সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তের ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে গুলিতে নিহত খালেদ আহমেদের (২৩) মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বিজিবির সহায়তায় স্থানীয়রা ভারতের আকুয়া সীমান্ত এলাকা থেকে মরদেহ নিয়ে আসেন।
নিহত খালেদ আহমেদ কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালীগুল গ্রামের মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ভারতের অভ্যন্তরে আকুয়া সীমান্ত এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। মৃত্যুর প্রায় ২৬ ঘণ্টা পর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ১০ জনের একটি দলের সঙ্গে দনা সীমান্তের ১৩৩৩ নম্বর মেইন পিলারসংলগ্ন মিকিরপাড়া এলাকা দিয়ে ভারতের আকুয়া এলাকায় যান খালেদ। সেখানে ভারতীয় এক খাসিয়া ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ। এতে খালেদ গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
আহত ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন বলেন, ভারতীয় এক খাসিয়ার গুলিতে খালেদের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হলে তারা বিএসএফকে অবহিত করে। তবে, বিএসএফ এ ঘটনায় দায় অস্বীকার করেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
নাজিম উদ্দিন আরো বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা বিজিবির সহায়তায় ভারতের অভ্যন্তর থেকে খালেদের মরদেহ দেশে নিয়ে আসেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কানাইঘাট থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা মরদেহ নিয়ে এসেছেন বলে খবর পেয়েছি। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে বিজিবি-১৯ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. যুবায়ের আনোয়ারের মোবাইলে ব্যবহৃত নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
