Authored By:
Published on
:
2 min read
এই সময়: আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। বাঙালির প্রায় ঘরে–ঘরে এ দিন কমলার আরাধনা। সে পুজোয় মিষ্টি–নাড়ু, লুচি–খিচুড়ির সঙ্গেই নানা পদের আয়োজন করেন গৃহস্থরা। কিন্তু আনাজের চড়া দামে ছেঁকা খাচ্ছেন তামাম বাঙালি। ফলে ইচ্ছা থাকলেও অনেক কিছুতেই কাটছাঁট করতে হচ্ছে। তেল, ঘি, চিনিও বেশ দামিই।
কলকাতার বিভিন্ন বাজারের খুচরো বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, পাইকারি বাজারে তাঁরা এক কেজি বেগুন কিনছেন ৮০ থেকে ৯০ টাকা দরে। এর পরে আছে পরিবহণ খরচ, বাছাই। ফলে খুচরো বাজারে ক্রেতাদের কাছে প্রতি কেজি গড়ে ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বেগুন।
উত্তর কলকাতার শ্যামবাজার, মানিকতলা, দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়াহাট, লেক মার্কেট, বাঘাযতীন বাজারে আদা, কাঁচা লঙ্কা কিনতেও নাভিশ্বাস উঠছে অনেকের। নতুন আদা ১০০ গ্রাম ২৫ টাকা দরে আর পুরোনো হলে ১০০ গ্রাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পটল, ভেন্ডি, উচ্ছে, ঝিঙে, বরবটির দাম প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। মাঝারি মাপের এক পিস ফুলকপি ৬০ টাকা। বাঁধাকপিও ৭০ টাকা কেজি দরে বিকোচ্ছে বিভিন্ন বাজারে। নারকেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে।
উত্তর কলকাতার পাইকপাড়ার বধূ স্বপ্না চক্রবর্তী বলেন, ‘কর্তাকে বলেছিলাম লক্ষ্মীপুজোর রাতে খিচুড়ি আর পাঁচমিশালি তরকারি রাঁধব। চাল, ডালের সঙ্গে কর্তা এনেছেন এক প্যাকেট পাঁপড়! আনাজের দাম এত চড়া, কিনতে পারেননি।’ গড়িয়ার কালাচাঁদপাড়ার বাসিন্দা তন্ময় নন্দীর কথায়, ‘গত কয়েক মাস ধরেই আনাজের দাম খুব চড়া। ইচ্ছে হলেও ছুঁতে পারছি না।’
দুই বাজারে আনাজের দাম
মানিকতলা
আলু (জ্যোতি): ১৫ টাকা প্রতি কেজি
আলু (চন্দ্রমুখী): ২০ টাকা প্রতি কেজি
পটল: ৭৫ টাকা প্রতি কেজি
ঢেড়শ: ৭০ টাকা প্রতি কেজি
বেগুন: ১০০ টাকা প্রতি কেজি
ঝিঙে: ৮০ টাকা প্রতি কেজি
সিম: ১৮০ টাকা প্রতি কেজি
ফুলকপি: ৬০ টাকা (প্রতি পিস)
গড়িয়াহাট
আলু (জ্যোতি): ১৭ টাকা প্রতি কেজি
আলু (চন্দ্রমুখী): ২২ টাকা প্রতি কেজি
পটল: ৮০ টাকা প্রতি কেজি
ঢেঁড়শ: ৭৫ টাকা প্রতি কেজি
বেগুন: ১২০ টাকা প্রতি কেজি
ঝিঙে: ৭৫ টাকা প্রতি কেজি
সিম: ২০০ টাকা প্রতি কেজি
ফুলকপি: ৬৫ টাকা (প্রতি পিস)
