দি থেকে অন্ডালের খান্দরা গ্রামে আসেন সুধাকৃষ্ণ সিংহ। পরবর্তী সময়ে এই গ্রামেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে সিংহ পরিবার। সেই থেকে বংশপরম্পরায় চলে আসছে দেবীর আরাধনা। আজও পরিবারের সদস্যরা প্রাচীন রীতি মেনেই পুজো করে আসছেন।
সিংহ পরিবারের এই পুজোই গ্রামের একমাত্র লক্ষ্মীপুজো। পুজো উপলক্ষে তিনদিন নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা ভিড় জমান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই পুজো হয়ে উঠেছে সামাজিক মিলনমেলারও অন্যতম কেন্দ্রও। পরিবারের সদস্য উত্তম সিনহা বলেন, “মা জাগ্রত। আমাদের এক বংশধরকে স্বপ্নাদেশ দিয়েছিলেন। আমাদের বংশধর কান্দি থেকে এসে মাকে প্রতিষ্ঠা করেছিল। গ্রামবাসী সিংহ পরিবারের পুজোয় একসঙ্গে মেতে ওঠেন।”
