বৃক্ষ লেন এখন ‘বিলবোর্ড লেন’, খবরের কাগজে সংবাদ প্রকাশের পর পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ পিএম
সড়ক বিভাজক পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। ছবি: খবরের কাগজ
-->সিলেট নগরীর পাঠানটুলা এলাকায় সড়ক বিভাজকে মাত্রাতিরিক্ত বিলবোর্ড স্থাপন নিয়ে খবরের কাগজে সংবাদ প্রকাশের পর ওই সড়ক বিভাজক পরিদর্শন করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে সিসিকের বিজ্ঞাপন শাখার কর্মকর্তাকে নিয়ে ওই সড়ক পরিদর্শন করেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এসময় সড়কের সৌন্দর্য নষ্ট করে ঘনঘন বিলবোর্ড স্থাপনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, বিলবোর্ড এই যেভাবে রাখা হয়েছে সেটা সঠিক পন্থা নয়। এতো ঘন ঘন দেওয়া ঠিক না। আমি আজকে বিজ্ঞাপন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে এসেছি। তারা বিষয়টি দেখবেন। বিলবোর্ডের সাইজ ছোট করে ও সংখ্যা কমিয়ে লাগাত হবে। নগরবাসীর সুবিধা ও নগরের সৌন্দর্যের বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
আরও পড়ুন
এরপর আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর ফেসবুক পেজ থেকে এই সড়ক পরিদর্শনের একটি ভিডিও যুক্ত করে লেখা হয়- ‘অবকাঠামো নির্মাণ নয়; নগরীর সৌন্দর্য, পরিবেশ ও নাগরিকদের স্বস্তি রক্ষা করাও উন্নয়নের অংশ। যারা নিয়মের তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন, তাদের প্রতি স্পষ্ট বার্তা—নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট করে কেউ নিজের স্বার্থ হাসিল করবেন, তা হতে দেওয়া যায় না। নিয়মবহির্ভূত স্থাপনার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিলেট আমাদের সবার। এই শহরের সৌন্দর্য রক্ষায় আপসহীন থাকতে চাই।’
এরআগে মঙ্গলবার খবরের কাগজে ‘বৃক্ষ লেন হলো ‘বিলবোর্ড লেন’’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
আরও পড়ুন
প্রতিবেদনে বলা হয়, সিলেট নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন বৃদ্ধির জন্য পাঠানটুলা এলাকায় ‘বৃক্ষ লেন’ প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সবুজায়নের বদলে সেখানে স্থাপন করা হচ্ছে বাণিজ্যিক বিলবোর্ড। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃতির ছোঁয়া দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বৃক্ষ লেনের নামে জায়গাটিকে ‘বিলবোর্ড লেনে’ পরিণত করা হয়েছে। শহর খুঁজুন
সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা যায়, ছয়-সাত মাস আগে বাংলাদেশ বিলবোর্ড অ্যাডভার্টাইজিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে সিসিক এক বছরের জন্য পাঠানটুলা এলাকার সড়ক বিভাজক লিজ দেয়। গাছ লাগানো, লাইটিংসহ ওই জায়গা সৌন্দর্যবর্ধনের শর্তে তিনি লিজ নেন। পাশাপাশি ২০টি মিনিপোল (রাস্তার পাশে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য মাঝারি আকারের বিলবোর্ড) স্থাপনেরও অনুমতি নিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাঠানটুলা এলাকার প্রায় ১৫০ মিটার সড়ক বিভাজকে দাঁড়িয়ে রয়েছে ২৬টি ৬ বাই ৪ ফুটের স্টিল দিয়ে তৈরি বিলবোর্ড। সিসিকের তথ্য অনুযায়ী, লিজ গ্রহীতা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনিপোলের অনুমতি নিয়েছেন। নিয়মানুযায়ী, মাটি থেকে মিনিপোলের মূল বিজ্ঞাপন বোর্ডটির উচ্চতা ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হওয়ার কথা। তবে এখানে সেই নিয়ম মানা হয়নি। মাটি থেকে মাত্র ৪ ফুট উচ্চতায় বিলবোর্ডগুলো স্থাপন করা হয়েছে। গাছ রোপণের কথা থাকলেও নামমাত্র কিছু পাতাবাহার ও সৌন্দর্যবর্ধন গাছ লাগানো হয়েছে, যেগুলো সড়ক বিভাজকের জন্য উপযুক্ত না। বিলবোর্ডের কারণে এগুলো এরই মধ্যে আড়ালে চলে গেছে।
ওই প্রতিবেদনে এলাকাবাসী দাবী করেন, দ্রুত অতিরিক্ত বিলবোর্ডগুলো অপসারণ করে পাঠানটুলায় প্রকৃত অর্থে পর্যাপ্ত গাছ রোপণ ও সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে সিলেট সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
শাকিলা ববি/এসএন
আরও পড়ুন
বিজয়া দশমী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হলো নৌকাবাইচ
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীর আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: খবরের কাগজ
-->দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীর আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব নৌকা বাইচ দেখতে ভীড় করে সাধারন মানুষ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাড়ের মধুমতি নদী ও কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর নদীতে এসব নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেলে সদর উপজেলার সাতপাড়ের মধুমতি নদীতে অনুষ্ঠিত বাইচে ২০টি ও কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর নদীতে অনুষ্ঠিত বাইচে ১৫টি সরেঙ্গা, ছিপ, কোষা বাচারী নৌকা অংশ নেয়।
আরও পড়ুন
এসব নৌকা বাইচে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, বরিশাল, খুলনা, নড়াইল জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা নৌকা অংশ নেয়। নান্দনিক এ নৌকা বাইচ বিকেল থেকে চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে মুখোরতি হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
এসব নৌকা বাইচ দেখতে বিকেল থেকেই নদীর দু’পাড়ে জড়ো হতে থাকেন হাজার হাজার দর্শনার্থী। গোপালগঞ্জ জেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা মাদারীপুর বাগেরহাট, বরিশাল, খুলনা, পিরোজপুর, নড়াইল জেলা থেকে অসংখ্য দর্শক এসব নৌকা বাইচ উপভোগ করেন।
আরও পড়ুন
এলাকার অধিকাংশ লোকই প্রতি বছর এ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে। অনেকে গ্রামের বাইরে গিয়ে নানা কাজে শহরে জীবন যাপন করেন। কিন্তু, এদিন তারা কাটান একেবারেই গ্রাম্য পরিবেশে আর গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে।
কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, কথিত আছে যে আজ থেকে প্রায় দেড়শ বছর আগে যশোরের বিঘাপতির জমিদার খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ঘাঘর নদীতে দুর্গা পূজার বিজয়া দশমীর দিন এখানে মেলা ও নৌকাবাইচের আয়োজন করেছিলেন। সেখান থেকেই প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় এখানে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। কোটালীপাড়া উপজেলার সব ধর্মের লোকজন এই নৌকাবাইচে অংশ নেন।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, নদী খাল-বিলবেষ্টিত কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শত বছর ধরে বিশ্বকর্মা, দুর্গা ও লক্ষ্মী পূজায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। এসব বাইচ আয়োজন করতে হয়না। এই নৌকাবাইচে কাউকে পুরস্কারও দেওয়া হয়না। কোটালীপাড়ার এ নৌকাবাইচ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। আগামীতেও এ নৌকাবাইচ যাতে টিকে থাকে আমি সে বিষয়ে সবধরণের ব্যবস্থা নেব।
বাদল সাহা/নাঈম
আরও পড়ুন
নড়াইলে অনলাইন প্রতারক চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
অভিযানে গ্রেপ্তার প্রতারক চক্রের দুই সদস্য। ছবি: খবরের কাগজ।
-->সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পেজ খুলে বিভিন্ন পণ্যের লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে নড়াইলের কালিয়া থেকে একটি অনলাইন প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে গ্রেপ্তারদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন- কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া পূর্বপাড়ার সজল শেখ (২১) ও হেলাল উদ্দিন কাজী (৪২)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে উপজেলার খড়রিয়া পোলের বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে কালিয়া থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণায় ব্যবহৃত দুটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন
পুলিশ আরও জানায়, সজল শেখ ও হেলাল উদ্দিন কাজীসহ তাদের দলবল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অনলাইনে বিভিন্ন পণ্যের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, কম দামে পণ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা এবং চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। চক্রটি বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক পেজের মাধ্যমে কৌশলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা হাতিয়ে নিত।
তারা ‘মাই মোবাইল শপ’, ‘পদ্মার টাটকা ইলিশ’, ‘কলম প্যাকেজিং জব’, ‘শামীম ইলেকট্রনিক ফ্যান’, ‘রাজ ইলেকট্রনিক ফ্যান’ ও ‘উইন্টার গ্যালারি বিডি’সহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী জানান, গ্রেপ্তার সজল ও হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল প্রতারণার মামলা করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা স্মার্টফোনগুলো থেকে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই চক্রটির সঙ্গে আরও অন্তত ১০ জন সদস্য সম্পৃক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এস এস শরিফুল/এএফ
আরও পড়ুন
টেকনাফে বসতঘর থেকে কিং কোবরা উদ্ধার
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ পিএম
আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ পিএম
উদ্ধার করা কিং কোবরা সাপ। ছবি: সংগৃহীত
-->কক্সবাজারের টেকনাফে একটি বসতঘর থেকে বিশাল আকৃতির বিষধর কিং কোবরা (রাজ গোখরা) উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। পরে বন বিভাগের সদস্যরা সাপটিকে নিরাপদে নিয়ে বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকার গভীর জঙ্গলে অবমুক্ত করেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে টেকনাফ সদর রাজারছড়া এলাকায় একটি বসতবাড়ির খাটের নিচ থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি বসতবাড়ির লোকজন খাটের নিচে বড় আকৃতির একটি সাপ দেখতে পান। মুহূর্তেই বিষয়টি নিয়ে বাড়ির লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাপটি উত্তেজিত হয়ে ছোবল দেওয়ার চেষ্টা করলে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। একপর্যায়ে সাপটি ঘর থেকে বেরিয়ে এলে বাড়ির মালিক কৌশলে সেটিকে একটি বস্তার মধ্যে আটকে ফেলেন। পরে বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হয়। খবর পেয়ে শিলখালী রেঞ্জের অধীন রাজারছড়া বিটের বিট কর্মকর্তাসহ বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন
বন বিভাগ সূত্র জানায়, উদ্ধার করা সাপটি কিং কোবরা বা রাজ গোখরা। এটি দেশের অন্যতম বিষধর ও বড় আকৃতির সাপ হিসেবে পরিচিত। বসতবাড়ির ভেতর থেকে সাপটি উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শিলখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে সাপটিকে লোকালয় থেকে দূরে নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় বনরক্ষক হাবিব হোসেন, ইআরটি ও সিপিজির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বন বিভাগের সদস্যরা সাপটিকে বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকার হাজী মোজাহের স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে গভীর জঙ্গলে নিয়ে যান। সেখানে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন
তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই লোকালয়ে ঢুকে পড়া বন্যপ্রাণীকে হত্যা না করে উদ্ধার করে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করাই সঠিক পদক্ষেপ।
শাহীন/নাঈম
আরও পড়ুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিখোঁজের চারদিন পর রত্না দাস (৩০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত রত্না ওই গ্রামের কুড়েরহাটি এলাকার সুশীল দাসের স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত ১৭ অক্টোবর রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন রত্না দাস। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরদিন ১৮ অক্টোবর নাসিরনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন রত্নার স্বামী। পরে আজ বুধবার বিকেলে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে রত্নার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
আজিজুল/নাঈম
আরও পড়ুন
