মাদক নির্মূলের পাশাপাশি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার নতুন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এই লক্ষ্য অর্জনে নিজের নির্বাচনী এলাকার সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ সামাজিক সংগঠন গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (২১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই নতুন দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ইশরাক হোসেন উল্লেখ করেন, অত্যধিক ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকা-৬ এলাকায় সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত না করে কোনো একক সংস্থার পক্ষে পুরোপুরি মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। তাই প্রস্তাবিত এই নাগরিক সংগঠনটি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করবে; তারা প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে এবং একই সঙ্গে প্রশাসনিক সহায়তাও গ্রহণ করবে। মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি ওই এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধেও থানা-পুলিশের সঙ্গে যৌথ সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান তিনি।
তবে এই ধরনের সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্বার্থান্বেষী মহলের বাধার সম্মুখীন হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই সংসদ সদস্য। তিনি উল্লেখ করেন, মাদক ও অপরাধমূলক ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত ব্যক্তিরা এবং কিছু নির্দিষ্ট গণমাধ্যম, তাদের অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক মাধ্যমের পেজগুলো এই উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত বা প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাতে পারে। তবে কোনো অপপ্রচারের মুখে পিছু না হটে সব ধরনের প্রতিকূলতা পেরিয়ে এই উদ্যোগ সফল করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এলাকাবাসী ও সাধারণ ভোটারদের আশ্বস্ত করে ইশরাক হোসেন বলেন, সৃষ্টিকর্তার বিধান ছাড়া কোনো অপরাধী চক্র কিংবা অপপ্রচারকারী গোষ্ঠী তাঁকে এই জনকল্যাণমূলক কাজ থেকে বিরত রাখতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি প্রচলিত পক্ষপাতদুষ্ট প্রচারণার বিপরীতে বাংলাদেশপন্থী, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক তরুণ প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে দেশে একটি সুস্থ ও নতুন ধারার গণমাধ্যম গড়ে তোলার স্বপ্নের কথাও জানান।
