সংবাদ · সাধারণ
চিংড়ির পরিচিত স্বাদে নতুনত্ব, পূজায় বানান কোলিওয়াড়া
১৮/১০/২০২৬

দুর্গাপূজা মানেই সাজগোজ, আনন্দ, আড্ডা আর জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। উৎসবের এই আমেজে খাবারের তালিকায় একটু ভিন্ন স্বাদ যোগ করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন মুচমুচে কোলিওয়াড়া চিংড়ি। পরিচিত চিংড়ির পদ থেকে আলাদা এই আয়োজনে থাকবে মসলার ঝাঁঝ আর বাইরের সোনালি, মুচমুচে আবরণের সঙ্গে ভেতরের রসালো স্বাদ।দুর্গাপূজার দুপুরে গরম ভাতের সঙ্গে কিংবা বিকেলে বন্ধু-পরিবারের আড্ডায় সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন এই পদ। ঘরেই সহজে তৈরি করতে জেনে নিন প্রয়োজনীয় উপকরণ ও প্রস্তুতপ্রণালি।তৈরিতে যা লাগবেমাঝারি আকারের চিংড়ি - আধা কেজিচালের গুঁড়া - ২ কাপমরিচ গুঁড়া - ১ চা চামচগরম মসলা গুঁড়া - ২ টেবিল চামচআদা বাটা - ১ টেবিল চামচরসুন বাটা - ১ টেবিল চামচধনেপাতা কুচি - ১ টেবিল চামচএকটি লেবুর রসলবণ - স্বাদমতোতেল - পরিমাণমতোযেভাবে তৈরি করবেন পূজার কোলিওয়াড়া চিংড়িমসলা মাখানোর প্রস্তুতিপ্রথমে চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে নিন। চাইলে লেজ রেখে দিতে পারেন। পিঠের কালো শিরা বের করে চিংড়িগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর পেপার টাওয়েল দিয়ে পানি মুছে শুকিয়ে রাখুন।একটি বড় পাত্রে মরিচ গুঁড়া, গরম মসলা, আদা বাটা, রসুন বাটা, ধনেপাতা কুচি ও লবণ নিন। এর সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে তৈরি করুন মসলার মিশ্রণ। এবার চিংড়িগুলো দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন, যাতে প্রতিটির গায়ে মসলা সমানভাবে লাগে। নিজের পছন্দ অনুযায়ী ঝালের পরিমাণ কমবেশি করতে পারেন।মুচমুচে আবরণ তৈরিমসলা মাখানো চিংড়িগুলো চালের গুঁড়ায় ভালোভাবে গড়িয়ে নিন। প্রতিটি চিংড়ির গায়ে যেন চালের গুঁড়ার আবরণ থাকে, তা নিশ্চিত করুন। এই আবরণই ভাজার পর চিংড়ির বাইরের অংশকে সোনালি ও মুচমুচে করতে সাহায্য করবে।গরম তেলে ভেজে নিনকড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল গরম হলে আঁচ মাঝারি করে অল্প অল্প করে চিংড়ি ছাড়ুন। প্রতিটি চিংড়ি প্রায় ৩ থেকে ৪ মিনিট ভাজুন। বাইরের অংশ সোনালি ও মুচমুচে হলে এবং চিংড়ি ভেতর পর্যন্ত সিদ্ধ হয়ে গেলে তুলে নিন।বেশি সময় ধরে ভাজবেন না। এতে চিংড়ি শক্ত হয়ে যেতে পারে। ভাজা চিংড়ি থেকে অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে নিন।পূজার আড্ডায় পরিবেশন করুন গরম গরমতৈরি হয়ে গেল মসলাদার কোলিওয়াড়া চিংড়ি। পছন্দের চাটনি বা সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন। পূজার দুপুরের ভোজ কিংবা বিকেলের আড্ডায় এই পদ হতে পারে খাবারের তালিকায় স্বাদ বদলের আয়োজন।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗