জুলাই অভ্যুত্থানের পর অলৌকিক কোনো এক মহিমায় সারা দেশে অটোরিকশার সংখ্যা বাড়ল জ্যামিতিক হারে—একদম যেন আলাদিনের চেরাগের কেরামতি। এই অভূতপূর্ব অটোরিকশা-বিস্ফোরণের সঙ্গে অভ্যুত্থানের রসায়নটা ঠিক কী, তা নিয়ে গবেষণার গুরুভার না হয় সমাজবিজ্ঞানীদের কাঁধেই সোপর্দ করা গেল। তবে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা অটোরিকশার প্রবৃদ্ধির ফসল সাধারণ মানুষের পিঠ যেভাবে ছিলে দিচ্ছে, তার একটা জ্বলন্ত নমুনা মিলল আমার পরিচিত এক প্রাইভেটকারচালকের মুখে।
গত ৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে অটোরিকশাচালকদের সুসংগঠিত বাহিনী যখন বীরদর্পে মতিঝিলের দিকে মার্চ করছিল, তখন তাদের গর্জন ছিল, ‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে।’ ওই দিন বিকেলে অফিসের নিচে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে পূর্বপরিচিত সেই প্রাইভেটকারচালক ভাইটি অটোরিকশার এই ‘গণতান্ত্রিক’ শাসনব্যবস্থা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার বিবরণ দিলেন।
তার সেই জবানবন্দিটা হুবহু তুলে ধরা দরকার, কারণ রাজপথের বর্তমান সুশাসনের চেহারাটা এই বক্তব্যের ভেতরে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে, “আগে রাস্তায় বের হইলে ট্রাফিক পুলিশরে ভয় পাইতাম। মনে করেন যে, গাড়ির কাগজপত্রে কিছু ঝামেলা তো থাকেই। টুকটাক নিয়ম তো ভাঙিই। চাইলেই পুলিশ আটকাইতে পারে। জরিমানাও দিছি অনেক। কিন্তু বিশ্বাস করেন, এখন ট্রাফিক পুলিশের চাইতে বেশি ভয় পাই অটোওয়ালাদের। এমনভাবে চালায়। ধরেন সে উল্টাপথে আইসা অথবা ধরেন পাশ দিয়া এমনভাবে গাড়িতে একটা ঘসা দিয়া গেল যে, আমার দশ হাজার টাকা নাই। তাগোরে কিচ্ছু কওন যায় না। পুলিশও তাগোরে ধরে না। কিছু জিগায় না।”
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা বা অটোরিকশাগুলো এখন কতটা ভয়ের বাহনে পরিণত হয়েছে, এই মন্তব্যের ভেতরে তার কিছুটা আঁচ রয়েছে। তার মানে কি রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ থেকে অটোরিকশা তুলে দিতে হবে? নিশ্চয়ই না। তার চেয়ে বড় প্রশ্ন, সরকার চাইলেই কি এখন অটোরিকশা তুলে দিতে পারবে? সে প্রশ্নের উত্তরও ‘না’। অনেক সময় রাজধানীতে এই ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোর বেপরোয়া গতি এবং চালকদের উদ্ধত আচরণ দেখে মনে প্রশ্ন জাগে, পুলিশ এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয় না কেন? কীভাবে তারা শাহবাগ থেকে বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত—যে সড়কটি ‘ভিআইপি সড়ক’ হিসেবে পরিচিত, সেখানেও চলাচল করে? এমনকি এই সড়কে অনেক সময় তাদের উল্টো পথেও চলতে দেখা যায়। অথচ প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, বাস ও ট্রাককে ট্রাফিক পুলিশ নিয়মিত আটকায়, কাগজপত্র যাচাই করে, মামলা দেয়। অপরদিকে অনিবন্ধিত অটোরিকশাগুলো অবৈধভাবে ভিআইপি সড়কেও চলছে, কিন্তু পুলিশ কিছু বলে না। তার কারণ কি এই যে, পুলিশও এদের ভয় পায়? এই প্রশ্নের উত্তর সম্ভবত ‘হ্যাঁ’।
তৃতীয় প্রশ্ন, পুলিশ কি আসলে ভয় পায়, নাকি এখানে তাদেরও নিজস্ব কোনো স্বার্থ আছে? কিংবা তারা মনে করে যে, লাখ লাখ অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে তারা একযোগে রাস্তায় নামবে এবং আন্দোলন গড়ে তুলবে—যে আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সংসদের ভেতরের ও বাইরের বিরোধী শক্তিগুলো ঢুকবে এবং একে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করবে; অতএব তাদের না ঘাটানোই ভালো! এই প্রশ্নের উত্তরও সম্ভবত ‘হ্যাঁ’। কেননা চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারও রাজধানী থেকে অটোরিকশা তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল, কিন্তু সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। অভ্যুত্থানের পর সারা দেশে অটোরিকশার সংখ্যা শনৈ শনৈ বাড়তে শুরু করে। অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো দেড় বছরে এবং বিএনপি সরকারের গত সাত মাসে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তবে অদ্ভুত বিষয় হলো, গত ৫ অক্টোবরের মিছিল থেকে অটোরিকশাচালকরা যে স্লোগান দিল—‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’—এর মধ্য দিয়ে তারা মূলত দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাল; একটি অন্যায় করার ‘লাইসেন্স’ চাইল। কেননা কোন সড়কে কোন ধরনের যানবাহন চলবে এবং কোন সড়কে কোন ধরনের বাহন নিষিদ্ধ—সেটি ঠিক করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ও ট্রাফিক বিভাগের। কিন্তু যখন কোনো গোষ্ঠী স্লোগান দেয় ‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’, তার অর্থ দাঁড়ায়—তাদের কোনো সড়কে বাধা দেওয়া যাবে না; তারা দেশের সকল আইনকানুন ও নিয়মের ঊর্ধ্বে! তাদের ধরা যাবে না, অন্যায় করলে তাদের আটকানো যাবে না; আটক করলে সদলবলে রাস্তায় নেমে মিছিল করবে এবং সরকারকে হুমকি দেবে।
‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’—এই স্লোগান শুনে কেউ কেউ রসিকতা করে বলছেন, সুযোগ থাকলে অটোরিকশাচালকরা নাকি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং বিমানবন্দরের রানওয়েতেও রিকশা নিয়ে ঢুকে যেতেন! ভবিষ্যতে এই দাবিও হয়তো তারা জানাবেন!
জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো দেড় বছর বাংলাদেশ কার্যত একটি ‘দাবি আদায়ের দেশে’ পরিণত হয়। আনসার, শিক্ষক, নার্স, জুলাই যোদ্ধা ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসহ নানা সংগঠনের ব্যানারে প্রায় প্রতিদিনই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন অব্যাহত থাকে। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, যে কেউ দাবি নিয়ে রাস্তায় নামলেই যেন সরকার সেই দাবি মেনে নিতে বাধ্য! দাবি আদায়ের নামে এই সময়ে অনেক ‘মব সহিংসতার’ ঘটনাও ঘটেছে। সেই ধারাবাহিকতায় অটোরিকশাচালকদের আন্দোলনে যে প্রশ্নটি সামনে এসেছে তা হলো—হঠাৎ করে দেশে অটোরিকশার সংখ্যা এত বেড়ে গেল কেন? অন্য খাত থেকে বেকার হওয়া মানুষগুলোই কি এখন অটোরিকশায় জীবিকার নতুন উৎস খুঁজে পেয়েছেন, নাকি ঢাকার বাইরে কাজের সুযোগ ও আয় কমে যাওয়ায় দলে দলে মানুষ ঢাকায় এসে সবচেয়ে সহজ কাজ হিসেবে অটোরিকশা চালানোকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন?
একটি শহরে—বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা শহরেই বা সর্বোচ্চ কত হাজার রিকশা ও অটোরিকশা প্রয়োজন? বিভিন্ন সড়ক, এমনকি অলিগলিতেও যে পরিমাণ অটোরিকশা চোখে পড়ে, তাতে অনেক সময় প্রশ্ন জাগে, একটি অটোরিকশার দৈনিক যে জমা/ভাড়া, সেটি দেওয়ার পর একজন চালকের সংসার চালানোর মতো আয় কি হয়? এত যাত্রী কি তারা পান? এত অটোরিকশার মালিকই বা কারা?
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অটোরিকশা বন্ধে সরকারি উদ্যোগের বিরোধিতা এসেছিল সাধারণ মানুষের তরফ থেকেই। তখন বলা হয়েছিল, পায়েচালিত রিকশার চেয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় পরিশ্রম কম এবং দ্রুত যাতায়াতের জন্য এটি ভালো; তা ছাড়া এতে যাতায়াত খরচও কিছুটা কমবে। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই অটোরিকশাই এখন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সমস্ত বড় শহরের জন্য বিরাট বোঝায় পরিণত হয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, মানুষের চেয়ে রিকশার সংখ্যাই যেন বেশি! অনেক রাস্তায় এদের দৌরাত্ম্যে হাঁটাও যায় না। উপরন্তু অটোরিকশাচালকদের বেপরোয়া আচরণ, অতিরিক্ত গতি এবং কাউকে পরোয়া না করার মানসিকতায় এটি এখন এক আতঙ্কের নাম। একই সঙ্গে রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব অটোরিকশা—যাদের কাছে খোদ পুলিশও যেন অসহায়! কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হলো এবং এ থেকে উত্তরণের পথই বা কী?
জুলাই অভ্যুত্থানের মাস তিনেক পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ঢাকা মহানগর পুলিশের তৎকালীন কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছিলেন, “এই সমাজে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য অটোরিকশা প্রয়োজন। আমাদের বাস্তবভিত্তিক চিন্তা করতে হবে। তবে যে হারে অটোরিকশা বাড়ছে, সেই হারে বাড়লে পুরো রাস্তা দখল করে ফেলবে। এরপর আপনারা কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারবেন না। এমনটা হতে দেওয়া যাবে না; এখনই ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”
কিন্তু বাস্তবতা হলো, অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো দেড় বছরে এবং বিএনপি সরকারের গত সাত মাসেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ একবার অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও পরে এ বিষয়ে সরকারের তরফে কোনো শক্ত পদক্ষেপ আসেনি। বরং গত ২০ মে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অসহায়ত্বের কথা অকপটেই স্বীকার করেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাটারিচালিত রিকশাকে কেন্দ্র করে একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শুধু পুলিশের পক্ষে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়; এ জন্য পুলিশ, সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”
প্রশ্ন হলো, অটোরিকশার মালিক কারা এবং কেন এর দৌরাত্ম্য বন্ধ করা যাচ্ছে না? একসময় যেমন রিকশার মালিক হতেন সমাজের প্রান্তিক বা কম শিক্ষিত লোকজন, এখন সেই ধারণা বদলে গেছে। অন্য পেশায় সফল বা ভালো উপার্জন করেন, এমনও অনেকে এখন অটোরিকশার মালিক। একটি অটোরিকশায় ৮০–৯০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে চালকদের কাছ থেকে দৈনিক ভাড়া নেওয়া হয় ৫০০ টাকা। যার ১০টি রিকশা আছে, তার দৈনিক আয় পাঁচ হাজার টাকা। শোনা যায়, অনেক ডাক্তার, প্রকৌশলী কিংবা অন্য অনেক পেশার লোক ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ১০টি অটোরিকশা নামিয়ে দিয়ে প্রতিদিন পাঁচ হাজার টাকা আয় করছেন। অন্য কোনো বিনিয়োগে এত দ্রুত এত বেশি মুনাফা আসে না—ব্যাংকে তো নয়ই! রাজধানীসহ সারা দেশে অটোরিকশার সংখ্যা বাড়ার এটিই প্রধান কারণ বলে মনে করা হয়। সবচেয়ে বড় নৈরাজ্য হচ্ছে, বাইসাইকেল ছাড়া যেকোনো যানবাহন রাস্তায় চলতে গেলেই লাইসেন্স লাগে; কিন্তু অটোরিকশার কোনো লাইসেন্স লাগে না, সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও লাগে না। গ্যারেজ থেকে নামিয়েই মূল সড়কে উঠিয়ে দেওয়া যায়। পুলিশ কিছু বলে না। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, বাস ও ট্রাকের কাগজপত্র যাচাই করা বা তারা নিয়ম মানছে কি না—এসব দেখার বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশ যতটা তৎপর, অটোরিকশার ব্যাপারে ততটাই নীরব, নির্লিপ্ত ও অসহায়!
এই নৈরাজ্যের সমাধান হতে পারে এভাবে:
১. জনসংখ্যার অনুপাতে সমন্বয়: একটি শহরে সর্বোচ্চ কতগুলো অটোরিকশা থাকবে, তার একটি হিসাব করতে হবে ওই শহরের জনসংখ্যার অনুপাতে। সেখানে পায়েচালিত রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশার ঘনত্বও বিবেচনায় নিতে হবে। অর্থাৎ গণপরিবহনের সব মাধ্যমের মধ্যে একটি সুষ্ঠু সমন্বয় ঘটাতে হবে।
২. নিয়ন্ত্রিত নিবন্ধন ও কঠোর নজরদারি: সংখ্যা নির্ধারণের পর নির্দিষ্ট সংখ্যক অটোরিকশাকে নিবন্ধন দেবে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। নির্দিষ্ট সংখ্যার বাইরে একটি রিকশাও যাতে নিবন্ধন না পায় এবং অনিবন্ধিত কোনো রিকশা যাতে রাস্তায় বের হতে না পারে, সে ব্যাপারে কঠোর মনিটরিং থাকতে হবে।
৩. সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ: সব ধরনের অটোরিকশার গতিসীমা নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। ওই নির্ধারিত গতির চেয়ে জোরে চালালেই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।
৪. রুট নির্ধারণ: রাজধানী ও বড় শহরের মূল সড়কে এসব অটোরিকশা চলতে পারবে না। এগুলো কেবল ছোট সড়ক ও অলিগলিতে চলবে।
৫. প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স: যেহেতু এগুলো পায়েচালিত রিকশার মতো ধীরগতির বাহন নয়, তাই অটোরিকশা চালাতে গেলে অন্যান্য যান্ত্রিক বাহনের মতো চালকের প্রশিক্ষণ এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক।
৬. আইনের কঠোর প্রয়োগ: ‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’—এই ধরনের অযৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অটোরিকশাচালকদেরও রাষ্ট্রের আইনকানুন মেনে চলতে হবে এবং নিয়ম ভাঙলেই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আমীন আল রশীদ: সাংবাদিক ও লেখক। ই-মেইল: aminalrasheed@gmail.com
