Published on
:
2 min read
সাত দিন জেল হেফাজতে থাকার পরে অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার, ২১ অক্টোবর দিল্লির এক স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেন। গত ১৩ অক্টোবর জোরপূর্বক দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশের কারণে তাঁদের গ্রেপ্তার করেছিল দিল্লি পুলিশ।
এক নজরে
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় আটক হন দু’জনে।
১৪ অক্টোবর থেকে সাত দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন তাঁরা।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে প্রতিবাদ।
দিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে মুক্তি।
ঘটনার দিন যন্তর মন্তরের প্রবেশপথ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও গেট টপকে ভিতরে প্রবেশ করেন CJP-র দুই নেতা বলে অভিযোগ। সেখানে জাতীয় পতাকা তুলে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। মূলত, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে বিতর্ক এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ছিল এই কর্মসূচির অংশ।
পুলিশের অভিযোগ ছিল, এর আগে শান্তি বজায় রাখার যে বন্ডে তাঁরা স্বাক্ষর করেছিলেন, এই ঘটনার মাধ্যমে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যাওয়ার সময়ে দুজনেই ফ্লাইট থেকে আটক হয়েছিলেন।
আদালত মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর, সিজেপি (CJP) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মন্দির মার্গ থানা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সৌরভ দাস বলেন, ‘সত্যের জয় হলো।’
গত ১৪ অক্টোবর তাঁদের আদালতে পেশ করা হলে প্রথমে পাঁচ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ১৯ অক্টোবর আরও দু’দিন হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।
FAQ
১. সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা কবে মুক্তির নির্দেশ পান?
২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার দিল্লির স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দেন।
২. তাঁরা কত দিন জেল হেফাজতে ছিলেন?
১৪ অক্টোবর থেকে সাত দিন বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
৩. কেন তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল?
পুলিশের অভিযোগ, যন্তর মন্তরের বন্ধ গেট টপকে ভিতরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এবং বিক্ষোভ দেখানোর মাধ্যমে তাঁরা শান্তি বজায় রাখার বন্ড লঙ্ঘন করেছিলেন।
৪. তাঁদের বিক্ষোভের মূল দাবি কী ছিল?
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে প্রতিবাদের পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তুলেছিল CJP।
৫. মুক্তি পাওয়ার অর্থ কি মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে?
না। মুক্তির নির্দেশ মানেই অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নয়। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া বা অন্য কোনও পদক্ষেপ হবে কি না, তা সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্দেশ ও মামলার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।
