ত্রিদেশীয় সিরিজ জিততে চায় আফগানিস্তান
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সংযুক্ত আরব আমিরাতের কন্ডিশন আফগানিস্তানের বেশ পরিচিত। দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ স্পিনাররাও। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে ঘুরে দাড়ানোর আত্মবিশ্বাসও রয়েছে তাদের। সব মিলিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী আফগানিস্তান।
আফগান অধিনায়ক রহমত শাহ মনে করেন, আবুধাবি ও শারজায় নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা তাদের এগিয়ে রাখবে। এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে শিরোপা জিততে চায় দলটি। আজ (১৭ অক্টোবর) থেকে আবুধাবিতে শুরু হতে যাওয়া এই ত্রিদেশীয় সিরিজের অপর দুই দল বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে।
সিরিজ শুরুর আগে নিজেদের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে আফগান অধিনায়ক রহমত শাহ স্পষ্ট করেই নিজেদের ফেভারিট হিসেবে তুলে ধরেছেন, ‘এই টুর্নামেন্টে আফগানিস্তানই ফেভারিট দল। কারণ, আমরা আমাদের বেশির ভাগ ম্যাচই সংযুক্ত আরব আমিরাতে খেলি, যার সিংহভাগ হয় আবুধাবি কিংবা শারজায়। তাই এখানকার কন্ডিশন বিবেচনায় আমরা সুবিধাজনক অবস্থানে আছি।’
তবে প্রতিপক্ষদের হালকাভাবে দেখছেন না আফগান অধিনায়ক। তার মতে, তিন দলই ভালো প্রস্তুতি নিয়ে টুর্নামেন্টে নামছে। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট দেখার প্রত্যাশা করছেন তিনি।
আফগানিস্তানের আত্মবিশ্বাসের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশের বিপক্ষে সদ্য শেষ হওয়া টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোর স্মৃতি। ম্যাচের বড় একটা সময় পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ড্র আদায় করে নেওয়াকে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন রহমত।
রহমতের ভাষায়, ‘এটি একটি ঐতিহাসিক ম্যাচ, যেখানে আমরা দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। মাঝপথে আমরা বেশ ভুগেছি, কিন্তু শেষ দেড় দিনে আমাদের ব্যাটাররা যেভাবে ব্যাটিং করেছে, বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও যেভাবে লড়েছে, তার পুরো কৃতিত্ব ছেলেদেরই প্রাপ্য। বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে ছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ড্র করা অনেক বড় অর্জন।’
আফগান অধিনায়কের আশা, টেস্টের এই ফল ওয়ানডে সিরিজে দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস ও প্রেরণা জোগাবে। সেই সঙ্গে রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবীর দলে ফেরায় দলকে বাড়তি শক্তি দেবে বলে মনে করছেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে ওয়ার্কলোড ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বিশ্রামে ছিলেন রশিদ এবং অভিজ্ঞ নবী।
তিনি বলেন, ‘নবী ও রশিদ দুজনেই বিশ্বমানের খেলোয়াড় এবং তারা তা বারবার প্রমাণ করেছেন। আমরা যতগুলো টেস্ট ম্যাচ জিতেছি, তার অনেকগুলোতেই রশিদ অন্যতম প্রধান কারণ ছিল। ওয়ানডেতে তাদের দুইজনকে পাওয়াটা আমাদের জন্য বিশাল সুবিধা হবে।’
আরও পড়ুন
ম্যাচ পাতানোয় ২০৫০ সাল পর্যন্ত নিষিদ্ধ!
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->টেনিসে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০৫০ সাল পর্যন্ত নিষিদ্ধ হয়েছেন সার্বিয়ার টেনিস খেলোয়াড় স্টেফান মিলিসেভিচ। শুধু নিষেধাজ্ঞাই নয়, তাকে গুনতে হবে ৭০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানাও।
ম্যাচ পাতানোর মাধ্যমে ‘দুর্নীতির নেটওয়ার্ক’ পরিচালনার দায়ে ২৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে এমন কঠোর শাস্তির ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক টেনিস ইন্টেগ্রিটি এজেন্সি (আইটিআইএ)।
বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে আইটিআইএ জানায়, ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ছয়টি ম্যাচ পাতিয়েছেন মিলিসেভিচ। এর মধ্যে পাঁচটি ম্যাচেই তিনি নিজে খেলেছিলেন। এ ছাড়া আরও ছয়টি ম্যাচ পাতানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
মিলিসেভিচের বিরুদ্ধে শুধু ম্যাচ পাতানোর অভিযোগই নয়, অন্য পেশাদার খেলোয়াড়দেরও এই অনিয়মে যুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। আইটিআইএর ভাষ্য অনুযায়ী, একই সময়ে একাধিক পেশাদার খেলোয়াড়কে নিয়োগ দেওয়া কিংবা নিয়োগের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তার গড়ে তোলা দুর্নীতির নেটওয়ার্কের কারণে আরও কয়েকজন খেলোয়াড় ম্যাচ পাতানোর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
মিলিসেভিচের সর্বোচ্চ এটিপি র্যাঙ্কিং ছিল ১ হাজার ৩৩৮। তদন্ত চলাকালে তিনি আইটিআইএর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি কিংবা তদন্তে সহযোগিতা করেননি বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। এসব অপরাধের শাস্তি হিসেবে তাকে ২৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা ও ৭০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মিলিসেভিচের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ থাকবে। আইটিআইএ জানিয়েছে, এই সময়ে ওয়ার্ল্ড টেনিস, ডব্লিউটিএ, এটিপি, গ্র্যান্ড স্লাম কিংবা কোনো জাতীয় টেনিস সংস্থার আয়োজিত বা অনুমোদিত প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবেন না তিনি। এমনকি এসব প্রতিযোগিতায় কোচিং করানো কিংবা দর্শক হিসেবেও উপস্থিত থাকার অনুমতি থাকবে না তার।
২০৫০ সালের ৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে মিলিসেভিচের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। অর্থাৎ, প্রায় ৫৩ বছর বয়সে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাওয়ার কথা তার।
অনিক/
আরও পড়ুন
সিনিয়র ব্যাটারদের দায়িত্ব নিতে বললেন লিটন
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ এএম
ছবি: বিসিবি
-->বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটে সাম্প্রতিক ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে সিনিয়র ব্যাটারদের আরও বেশি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অধিনায়ক লিটন দাস। আজ (১৭ অক্টোবর) আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর ২১ অক্টোবর স্বাগতিক আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে টিম টাইগার্স।
সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিং পারফরম্যান্স উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজেদের সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একটিতেও পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারেনি বাংলাদেশ। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজেও ইনিংস শেষ করতে গিয়ে একই ধরনের সমস্যায় পড়েছিল দলটি।
লিটন বলেন, ‘সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। এখানে (আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে) আমরা ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারিনি, জিম্বাবুয়েতেও পারিনি। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো, টপ অর্ডারের ছয়-সাতজনের মধ্যে যারা ব্যাটিং করি, তাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন আমরা ম্যাচ শেষ করে আসতে পারি।’
আগের ব্যর্থতা নিয়ে পড়ে থাকতে চান না বাংলাদেশের অধিনায়ক। বরং সতীর্থদের ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রেখে সামনের চ্যালেঞ্জগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
লিটন বলেন, ‘আগে যা হয়েছে, তা আমাদের প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু আমরা আগে খারাপ খেলেছি, আবারও খারাপ খেলব—এমন বিষয় নিয়ে পড়ে থাকতে পারি না। আমাদের মানসিকতা ইতিবাচক রাখতে হবে এবং ইতিবাচক ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করতে হবে।’
অনিক/
আরও পড়ুন
লিওনেল মেসির পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম প্রীতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ কে?
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ এএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->একটি যুগের সমাপ্তি। এবার নতুন শুরুর অপেক্ষা। লিওনেল মেসিকে ছাড়াই মাঠে নামতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। আসন্ন ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে আলবিসেলেস্তেদের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা। এই দুই ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে নতুন পথচলা।
আগামী ১৩ নভেম্বর বুয়েনস আইরেসে রিও দে লা প্লাতার ঐতিহ্যবাহী ডার্বিতে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’-এর তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচটি লা বোম্বোনেরায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কোস্টারিকার বিপক্ষে। ১৭ নভেম্বর কর্দোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে এই ম্যাচটি মাঠে গড়াবে। এর আগে নিজেদের সবশেষ সফরে কর্দোবায় বলিভিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের এই প্রীতি ম্যাচগুলো অফিশিয়ালি ‘মেসি-পরবর্তী যুগ’-এর সূচনা করবে। মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের হয়ে নিজের অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনেছেন মেসি।
অন্যদিকে, আসন্ন এই ট্রেনিং ক্যাম্পেই কোচ লিওনেল স্কালোনির চুক্তি নবায়নের বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে। বেনিনের বিপক্ষে ওই ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ‘সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আমি কোচ হিসেবে চালিয়ে যাব।’
ক্রিশ্চিয়ান ‘কুটি’ রোমেরোকে নতুন অধিনায়ক করে নামা স্কালোনি ২০২৭ সালের মার্চে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের আগে দলের বিভিন্ন কম্বিনেশন ও একাদশ ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন এই দুই ম্যাচে।
পাপ্পু/
আরও পড়ুন
লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি রিয়াল মাদ্রিদের
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রেফারিদের নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত স্প্যানিশ ফুটবল। রেফারিদের সমালোচনায় রিয়াল মাদ্রিদের কৌশলকে নাৎসি জার্মানির প্রচারণার সঙ্গে তুলনা করেছেন লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস। জবাবে তার অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে রিয়াল মাদ্রিদের তীব্র সমালোচনা করেন তেবাস। তার অভিযোগ, ক্লাবটির নিজস্ব টেলিভিশন চ্যানেলে নিয়মিতভাবে রেফারিদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরে। এতে ম্যাচ পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে সন্দেহ তৈরি হয়।
তেবাসের মতে, এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল। তিনি এর সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রচারণার কৌশলের তুলনা করেন।
তেবাস লিখেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদের নির্বাহী পদে এমন একটি চক্র আছে যারা সুর মেলায়, আর রিয়াল মাদ্রিদ সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়। তাদের স্ক্রিপ্ট সবসময় একই: নিজেদের পক্ষে যাওয়া সিদ্ধান্তগুলো বেছে নাও, তথাকথিত ক্ষোভগুলোকে বার বার তুলে ধরো, সন্দেহ বৃদ্ধি করো এবং শত্রুদের চিহ্নিত করো। এটি গোয়েবলসের ব্যবহৃত প্রোপাগান্ডা কৌশলের কথা মনে করিয়ে দেয়।’
ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেসের সঙ্গে বছরজুড়ে একাধিকবার বিরোধে জড়ানো তেবাসের এই বক্তব্যের জবাব দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ক্লাবটি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘হাভিয়ের তেবাসের এই পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ তার নিরপেক্ষতা, সম্মান ও আনুগত্যের অভাবকে ফুটিয়ে তোলে, যা তার প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ। রিয়াল মাদ্রিদ এবং যারা স্বচ্ছতা ও সংস্কারের দাবি জানাচ্ছে, তাদের ওপর তার এই ক্রমাগত আক্রমণ আমাদের ক্লাবের মতে স্প্যানিশ ফুটবলের জন্য একটি সত্যিকারের অভিশাপ।’
একই সঙ্গে তেবাসের ‘অবিলম্বে পদত্যাগ’ দাবি করেছে রিয়াল।
রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। ক্লাবটির দাবি, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাদের বিপক্ষে নিয়মিত ভুল সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনহোও অতীতে রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এর আগেও তেবাসের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে রিয়াল। গত সেপ্টেম্বরে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ২-১ গোলে হারের পর রেফারিদের সমালোচনা করেছিল ক্লাবটি। তখনও রিয়ালের আচরণের সমালোচনা করেছিলেন লা লিগা সভাপতি। জবাবে তার পদত্যাগ দাবি করেছিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
পাপ্পু/
