ঐতিহ্যবাহী পুলি পিঠা ভেজে বা ভেপে, দুভাবেই তৈরি করা যায়।
Published : 25 Oct 2026, 01:50 PM
Updated : 25 Oct 2026, 01:50 PM
নারিকেলের পুরে ভরা রসে টইটম্বুর বা মচমচে পুলি পিঠা পছন্দ করেন না, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না হয়ত।
আর ঘরেই স্বাদের ঐতিহ্যবাহী পুলি পিঠা তৈরির সহজ রেসিপি দিয়েছেন রন্ধনশিল্পী মিতা খানম।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
রেসিপি অনুযায়ী পুলি পিঠা তৈরির উপকরণগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
পুর তৈরির জন্য: কোড়ানো নারিকেল ২ কাপ, আখের বা খেজুরের গুড় (বা চিনি) ১ কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা-চামচ এবং ১টি ছোট টুকরা দারুচিনি।
কাই বা ডো তৈরির জন্য: চালের গুঁড়া ২ কাপ, পানি ২ কাপ এবং সামান্য পরিমাণ লবণ।
পদ্ধতি
নারিকেলের সুস্বাদু পুর তৈরি
প্রথমে একটি প্যানে কোড়ানো নারিকেল ও পছন্দ অনুযায়ী গুড় বা চিনি একসঙ্গে দিয়ে দিন। এরপর মাঝারি আঁচে মিশ্রণটি অনবরত নাড়তে থাকুন। গুড় গলে নারিকেলের সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যখন শুকিয়ে আসবে, তখন তাতে সুগন্ধির জন্য এলাচ গুঁড়া ও দারুচিনি যোগ করুন। নারিকেল পুরোপুরি আঠালো হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ভালো করে ঠান্ডা করে নিতে হবে।
নরম ও মসৃণ কাই (ডো) তৈরি
একটি কড়াইতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ও সামান্য লবণ দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ফুটে উঠলে তাতে চালের গুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এরপর মৃদু আঁচে ৫ থেকে ৬ মিনিট দমে রাখুন। চুলা থেকে নামিয়ে মিশ্রণটি গরম থাকা অবস্থাতেই হাত দিয়ে চেপে ভালো করে মেখে একটি নরম ও মসৃণ ডো তৈরি করুন। হাত দিয়ে মাখার সুবিধার্থে প্রয়োজনে হাতে সামান্য পানি, তেল বা ঘি মেখে নেওয়া যেতে পারে।
পিঠা গড়া
তৈরি করা ডো বা কাই থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে গোল করে লুচির আকারে বেলে নিন। এবার লুচির ঠিক মাঝখানে আগে থেকে তৈরি করে রাখা নারিকেলের পুর দিয়ে দিন। পুর দেওয়া হলে দুই পাশ থেকে মুখ এনে ভালো করে চেপে বন্ধ বা সিল করে দিন। সৌন্দর্য বাড়াতে চাইলে আঙুল বা ছাঁচের সাহায্যে পিঠার কিনারায় সুন্দর নকশা করে নিতে পারেন।
পিঠা ভাজা ও সেদ্ধ করার ধাপ
ভাজা পুলি: কড়াইতে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল গরম করে তৈরি করা পুলি পিঠাগুলো ছেড়ে মাঝারি আঁচে উল্টেপাল্টে হালকা সোনালি ও মচমচে করে ভেজে তুলে নিন।
ভাপা পুলি: যারা তেল এড়িয়ে চলতে চান, তারা চাইলে একটি স্টিমার বা ভাপ দেওয়ার পাত্রে পিঠাগুলো রেখে ভাপা পুলি হিসেবেও সহজে তৈরি করে নিতে পারেন।
