২৩৮ রানের লক্ষ্যে নেমে এক ম্যাচ হাতে রেখে যুব ওয়ানডে সিরিজ জেতার পথেই ছিল বাংলাদেশ। ২ উইকেট হারিয়ে দেড়শ পার করা দলটি ব্যাটিং ধসের মুখোমুখি হলো। আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাদের শেষ ৮ উইকেট পড়েছে ৩৭ রানের মধ্যে।
অথচ আল আমিন হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৩৭ রানে অলআউট করেছিল বাংলাদেশ। ৫০ রানে তাদের তিন উইকেট তুলে নেয় তারা। তারপর সুবহান জাখাইল ও শাহ ফয়সাল রহিমির ১০৫ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় আফগানরা। সুবহান ইনিংস সেরা ৮১ রানে থামার পর রাহিমি দলকে টেনে তোলেন। তার ৮০ রান ও অধিনায়ক সোহেল খানের ২৪ রানের সুবাদে আড়াইশর কাছাকাছি স্কোর করে আফগানিস্তানের যুব দল।
আল আমিন ১০ ওভারে ৬০ রান খরচায় একাই নেন ৬ উইকেট।
লক্ষ্যে নেমে চতুর্থ বলে জারিফ সিয়াম ডাক মারেন। তারপর আব্দুল আল মুহি ও কাওসার আহমেদের ১০৭ রানের জুটিতে শক্ত ভিত গড়ে। মুহি ৬১ রান করে ফিরে গেলেও আলামিন হোসেন রনিকে নিয়ে বাংলাদেশকে জয়ের পথে রেখেছিলেন কাওসার। ২৭তম ওভারে তিনি ৬৪ রানে বিদায় নিতেই অকল্পনীয় ধসের মুখোমুখি হয় দল।
২ উইকেটে ১৫৭ রান করা বাংলাদেশ ১৫ বলের ঝড়ে কোনো রান না যোগ করে আরও চার উইকেট হারায়। তারপর আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি তারা। ৩৯তম ওভারে ১৯৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচ ৩৩ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ টাই হলে সুপার ওভারে তারা জেতে। ২-১ এ এগিয়ে থেকে বাংলাদেশ চতুর্থ ও শেষ ম্যাচ খেলবে। সিরিজ নির্ধারণও হবে ২৩ অক্টোবরের সেই ম্যাচে।
এফএইচএম
