আরিফ পন্ডিত, বোরহানউদ্দিন ॥
ভোলার বোরহানউদ্দিনের টবগী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণে বাধা, হামলা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে টবগী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জসিম হাওলাদার ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে আব্দুল মান্নান তাঁর নিজ জমিতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এসময় জসিম হাওলাদার তার দলবল নিয়ে হামলা চালায় এতে আবদুল মান্নান( ৬০) গুরুতর আহত হয়।এমটাই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। তিনি বর্তমানে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেকসে ভর্তি আছেন।
ভুক্তভোগী জানান, জসিম চেয়ারম্যানের আত্মীয় জসিম রাঢ়ীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। তারা আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে আমাকে বিভিন্ন সময় গালিগালাজ, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হতো। জসিম হাওলাদার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ায় তাঁর পদ ও প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। একাধিকবার সালিস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও বিষয়টির সমাধান হয়নি।
তিনি আরো বলেন, তারা সংঘবদ্ধভাবে ঘটনাস্থলে এসে দেয়াল নির্মাণে বাধা দেন। তিনি বাধা দিতে নিষেধ করলে মো. জসিম হাওলাদার (৫০), পিতা নসু হাওলাদার; মো. জসিম রারী (৪০), পিতা মতলেব রারী; নুর ইসলাম (৩২), পিতা মতলেব রারী; মো. কামরুল (৩০), পিতা বেলায়েত; মো. খোকন (৩০)। ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে এবং মাটিতে ফেলে নাক-মুখে কিল-ঘুষি মারে। আমাকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় বড় একটি পাথর দিয়ে আমার মাথায় আঘাতের চেষ্টা করা হলে আমি বাম হাত দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করি এবং এতে আমার বাম হাতে জখম হয়।
আমার ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় আইনি ব্যবস্থা নিলে আমাকে জান-মালের ক্ষতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এবিষয়ে টবগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম হাওলাদার বলেন, আমি শালিস। আমি কেন তাদের মারতে যাবো। তারা আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করতেছে। তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য আমি সেখানে যাই।