রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র তার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে মুখ খুলেছেন এবং সরাসরি সমালোচনা করেছেন স্প্যানিশ লিগের রেফারিদের।
প্রতিযোগিতা কমিটি তাকে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যার টাইমিং নিয়ে বেশ অসন্তুষ্ট এই ফরোয়ার্ড। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লিগ পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে রোমার বিপক্ষে বুধবার সন্ধ্যার ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পরই সিদ্ধান্তটি জানতে পারেন ভিনিসিয়ুস।
স্প্যানিশ দৈনিক ‘মার্কা’র প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রাজিলিয়ান তারকা বলেছেন, ‘আমার মনে হয় শাস্তির সময়টা মোটেও উপযুক্ত ছিল না। সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য তাদের পুরো দিন সময় ছিল, অথচ আমি স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পরই বিষয়টি জানতে পারি। নিয়মটি নতুন, এবং লা লিগার কর্তারা সাধারণত নতুন কোনো পরিবর্তন আসলে আমাদের তা বুঝিয়ে দেন, তবে এবার তারা এই বিশেষ নিয়মটি আমাদের বুঝিয়ে দেননি।
তিনি আরও যোগ করেন, আমি কখনোই অন্য কোনো খেলোয়াড়ের ওপর সহিংস আচরণ করিনি। আমি মাঠে প্রচুর ফাউলের শিকার হই। অথচ আমার মনে হয় রেফারিরা আমাকে খুব সহজেই কার্ড দেখান।
প্রতিপক্ষ সমর্থক ও ম্যাচ অফিশিয়াল- উভয়ের সমালোচনাই করেছেন ভিনিসিয়ুস। গ্যালারির দুয়ো ধ্বনিকে তিনি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিলেও নিজের বিপক্ষে হওয়া ফাউলের ক্ষেত্রে রেফারিদের দ্বিমুখী আচরণ কিছুতেই বুঝতে পারছেন না।
তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ সমর্থকরা আমাকে দুয়ো দেবে- এটাই স্বাভাবিক। কারণ, আমি তাদের দলের বিপক্ষে গোল করতে মাঠে নামি। কিন্তু রেফারিদের এমন মনোভাব আমি বুঝতে পারি না।
তিনি আরও বলেন, আমি একটি পরিসংখ্যানে দেখেছি যে, আমাকে ৫০০ বার ফাউল করা হয়েছে, যার বিনিময়ে ৫টি লাল কার্ড এবং অনির্দিষ্ট হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে। অথচ হলুদ কার্ড সবসময় আমার ভাগ্যেই জোটে। আমি এটা বুঝি না।
মাঠে যারা ভিন্নধর্মী কিছু করে দেখায়, সেই খেলোয়াড়দের সুরক্ষা দেওয়া দরকার বলে জোর দিয়ে উল্লেখ করেন ভিনিসিয়ুস। এ সময় তিনি বার্সেলোনার তারকা লামিন ইয়ামাল এবং আতলেতিকো মাদ্রিদের হুলিয়ান আলভারেজের নাম উল্লেখ করেন- যারাও এমন সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য।
